ওয়েন চিয়া পাও : চীনের প্রধানমন্ত্রী
ওয়েন চিয়া পাও চীনের কমিউনিষ্ট পার্টির কেন্দ্রীয় পলিট ব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং চীনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। উনি হান জাতির (চীনের 56 টি জাতির মধ্যে বৃহত্তম জাতি) পুরুষ। ১৯৪২ সালের সেপ্টেম্বরে থিয়ানচিনে জম্ম। ১৯৬৫ সালের এপ্রিলে ওয়েন চিয়া পাউ চীনের কমিউনিষ্ট পার্টিতে যোগদান করেন, ১৯৬৭সালের সেপ্টেম্বরে কাজ শুরু করেছেন। তিনি পেইচিং জিওলজী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজী গঠনপ্রনালী বিভাগের স্নাতক, স্নতকোত্তর ও ইঞ্জিনিয়র ছিলেন।
১৯৬০ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত পেইচিং জিওলজী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজী মিনিং প্রথম বিভাগের জিওলজী সেজার ও মাইনিং বিভাগে লেখাপড়া করেন। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত তিনি পেইচিং জেওলজী বিশ্ববিদ্যালয়ের জেওলজী গঠনপ্রনালী বিভাগের স্নাতক ছিলেন। ১৯৬৮সাল থেকে ১৯৭৮সাল পর্যন্ত তিনি গানসু প্রদেশের জিওলজী ব্যুরোর জিওমেকানিক্স দলের প্রযুক্তিবিদ, রাজনৈতিক পরিচালক, রাজনৈতিক কার্যলয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। ১৯৭৮সাল থেকে ১৯৭৯সাল পর্যন্ত এই দলের পার্টি কমিটির স্থায়ী কমিশনার ও উপ দলের প্রধান ছিলেন। ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮১ সাল তিনি গানসু প্রদেশের জিওলজী ব্যুরোর ডিপুটি চিফ ইঞ্জিনিমর ছিলেন। ১৯৮১সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত জিওলজী ব্যুরোর ডিপুটি ডিরেক্ট ছিলেন। ১৯৮২সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত তিনি জিওলজী ও মাইনিং মন্ত্রণালয়ের নীতি ও বিধি গবেষণা কার্যলয়ের প্রধান, পার্টি নেতৃত্ব দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৮৫সাল পর্যন্ত তিনি জিওলজী ও সাইনিং মন্ত্রণালয়েরউপমন্ত্রী, পার্টি নেতৃত্ব দলের সদস্য, পার্টি নেতৃত্ব দলের উপ মহাসচিব ও উপ রাজনীতিমন্ত্রণালয়ের ডিরেক্ট ছিলেন। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয়
কার্যলয়ের ডিপুটি ডিরেক্ট ছিলেন। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় কার্যলয়ের ডিরেক্ট ছিলেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯২সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর বিকল্প সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যলয়ের ডিরেক্ট, কেন্দ্রীয়-শাসিত কার্যলয়ের কমিশনের মহাসচিব ছিলেন। ১৯৯২সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগের বিকল্প কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কার্যলয়ের ডিরেক্টর, কেন্দ্র-শাসিত কার্যলয়ের কমিশনের সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৭সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগের কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রী রাজনৈতিক বিভাগের কোমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকরন্ডলীর সম্পাদক, উপ প্রধানমন্ত্রী, পার্টি নেতৃত্ব দলের সদস্য, কেন্দ্রীয় তহবিল কমিশনের সম্পাদক ছিলেন। ২০০২ সালে কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যও, উপ প্রধানমন্ত্রী, পার্টি নেতৃত্ব দলের সদস্য, কেন্দ্রীয় তহবিল কমিশনের সম্পাদক ছিলেন। ২০০৩ সালের মার্চ মাসে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হন।
তিনি চীনের কমিউনেশন পার্টির ১৩তম কেন্দ্রীয় কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর বিকল্প সম্পাদক, ১৪তম কেন্দ্রীয় কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর বিকল্প কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদক, ১৫তম কেন্দ্রীয় কমিশনার, কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগের কমিশনার, কেন্দ্রীয় সম্পাদক, ১৬তম কেন্দ্রীয় কমিশনার, কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগের কমিশনার, স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য ছিলেন।
ক্ষমতা আসলে কত দিনের?
একটি ১২ ঘণ্টার প্যারোল, একটি শেষ বিদায় এবং ক্ষমতার অনিত্যতার নির্মম শিক্ষা
“পুলিশ ভাই, আমাকে তো এখনই নিয়ে যাবেন, আমি দুই মিনিট ফ্যামিলির সঙ্গে কথা বলি?”
কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় ডা.... ...বাকিটুকু পড়ুন
কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!
একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন
নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া
আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
পড়ালেখার গুরুত্ব

পড়ালেখার গুরুত্ব কি, আর কেনো পড়ালেখা করতে হবে? আমার মনে হয় উত্তর সকলের কম বেশি জানা আছে। কিন্তু আমরা বাস্তবে কি করছি? আমাদের দেশে মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাহিনীটা কী?
কাহিনীটা কী?
বিএনপিকে যারা ২৪ ঘণ্টা অভিশাপ দেয়, গালমন্দ করে, "বিএনপি দেশটা শেষ করে দিয়েছে- আর ছয়মাসও টিকবে না", তারাই আবার বিএনপি কাকে মন্ত্রী বানালো, কাকে উপদেষ্টা করলো- এই হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।