আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে যখন ২০ দল মাঠে নামমে তখন রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উঠতি বিভিন্ন ওয়ার্ড-এর ২০ দলের নেতা কর্মী ব্যবহার করে ফায়দা নিতে পারে বিএনপির মাঠ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা। তালিকাভূক্ত সাত শতাধিক উঠতি তৃনমূলের নেতা কর্মী বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে, যা সরকারি দলের প্রর্থীদের জয় হতে একমত্র বাধা এমন শঙ্কা এবং চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাদেরকে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করতে ‘ব্লকরেইড’ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার রাত থেকে ঢাকার আটটি ক্রাইম জোনে কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে এ অভিযান শুরু হয়েছে। এ অভিযানের সন্দেহভাজনদের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী অথবা নির্বাচনী প্রচারণা কাজে অংশ নিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।
ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়ন কিনেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহনগরের আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আওয়াল মিন্টু, দলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র কিনেছেন বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক নেতা। যাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে ফৌজদারি মামলা।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া স্বাক্ষরিত ‘ব্লকরেইড অভিযান’ পরিচালনার নির্দেশাবলী রাজধানীর ডিসি, এডিসি, ওসিসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযান পরিচালনার কপি পাঠানো হয়েছে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ কন্ট্রোল রুমে। এর আগেও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাশকতারোধ করার নামে যৌথ বাহিনীর অভিযান চালানো হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






