
১৯৭১ সালে’র ২৫শে মার্চ রাতে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সাথে-সাথেই আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের সকল নেতাই কলকাতায় পালিয়ে যান! সেখানে বিভিন্ন অপকর্মের পাশাপাশি তারা শুরু করেন নোংড়া রাজনীতি!
নিউইয়র্কের “ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ ইউনিভার্সিটি ইমারজেন্সি” নামে পরিচিত একটি সংস্থা ঢাকায় বুদ্ধিজীবীদের ব্যাপক হত্যাকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে! আই,সি,ইউ,ই প্রদত্ত সেই বিবৃতিতে হতাহতের তালিকাভূক্ত ৫৫জন বুদ্ধিজীবী পরবর্তীতে –
“A STATEMENT BY EAST PAKISTAN SCHOLARS AND ARTISTS”
শিরোনামে ১৭ই মে ১৯৭১ একটি বিবৃতি প্রদান করেন! যার মাধ্যমে তারা দেশে বিদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে, তারা যে আদৌ মারা যাননি, বেঁচেই আছেন তা ব্যাপক ভাবে তুলে ধরেন!! একই সাথে তারা পকিস্তানের প্রতি তাদের অকুন্ঠ সমর্থন এবং ভারত ও আওয়ামীলীগের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন! যা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়!
পরবর্তীকালে, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে কলকাতায় দীর্ঘদিন "যুদ্ধ" করে আসা আওয়ামীলীগের নেতারা এই ৫৫-জন বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পি-কে উপরোক্ত স্টেইটমেন্টটি প্রকাশ করে নিজেদের জীবিত অবস্থা প্রকাশের “অপরাধে” রাজাকার উপাধিতে ভূষিত করেন!
এই লিস্টের ৫০নং নামটাই হচ্ছে “শামসুল হক” এর(ইমেজ -এ যিনি আবেগে চোখ বন্ধ করে আছেন)!
শামসুল হক ৭১ পরবর্তী বাংলাদেশে রাজাকার হিসাবে অভিযুক্ত হলেও পরবর্তীতে “সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর” বিখ্যাত "রাজাকার-টু-মুক্তিযোদ্ধা কনভার্টার " মেশিনের বদৌলতে বনে যান মুক্তিযোদ্ধায়!!১৯৭১ সালে’র ২৫শে মার্চ রাতে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সাথে-সাথেই আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের সকল নেতাই কলকাতায় পালিয়ে যান! সেখানে বিভিন্ন অপকর্মের পাশাপাশি তারা শুরু করেন নোংড়া রাজনীতি! যারই ফলশ্রুতিতে -
নিউইয়র্কের “ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ ইউনিভার্সিটি ইমারজেন্সি” নামে পরিচিত একটি সংস্থা ঢাকায় বুদ্ধিজীবীদের ব্যাপক হত্যাকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে! আই,সি,ইউ,ই প্রদত্ত সেই বিবৃতিতে হতাহতের তালিকাভূক্ত ৫৫জন বুদ্ধিজীবী পরবর্তীতে –
“A STATEMENT BY EAST PAKISTAN SCHOLARS AND ARTISTS”
শিরোনামে ১৭ই মে ১৯৭১ একটি বিবৃতি প্রদান করেন! যার মাধ্যমে তারা দেশে বিদেশে তাদের আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী এবং ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে, তারা যে আদৌ মারা যাননি, বেঁচেই আছেন তা ব্যাপক ভাবে তুলে ধরেন!! একই সাথে তারা পকিস্তানের প্রতি তাদের অকুন্ঠ সমর্থন এবং ভারত ও আওয়ামীলীগের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন! যা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়!
পরবর্তীকালে, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে কলকাতায় দীর্ঘদিন "যুদ্ধ" করে আসা আওয়ামীলীগের নেতারা এই ৫৫-জন বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পি-কে উপরোক্ত স্টেইটমেন্টটি প্রকাশ করে নিজেদের জীবিত অবস্থা প্রকাশের “অপরাধে” রাজাকার উপাধিতে ভূষিত করেন!
এই লিস্টের ৫০নং নামটাই হচ্ছে “শামসুল হক” এর(ইমেজ -এ যিনি আবেগে চোখ বন্ধ করে আছেন)!
শামসুল হক ৭১ পরবর্তী বাংলাদেশে রাজাকার হিসাবে অভিযুক্ত হলেও পরবর্তীতে “সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর” বিখ্যাত "রাজাকার-টু-মুক্তিযোদ্ধা কনভার্টার " মেশিনের বদৌলতে বনে যান মুক্তিযোদ্ধায়!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।









