আজ হাসপাতালে ডিউটি করছিলাম। সে সময় ইমার্জেন্সিতে ১৫-১৬ বছরের এক মেয়ে আসলো তলপেটে তীব্র ব্যথা নিয়ে। মেয়েটি ক্লাস টেনে পড়ে ও অবিবাহিত। মেয়েটিকে চেকয়াপ করে রোগের ইতিহাস নিচ্ছিলাম।
রোগীর সাথে আসা তার এক ভাবীর কাছ থেকে শুনলাম যে মেয়েটির এক ছেলের সাথে সম্পর্ক আছে। একপর্যায়ে মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে এক ফার্মেসি থেকে বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ নেয়। সেই ওষুধ খাবার পর মেয়েটির মাসিকের রাস্তা দিয়ে অনবরত রক্ত যাচ্ছে ও তলপেটে ব্যথা হচ্ছে।
জরুরী ভিত্তিতে মেয়েটিকে আলট্রাসনোগ্রাম করে দেখলাম যে মেয়েটির পেটে প্রায় ৩ মাসের বাচ্চা। ওষুধ খাবার পর ভ্রূণের কিছু অংশ বের হয়ে গেলেও বেশীরভাগ অংশ জরায়ুতে রয়ে গেছে। সেখান থেকেই মেয়েটির এসব সমস্যা।
মেয়েটির গর্ভে থেকে যাওয়া মৃত বাচ্চাকে বের করতে জরুরী ভিত্তিতে গাইনী ডাক্তার ডেকে ডি এন্ড সি করালাম।
একটি ছেলে ও মেয়ের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের ফলে এমন ঘটনা অহরহ ঘটছে। সাময়িক জৈবিক লালসার শিকার হয়ে এভাবে মাতৃগর্ভেই হত্যা করা হচ্ছে অসংখ্য নিষ্পাপ শিশুকে।
নারীবাদী ও আধুনিক প্রগতিশীল কিছু কুলাঙ্গার অল্পবয়সে বিয়ে করাকে গুরুতর অপরাধ মনে করে। তারা একে মানবতা ও আধুনিকতার অন্তরায় বলে মনে করে। তারা বলে অল্প বয়সে বিয়ে করে মেয়েরা গর্ভবতী হলে নাকি মেয়েদের ক্ষতি হয়।
কিন্তু বিয়ে না করে অল্প বয়সে বয়ফ্রেন্ডের সাথে মেলামেশা করাকে এরা কৌশলে উৎসাহ প্রদান করে। এসব অবৈধ সম্পর্কের ফলে গর্ভে আসা কোন শিশুকে যদি হত্যা করা হয়, তাহলেও তাদের কাছে মানবতা বিরোধী কিছু হয় না।
পশ্চিমা বিশ্বে শতকরা ৬০ জন মেয়েই ১৮ বছর হবার পূর্বেই তাদের ছেলে সঙ্গীর সাথে অবৈধ সম্পর্কে মিলিত হয়। এতে অনেকে গর্ভবতীও হয়ে যায়। কিন্তু এসবে কোন অপরাধ হয় না। যত অপরাধ শুধু বিয়ের পর বৈধ পন্থায় মেলামেশাতেই।
এসব একচোখা ইসলাম বিদ্বেষীর মুখে থুথু মারতেও ঘৃণা লাগে
Ahsan Sabbir

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






