somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রক্তিম জোছনা

২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। গল্পের সমস্ত চরিত্র, নাম, স্থান এবং ঘটনা লেখকের কল্পনাপ্রসূত। বাস্তব কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান অথবা ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে এর কোনো মিল খুঁজে পাওয়া গেলে তা সম্পূর্ণ কাকতালীয় বলে গণ্য হবে।

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মমিনহাটা গ্রামের কাঁচা রাস্তা ধরে জিপটা যখন এগোচ্ছিল, তখনো ভোরের কুয়াশা পুরোপুরি কাটেনি। পিবিআই-এর স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর আরিয়ান জিপের স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে আড়চোখে তাকালেন পাশের সিটে বসা তাঁর নতুন পার্টনার বর্ষার দিকে।

বর্ষার বব-কাট ব্রাউন কালার চুলগুলো কাঁধের ঠিক ওপরে এসে থেমেছে। তীক্ষ্ণ নাক আর ধূসর চোখে এক ধরণের পেশাদারী কাঠিন্য। তবে বর্ষা একটু বেশি মাত্রায় আত্মবিশ্বাসী আর রূঢ়। চারপাশের কোনো অনুভূতি আরিয়ানের ভেতর ইদানীং কাজ করে না, একটা অদ্ভুত অসাড়তা তাঁকে গ্রাস করেছে। বর্ষা তার কোলের ওপর রাখা ট্যাবের স্ক্রিন থেকে চোখ না তুলেই বলল, “ভিকটিম কল্যাণী রায়, বয়স পঁয়তাল্লিশ। গত রাত সোয়া এগারোটায় নিজের ঘরে গলা কাটা লাশ পাওয়া গেছে। স্বামী বিমল রায় পাশের ঘরে ছিলেন। বাড়িতে শুধু এই দম্পতিই থাকতেন।

স্বামী কী বলেছেন?” আরিয়ান জিপের স্পীড কমালেন।

বাইরের ডাকাত দল,” বর্ষা ট্যাবটা বন্ধ করে আরিয়ানের দিকে তাকাল। তার কণ্ঠে চটজলদি সিদ্ধান্তের সুর। “যেহেতু সদর দরজা খোলা ছিল এবং আলমারি তছনছ করা, এটা লোকাল কোনো গ্যাংয়ের কাজ। আমি অলরেডি ওসির সাথে কথা বলে মমিনহাটার পুরোনো ডাকাতদের একটা লিস্ট রেডি করতে বলেছি। ওদের চাপ দিলেই কেস বের হয়ে যাবে।

আরিয়ান এবার কোনো উত্তর দিলেন না, কেবল ওঁর ডান হাতের তর্জনীটা স্টিয়ারিং হুইলের ওপর একটা ধীর ছন্দ তুলল। বর্ষা যে একটু তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ভালোবাসে এবং নিজের ধারণার বাইরে অন্য কিছু ভাবতে চায় না, এটা আরিয়ান গত দুদিনে টের পেয়েছেন। দুজনের মাঝখানে এই পেশাদার দ্বিমত আর একটা অলিখিত আকর্ষণ—দুই-ই এক অদ্ভুত দূরত্ব বজায় রাখছিল।

মিনিট দশেকের মধ্যে তাঁরা বিমল রায়ের একতলা ইটের বাড়িটায় পৌঁছালেন। ক্রাইম সিনের উঠোনে তুলসী তলার পাশে পাড়ার উৎসুক মানুষ ভিড় করে আছে। আরিয়ান আর বর্ষা ভেতরে ঢুকলেন।

মেঝেতে রক্ত শুকিয়ে কালচে হয়ে গেছে। বর্ষা কোনো দ্বিধা ছাড়াই নিছু হয়ে লাশের গলার ক্ষতটা পরীক্ষা করল। আরিয়ান ঘরের জানালার শিক আর আলমারির লকের দিকে তাকালেন। আলমারির ড্রয়ারটা খোলা, কিছু কাপড় বাইরে ছিটানো।

কাটটা খুব গভীর এবং এক টানে করা,” বর্ষা গ্লাভস পরা হাতটা সোজা করে বলল। “ধস্তাধস্তির সময় আলমারি ওলটপালট হয়েছে। আমার ধারণা মেলানোই আছে, আরিয়ান। ডাকাতরা হুট করে ঘরে ঢোকায় কল্যাণী দেবী বাঁধা দিতে যান, আর তখনই ওনারা...”

না, বর্ষা। তুমি ভুল ট্র্যাক ধরছ,” আরিয়ান শান্ত গলায় বর্ষার কথায় বাধা দিলেন। বর্ষার চোখ দুটো এক মুহূর্তের জন্য ক্ষোভ আর অপমানে কুঁচকে গেল।

আরিয়ান ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকা একটা ভাঙা কাঁচের গ্লাসের দিকে ইঙ্গিত করলেন। “গ্লাসটা টেবিল থেকে পড়ে ভেঙেছে। ডাকাতরা হুট করে ঢুকলে কল্যাণী দেবী চিৎকার করতেন। বিমল বাবু পাশের ঘরে থেকেও কোনো চিৎকার শোনেননি, শুধু গোঙানি শুনেছেন। এর মানে কল্যাণী দেবী খুনিকে চিনতেন। আর আলমারির কাপড়গুলো ছড়ানো হলেও ভেতরের মূল লকারটা কেউ খোলেনি। কোনো ডাকাত লকার না ছুয়ে কাপড় নিয়ে পালায় না। সিনটা সাজানো।

বর্ষা চোয়াল শক্ত করে ঘরের কোণে তাকাল। নিজের অনুমানের এই ভুলটা সে সহজে হজম করতে পারছে না।

চলো, স্বামীর সাথে কথা বলি,” আরিয়ান দরজার দিকে পা বাড়ালেন।

বিমল রায় বারান্দায় একটা টুলের ওপর মাথা নিচু করে বসে ছিলেন। ভদ্রলোকের বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি, শরীর কাঁপছে।

আরিয়ান ওঁর সামনে গিয়ে বসলেন। আরিয়ানের চোখ দুটো বিমল বাবুর মুখের ওপর স্থির। পাশে বর্ষা হাত ভাঁজ করে দাঁড়িয়ে ওঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নোটিশ করছে।

বিমল বাবু, আপনি রাত দশটায় খেয়ে ঘুমাতে গিয়েছিলেন। আর সোয়া এগারোটায় আপনার ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দ হয়। আপনি নিশ্চিত শব্দটা দরজাতেই হয়েছিল?” আরিয়ান জানতে চাইলেন।

বিমল বাবু চমকে মাথা তুললেন। “জি... জি স্যার। খুব জোরে ধাক্কার শব্দ। মনে হলো কেউ লাথি মেরেছে।

আপনার ঘরের দরজাটা কাঠের,” বর্ষা পাশ থেকে এবার বেশ আক্রমণাত্মক গলায় বলল। “দরজার বাইরের দিকে কোনো জুতো বা লাথির দাগ নেই। কেউ যদি তাড়াহুড়ো করে পালাতে গিয়ে ধাক্কা দেয়, তবে দরজার লকে স্ক্র্যাচ থাকার কথা। আপনি আমাদের সাথে চালাকি করছেন?

বিমল বাবু কপালে হাত দিলেন। “তাহলে... তাহলে হয়তো প্রদীপই ধাক্কা দিয়েছিল স্যার। আমি আতঙ্কে ভুল বলেছি।

আরিয়ান একটু নড়েচড়ে বসলেন। “প্রদীপ? প্রদীপ কে?

বিমল বাবু যেন হঠাৎ বুঝতে পারলেন তিনি একটা ভুল নাম মুখ থেকে বের করে ফেলেছেন। তিনি দ্রুত সামলে নেওয়ার জন্য চোখ দুটো মুছে নিলেন। ওঁর মুখে হঠাৎ একটা কান্নার অভিব্যক্তি তৈরি হলো, কিন্তু ওঁর চোখ দিয়ে এক ফোঁটা জলও বেরোচ্ছিল না। কান্নাটা কেমন যেন রিহার্সাল করা লাগছিল।

প্রদীপ এই গ্রামেরই এক বখাটে ছেলে স্যার,” বিমল বাবু গলা কাঁপিয়ে বললেন। “ও কয়েকদিন ধরে আমাদের বাড়িতে আসছিল। আমার ধারণা, ওই ডাকাতদের খবর দিয়েছে। আমি তো নিজেই শেষ হয়ে গেলাম স্যার, আমাকে জড়াবেন না!

বর্ষা এবার এক কদম সামনে এগিয়ে এল। তার ধূসর চোখে তীব্র জেদ। সে বিমল বাবুর এই কান্নার অভিনয়টা ধরতে না পেরে প্রদীপের নামটাকেই আঁকড়ে ধরল। “তার মানে প্রদীপ জড়িত! আরিয়ান, আমাদের এখনই প্রদীপকে তুলে আনা দরকার। বিমল বাবু শকড, ওনাকে প্রেশার দিয়ে লাভ নেই।

আরিয়ান এবার বর্ষার দিকে তাকালেন না। তিনি উঠে ঘরের কোণে রাখা একটা ভারী লোহার ট্রাঙ্কের দিকে এগিয়ে গেলেন। ট্রাঙ্কটার ওপর একটা কাঠের ভারী পিঁড়ি রাখা। আরিয়ান পিঁড়িটা তুলে মেঝেতে ফেললেন। একটা ভারী কাষ্ঠল শব্দ হলো—ধড়াম!

বিমল বাবু প্রায় লাফিয়ে উঠলেন।

শব্দটা এরকম ছিল, তাই না বিমল বাবু?” আরিয়ান খুব নিচু স্বরে বললেন। ওঁর গলায় কোনো রাগ নেই, ওঁর ডান হাতের বুড়ো আঙুলটা নিজের বাম হাতের তালুতে মৃদু চাপ দিচ্ছিল। “শব্দটা আপনার দরজায় হয়নি। শব্দটা হয়েছিল আপনার স্ত্রীর ঘরে, যখন তিনি মেঝেতে পড়ে যান এবং ওঁর পায়ের ধাক্কায় জলচৌকিটা উল্টে যায়। আপনি ডাকাতের গল্প আর প্রদীপের নামটা এনেছেন কেবল আমাদের বিভ্রান্ত করতে। আপনি প্রদীপকে ফাসাতে চান, কারণ প্রদীপের সাথে কল্যাণী দেবীর কোনো সম্পর্ক ছিল, তাই না?

বিমল রায় এবার কান্না থামিয়ে দিলেন। এক সেকেন্ডে ওঁর মুখের অভিব্যক্তি বদলে গেল। ওঁর চোখ দুটো এবার ধূর্ত আর হিংস্র দেখাল। বর্ষা এতক্ষণে নিজের ভুলটা বুঝতে পেরে একটু পিছিয়ে গেল। সে প্রদীপের ক্লু-টা ধরে সরাসরি ডাকাত দলের তত্ত্বে আটকে ছিল, অথচ মূল মনস্তাত্ত্বিক খেলাটা চলছিল ঘরের ভেতরেই।

সম্পর্ক ছিল মানে?” বিমল বাবু এবার সোজা হয়ে বসলেন। ওঁর কণ্ঠস্বর বদলে গেল, কেমন যেন একটা শুকনো শোনাল। “ও আমার মান-সম্মান শেষ করেছিল। ওই ছোকরার সাথে রাত-বিরাতে ফোনে কথা বলত। আমি কল্যাণীকে বলি—আজই এর শেষ হবে। ও তখন আলমারি থেকে নিজের গয়নাগাটি গুছিয়ে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।”

তারপর প্রদীপ এসে ওকে খুন করল?” বর্ষা এবার নিজের ভুলটা শুধরে নেওয়ার জন্য পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ল।

প্রদীপ কেন আসবে?” বিমল রায় একটা শীতল হাসি হাসলেন। “আমিই ওর পথ আটকে দাঁড়িয়েছিলাম। ও আমাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যেতে চাইল। রাগের মাথায় রান্নাঘরের বঁটিটা... আমি জাস্ট এক টানে... ও আমার দিকে হাত বাড়িয়েছিল বাঁচানোর জন্য। আমি শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম ও কখন শেষ হয়। ও মরার পর আমি আলমারির কাপড়গুলো ছড়ালাম, সদর দরজা খুলে ডাকাতের নাটক সাজালাম। যাতে দায়টা প্রদীপের ওপর যায়, আর আমার প্রতিশোধও পূরণ হয়।

রুমে এক অদ্ভুত ঠাণ্ডা স্তব্ধতা নেমে এল।

বর্ষা লোকাল পুলিশের ওসির দিকে তাকিয়ে ঠাণ্ডা গলায় বলল, “বিমল রায়কে অ্যারেস্ট করুন।” যাওয়ার আগে সে বিমল বাবুর দিকে একবার তাকালও না, বরং নিজের ভুল অনুমানের কারণে তার নিজের ওপরই এক ধরণের রাগ হচ্ছিল।

দুপুর একটা।

গাবতলী থানার বাইরে জিপের পাশে আরিয়ান চুপচাপ দাঁড়িয়ে জানালার বাইরে ফাঁকা মাঠটার দিকে তাকিয়ে রইলেন। কুয়াশা কেটে চড়া রোদ উঠেছে, কিন্তু বাতাস এখনো ঠাণ্ডা।

বর্ষা ওঁর পাশে এসে দাঁড়াল। ওঁর কাঁধের দূরত্ব আরিয়ানের থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি। বর্ষার সেই চিরচেনা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসটা এখন আর নেই, তার বদলে সেখানে এক ধরণের নিচু স্বর।

আমি ভুল ট্র্যাক ধরেছিলাম,” বর্ষা চুলে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, তার চোখে এবার নিজের ভুলের একটা হালকা স্বীকারোক্তি। “আমি প্রদীপের নামটা শুনেই ভেবেছিলাম আউটসাইডার কেউ।

আরিয়ান এবারও কোনো বড় লেকচার দিলেন না। ওঁর অবশ অনুভূতিগুলোর মাঝেও বর্ষার এই প্রথমবার নিজের ভুল স্বীকার করাটা এক ধরণের মানবিক গভীরতা তৈরি করল। তিনি শুধু আলতো করে জিপের বনেটটা চাপড়ে বললেন:

তদন্তে কোনো ইমোশনাল ব্লাইন্ড স্পট রাখা যায় না, বর্ষা। অপরাধী সবসময় সেটাই আমাদের দেখাতে চায়, যা আমরা দেখতে পছন্দ করি। জিপে ওঠো, বগুড়া এসপি অফিসে রিপোর্টটা ড্রপ করতে হবে।

বর্ষা আর কোনো প্রশ্ন করল না। সে জিপের দরজা খুলে বসে নিজের ট্যাবে পরবর্তী ফাইলের ডেটা চেক করতে শুরু করল।

জিপটা যখন ধুলো উড়িয়ে হাইওয়ের দিকে চলতে শুরু করল, পেছনে পড়ে রইল মমিনহাটা গ্রামের সেই একতলা বাড়ি আর এক অদ্ভুত ট্র্যাজেডি। আরিয়ান স্টিয়ারিং ঘোরালেন, আর তাঁদের দুজনের মাঝখানের সেই অলিখিত দায়িত্বের সীমারেখাটা কুয়াশার মতোই অটুট রয়ে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৩০
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গীতিকবিতাঃ হারকিউলিসের ডাক

লিখেছেন অব্যক্ত কাব্য, ২১ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪




কত শোকে আর মাতম করলে দেশটা হবে শুদ্ধ?
কতবার আর লড়তে হবে, কত করতে হবে যুদ্ধ!
হারকিউলিস, ঝাপিয়ে পড়ো যত নিপীড়ক খুনির বুকে।
দেখতে চাইনা আর কোন মা কাঁদছে ধুকে ধুকে।

দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এ দেশে ন্যায় বিচার!? = ডাইনোসরের দুধ.. /#) :#| :-ls ।

লিখেছেন সাইবার সোহেল, ২২ শে মে, ২০২৬ রাত ১২:২৫

আমরা বাঙালি বা বাংলাদেশীরা আজীবনই লোভী, স্বার্থপর.. প্রতিবারই কোন না কোন একটা জঘন্য ঘটনা ঘটে সারা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে বিচারের দাবিতে.. কিছুদিন পর অন্য কোন একটা ঘটনায় আগের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসার শিশু আবদুল্লাহর হত্যার বিচার কি হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে মে, ২০২৬ রাত ২:০৯


একটা ১০ বছরের বাচ্চা, যে মাত্র একদিন আগে ফোনে মায়ের কাছে ২৫০ টাকার চকলেট খাওয়ার আবদার করেছিল, সে হুট করে বাথরুমের ভেণ্টলেটরে ঝুলে আত্মহত্যা করতে পারে এই গল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাখো পরিবারের বেঁচে থাকার গল্প অনিশ্চয়তার মুখে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে মে, ২০২৬ সকাল ৯:৫৪



যেখানে আইন, ধর্ম আর রাজনীতি একসাথে জট পাকায়- সেখানে সবচেয়ে আগে হারিয়ে যায় সাধারণ মানুষের শান্তি ও জীবিকা।
গরু শুধু প্রতীক নয়, এটা লাখো পরিবারের বেঁচে থাকার গল্প।
এই গল্প এখন অনিশ্চয়তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ধর্ম আল্লাহ'র মত করে পালন করিনা, করি আমাদের নিজেদের মত করে!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২২ শে মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৯


পবিত্র কোরআন-এ শূকরের মাংস খেতে নিষেধ করা হয়েছে চারটি জায়গায়। কিন্তু দেখুন, আমরা মুসলমানরা এই নির্দেশটি আজ পর্যন্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আসছি। পৃথিবীর প্রায় সব মুসলিমকে আপনি চেষ্টা করলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×