somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিঃশব্দ প্রহর

২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে? বানান ভুল হচ্ছে যে! পড়া শেষ কর, তোর পছন্দের ডিম-ভুনা আর ভাত রেডি।"

বারান্দা থেকে ডেকোরেটর দোকানের পুরোনো অ্যাম্প্লিফায়ারের তার গোছাচ্ছিলেন বড় ছেলে সাব্বির (১৯)। মায়ের দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন, "আম্মা, দোকানের সব দেনা চুকিয়ে দিয়ে ভালোই করেছ। এবার আমি পড়াশোনায় আর ছোট খালার ক্যাটেরিং ব্যবসায় ফুল টাইম দিতে পারব।"

ফরিদা বেগম মৃদু হাসলেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর এই ডেকোরেটরের দোকানটা চালাতে গিয়ে তাকে অনেক দেনা করতে হয়েছিল। কিন্তু এই হাসিমুখের পরিবারটি জানত না, তাদের জীবনের শেষ রাত এটিই।

পরদিন সকালে সেই একতলা বাড়ির বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার করা হলো ফরিদার পরিবারটির তিন-তিনটি মরদেহ। একই খাটের ওপর কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছেন ফরিদা বেগম, সাব্বির এবং ছোট সিয়াম। দেখে মনে হচ্ছিল যেন তারা শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন।

ঘটনাস্থলে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ফরিদার বড় মেয়ে তানজিনা এবং জামাই রাশেদ (২৩)।

স্থানীয় পুলিশকে রাশেদ অত্যন্ত উত্তেজিতভাবে বলল, "গতকাল রাতে আমরা এক সাথে খেয়ে বাড়ি ফিরেছি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ওই আলী আজগর জড়িত! আমার শ্বশুরের সৎ ভাই উনি, ওই জমির ভেজালের জন্য উনি আগেও কতবার হুমকি দিয়েছেন! ওরাই খাবারে বিষ মিশিয়ে সবাইকে শেষ করেছে!"

কিন্তু খবর পেয়েই গ্রামে এসে হাজির হলেন আরেকজন মানুষ—ইলিয়াস শেখ। তিনি ফরিদার ডেকোরেটর ব্যবসার নতুন ক্রেতা। তিনি উচ্চকণ্ঠে দাবি করলেন, "আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে! ফরিদা বেগম ব্যবসা বিক্রির পর তাঁর জামাই রাশেদ আমার কাছ থেকে ক্যাশ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ওদের নিজেদের পরিবারেই তো রক্তারক্তি অবস্থা!"

পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে জানাল—লাশের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। মিডিয়া ও পুলিশ ধরে নিল এটি 'ফুড পয়জনিং' বা পারিবারিক শত্রুতার জেরে বিষপ্রয়োগ। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করে তদন্তের ইতি টানার প্রস্তুতি চলছিল।

তবে তিন দিন পর, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নথিপত্র এসে পৌঁছাল পিবিআই (PBI) স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন উইংয়ে।


পিবিআই স্পেশাল ইনভেস্টিগেটর আরিয়ান আহমেদ তার ডেস্কে তিনটি ছবি পাশাপাশি রাখলেন।

১. আলী আজগর: মৃত ফরিদার সৎ দেবর। জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলা চলছে। ঘটনার দিন বিকেলে ফরিদার বাড়িতে এসে তিনি চেঁচামেচি করেছিলেন।
২. ইলিয়াস শেখ: ডেকোরেটর ব্যবসার নতুন মালিক। ব্যবসা কেনাবেচা নিয়ে ফরিদার পরিবারের সাথে লেনদেনের ঝামেলা ছিল।
৩. মো. রাশেদ: ঘরজামাই ও নিহত ফরিদার জামাই। ব্যবসা বিক্রি করে দেওয়ায় সে নাকি আর্থিক ক্ষতি ও অপমানের মুখে পড়েছিল।

আরিয়ান তার টিমের দিকে তাকালেন। "তিনজন সন্দেহভাজন, প্রত্যেকের শক্তিশালী মোটিভ আছে, কিন্তু লাশের ময়নাতদন্তের প্রারম্ভিক রিপোর্ট বলছে বিষক্রিয়া। আরিয়ানের বিশ্বাস—যা খুব বেশি সহজ মনে হয়, তার পেছনেই সবচেয়ে বড় জটিলতা লুকিয়ে থাকে।"

তদন্ত কর্মকর্তা বর্ষা ডায়েরির পাতা উল্টে বলল, "আরিয়ান ভাই, আমি পারিপার্শ্বিক সাক্ষীদের সাথে কথা বলে একটা অদ্ভুত অসঙ্গতি পেয়েছি। আলী আজগর দাবি করেছেন ঘটনার রাতে তিনি বাজারে ছিলেন, কিন্তু বাজারের চায়ের দোকানদার বলল আজগর নাকি রাত ১০টার দিকে কালভার্টের মোড়ে কার সাথে যেন ফিসফিস করে কথা বলছিলেন। আবার ইলিয়াস শেখের কেমিক্যাল সাপ্লাইয়ের ব্যবসা আছে—বিষ জোগাড় করা তার জন্য পানির মতো সহজ।"

ডিজিটাল ফরেনসিক অ্যানালিস্ট তানভীর তার ল্যাপটপের কি-বোর্ডে আঙুল চালাতে চালাতে বলল, "আমি একটা ডিজিটাল প্যাকেট ট্রেস করেছি। ঘটনার রাতে সাভার বর্ডার এলাকার টাওয়ারে তিনটি মোবাইল নম্বরই সচল ছিল। তবে মজার ব্যাপার হলো, রাত ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে একটি বিশেষ নম্বর থেকে বারবার স্থানীয় এক ওঝা ও কেমিক্যাল ব্যবসায়ীর কাছে মেসেজ গেছে।"

"তার মানে বিষক্রিয়ার তত্ত্বটা সবাই বিশ্বাস করাতে চাইছে," আরিয়ান সোজা হয়ে বসলেন। "আমরা ঘটনাস্থল রি-কনস্ট্রাকশন করব। সায়েন্স আর অবজারভেশন কখনো মিথ্যা বলে না।"


রূপনগর গ্রামের সেই নিঝুম বাড়িতে আবার ঢুকল পিবিআই টিম।

বর্ষা বেডরুমের আসবাবপত্র আর ডাইনিং টেবিল পরীক্ষা করছিল। হঠাৎ সে দরজার কব্জা এবং খাটের কাঠের ফ্রেমের নিচে ম্যাগনিফায়ার গ্লাস ফেলল।

"আরিয়ান ভাই, একটু দেখুন!" বর্ষা ডাকল। "যদি খাবারে বিষ মেশানো হতো, তবে ডাইনিং টেবিলের ওপর গ্লাস আর থালায় কেমিক্যাল অবশিষ্টাংশ থাকার কথা। কিন্তু খাবার ঘরের থালা-বাসন সব ধোয়া ও শুকনো। বরঞ্চ খাটের পায়ার কাঠের ফ্রেমে খুব সূক্ষ্ম ঘর্ষণের দাগ আছে, যা ভারী কোনো কিছু টানাহেঁচড়া করার ফলে হয়।"

একই সময়ে তানভীর বাড়ির পেছনের স্যাঁতসেঁতে উঠোন থেকে ডিজিটাল স্ক্যানারের সাহায্যে মাটির ডেনসিটি মেপে একটি লুকানো গর্ত খুঁজে পেল। মাটি খুঁড়তেই পাওয়া গেল ফরিদা বেগমের নিখোঁজ হওয়া একটি ছোট লাল ডায়েরি এবং দুটি সিম কার্ড।

তানভীর তাৎক্ষণিকভাবে সিম কার্ডের ডেটা রিকভার করে বলল, "আরিয়ান ভাই! আলী আজগর আর ইলিয়াস শেখ—উভয়েই ফরিদা বেগমকে ব্যবসা বিক্রি আর জমি নিয়ে গত এক মাসে ৫০টির বেশি হুমকিমূলক কল দিয়েছেন! তারা দুজনেই ফরিদার ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন।"

"কিন্তু প্রশ্ন হলো," আরিয়ান ঠান্ডা মাথায় বললেন, "হুমকি দেওয়া আর ঘরে ঢুকে তিনজনকে নিঃশব্দে মেরে ফেলা এক জিনিস নয়। তানভীর, ওই রাতে এই তিনজনের কার এলিবাই সবচেয়ে নিখুঁত?"

"রাশেদের," তানভীর বলল। "রাশেদ তার স্ত্রীকে নিয়ে রাত আটটায় নিজ বাড়িতে ফিরে যায়। তার স্ত্রী তানজিনা পুলিশকে লিখিত দিয়েছে যে রাশেদ সারা রাত তার পাশেই ঘুমানো ছিল।"

আরিয়ানের চোখে আগুন জ্বলে উঠল। "যে এলিবাই সবচেয়ে বেশি নিখুঁত, সাধারণত সেটাই সবচেয়ে বড় সাজানো নাটক হয়। আমরা রাশেদকে আবার জিজ্ঞাসাবাদ করব, তবে এবার অন্যভাবে।"


পিবিআই-এর ইন্টারোগেশন রুম। এসি চলছে মৃদু শব্দে।

সামনে বসা রাশেদ। তার চোখে মুখে বিরক্তি ও আত্মবিশ্বাসের ছাপ। "স্যার, আমি তো বলেইছি আমার শ্বশুরের সৎ ভাই আলী আজগর আর ওই ডেকোরেটরের ইলিয়াস মিলে আমার শাশুড়িকে বিষ খাইয়ে মেরেছে! আপনারা আমাকে বারবার কেন তলব করছেন?"

আরিয়ান কিছু বললেন না। তিনি পকেট থেকে একটি অডিও রেকর্ডার বের করে টেবিলে রাখলেন।

বর্ষা ইন্টারোগেশন রুমে ঢুকে রাশেদের সামনে একটা ফাইল রাখল। "রাশেদ সাহেব, আপনার স্ত্রী তানজিনা ভেবেছিল আপনি সারা রাত তার পাশেই ছিলেন। কিন্তু তানভীর যখন আপনাদের বাড়ির স্মার্ট ওয়াচ আর আপনার ফিটনেস ব্যান্ডের পেডোমিটার ডেটা এক্সট্র্যাক্ট করল... দেখা গেল রাত ১২টা ১৫ মিনিটে আপনার হার্ট রেট হঠাৎ ৯০-এ উঠে যায় এবং আপনি ওই রাতে ৩,২০০ কদম হেঁটেছিলেন!"

রাশেদের কপাল বেয়ে একবিন্দু ঘাম গড়িয়ে পড়ল। সে হাত শক্ত করে চেপে ধরে বলল, "ওটা... ওটা আমি রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে ছাদে হেঁটেছিলাম!"

"ছাদে?" আরিয়ান এবার টেবিলে ঝুকে এলেন। তার কণ্ঠস্বর বরফের মতো ঠাণ্ডা। "তাহলে রূপনগর ব্রীজের সিসিটিভি ক্যামেরায় রাত ১২টা ৪০ মিনিটে সাইকেল চালিয়ে যে ছায়ামানবটি ফরিদা বেগমের বাড়ির দিকে যাচ্ছিল, তার পরনে আপনার ওই নীল জ্যাকেটটি কেন ছিল? আর ইলিয়াস বা আজগর যদি খুন করত, তবে তারা ফরিদা বেগমের লাল ডায়েরিটা চুরি করে ফরিদা বেগমের বাড়ির পেছনের ডোবায় পুঁতে রাখতে যাবে কেন?"

রাশেদ থমকে গেল। সে বুজতে পারল পিবিআই দল কেবল বিষের গল্পে আটকে নেই।

"তুমি ভেবেছিলে বালিশ চাপা দিয়ে মারলে শরীরে রক্তের দাগ থাকবে না," আরিয়ান টেবিলের ওপর ফরিদা বেগমের ছবিটা রাখলেন। "তুমি প্রথমে সাব্বিরকে আক্রমণ করেছিলে, কারণ সে তোমাকে প্রতিরোধ করতে পারত। তারপর ফরিদা বেগম... আর শেষে ওই ৯ বছরের শিশু সিয়াম, যে তোমার অপরাধ দেখে ফেলেছিল! তুমি ওদের কাঁথা মুড়ি দিয়ে রেখে এসেছিলে যেন সবাই ভাবে ওরা বিষ খেয়ে ঘুমাচ্ছে!"

রাশেদ চিৎকার করে উঠল, "না! আমি মারিনি! ওটা বিষক্রিয়াই ছিল!"

আরিয়ান মুচকি হাসলেন। "আমরা এখনো ফরেনসিক ল্যাবের মূল সারপ্রাইজটা বলিইনি, রাশেদ। সেটা আদালতেই শুনতে পাবে।"


ছয় মাস পর। ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ঠাসা এজলাস।

আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মো. রাশেদ। তার পক্ষে দেশের নামী আইনজীবী দাঁড়িয়েছেন। আইনজীবী যুক্তি দিচ্ছিলেন—"মাননীয় আদালত, আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। পুলিশ বিষক্রিয়ার কথা বললেও মৃতদেহে বিষের স্পষ্ট প্রমাণ মেলেনি। শুধু ডিজিটাল ডেটা দিয়ে আমার মক্কেলকে খুনি বানানো যাচ্ছে না। এই খুন হয়তো আলী আজগর বা ইলিয়াস শেখের শত্রুতার জের!"

বিচারক আরিয়ানের দিকে তাকালেন। "তদন্তকারী কর্মকর্তা, আপনার কাছে কি কোনো সরাসরি ভৌত প্রমাণ আছে যা প্রমাণ করে আসামিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে?"

আরিয়ান আদালতের অনুমতি নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। পাশে বর্ষা একটি প্রজেক্টর অন করল।

"ইয়োর অনার," আরিয়ান বললেন। "আসামি খুব চতুরতার সাথে কেমিক্যাল বিষের গল্প ছড়িয়ে তদন্ত বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সে একটি জিনিস অনুধাবন করতে পারেনি। হত্যায় ব্যবহৃত দুটি বালিশের ভেতরে থাকা তুলো যখন আমরা স্পেকট্রোস্কোপি ফরেনসিক পরীক্ষা করি, তখন সেখানে আসামির নিজের চোখের জল ও ঘামের ডিএনএ পাওয়া গেছে।"

পুরো এজলাসে গুঞ্জন উঠে গেল। রাশেদ চমকে উঠল।

আরিয়ান বলতে লাগলেন, "আসামি যখন ছোট শিশু সিয়ামের মুখে বালিশ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে মারছিল, তখন অনুশোচনা বা মানসিক চাপে আসামির চোখ থেকে দু-ফোটা জল গড়িয়ে বালিশের কভার ভেদ করে ভেতরের তুলোয় শুষে যায়। শিশু সিয়ামের লালার ডিএনএ এবং আসামির চোখের জলের ডিএনএ ওই একই বালিশের ভেতরে জমাট বেঁধেছিল। বিষ খাইয়ে মারলে এই বায়োলজিক্যাল ট্রেস কখনো বালিশের ভেতরে পাওয়া যেত না!"

রাশেদের আইনজীবী স্তব্ধ হয়ে বসে পড়লেন।

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা রাশেদের পা কেঁপে উঠল। তার শেষ আশ্রয়টুকুও ধুলোয় মিশে গেছে। বিচারকের সামনে এবার সে আর অস্বীকার করতে পারল না। হাঁটু গেড়ে বসে পড়ে সে অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে বলল, "আমি ইচ্ছা করে করিনি স্যার... ব্যবসা বিক্রি করার পর শাশুড়ি আমাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল! আমি রাগের মাথায়..."

বিচারক হাত তুলে তাকে থামালেন।

রায়ের পর আদালতের বাইরে বিকেলের নরম রোদ এসে পড়েছে।

ফরিদা বেগমের ভাই আবদুর রশীদ আরিয়ানের হাত দুটো শক্ত করে চেপে ধরে বললেন, "স্যার, সবাই যখন বিষক্রিয়ার ভুয়া গল্প বিশ্বাস করে মামলা বন্ধ করে দিয়েছিল, আপনারা না থাকলে আজ আমার বোন আর ভাগ্নেগুলোর আত্মা বিচার পেত না।"

আরিয়ান চশমাটা পকেটে রেখে পাশে দাঁড়ানো বর্ষা আর তানভীরের দিকে তাকালেন।

"আমাদের ক্রেডিট দেওয়ার কিছু নেই," আরিয়ান শান্ত গলায় বললেন। "অপরাধী যতই চতুর হোক, সে ভাবে সে প্রকৃতির সব নিয়ম লুকিয়ে ফেলেছে। কিন্তু বিজ্ঞানের মেথড আর প্রখর পর্যবেক্ষণ শক্তির কাছে অপরাধীর সাজানো গল্প শেষ পর্যন্ত তাসের ঘরের মতোই ধসে পড়ে।"

আরিয়ান তার টিম নিয়ে গাড়ির দিকে হেঁটে গেলেন। রূপনগরের সেই নীরব বাড়িতে আজ আর কোনো অন্যায়ের ছায়া নেই, পিবিআই-এর গাড়িটি শহরের নতুন কোনো অধ্যায়ের জট খুলতে ট্রাফিকের মাঝে মিলিয়ে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
-মোঃ মুসা (গাঙচিল)

তুমি আমার আধো আধো সকাল হবে?
ঘর কাপলের জোড়া শালিক!
শেষ শিশিরের নরম আলো
তোমার মনে মুখটা একটু ধুইতে দেবে?

তুমি আমার নৌকা বিহীন নদী হবে?
বৈঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্রপতির বিদায়ঘণ্টা: রাজনীতি ও নৈতিকতা

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২৪ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩



বাংলাদেশের রাজনীতি অঙ্গনে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের
পদত্যাগ কেবল একজন ব্যক্তি বা কোন একটি বিশেষ পদের পরিবর্তন নয় বরং এটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×