টুইটার-ফেসবুক বা ব্লগে তড়িৎ গতিতে সারা দেশ থেকে খবরাখবর পাওয়া যায়, যেভাবে অন্য কোন মিডিয়া দিতে পারে না। কিন্তু এদেশে এগুলোর ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুবই কম। টিভি-রেডিও ও সংবাদপত্র ব্যাপক জনগোষ্ঠির কাছে সহজে পৌঁছাতে পারে, কিন্তু তারা কয়েকটি সংবাদ সংস্থা বা নিজস্ব সংবাদদাতার ওপর নির্ভরশীল। অনেক খবর তারা মিস করে বা দেরীতে পায়। কিন্তু কেউ যদি কোন খবর দিতে চায় এসব মিডিয়াতে, তার সুযোগ নেই বললেই চলে। টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটগুলোতে দেখা যায় এরকম কোন ব্যবস্থা নেই। কোনকোনটায় ফিডব্যাক বা কন্ট্যাক্ট উইন্ডো থাকলেও সেগুলো জটিল ও অকার্যকর। সংবাদ প্রেরকের পরিচয় নিতেই তারা বেশী আগ্রহী, অথচ অনেকে হয়রানির ভয়ে পরিচয় গোপন রাখতে চায়। সর্বসাধারণের থেকে সংবাদ ও মন্তব্য পাওয়ার পর দ্রুত যাচাই বাছাই করে নীতিমালা অনুযায়ী মিডিয়াগুলো তা প্রকাশ করতে পারে। মিসর ও লিবিয়ার আন্দোলনের সময় আমরা দেখেছি বিকল্প মাধ্যম থেকে অজস্র মানুষ বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা ইত্যাদি চ্যানেলে খবর পাঠিয়েছে এবং গুরুত্ব দিয়ে চ্যানেলগুলোতে তা প্রচার করা হয়েছে। সুতরাং জনগণের জন্য যারা সংবাদ পরিবেশন করবে তাদের জনগণের সাথে আরো সম্পৃক্ত হওয়া দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



