somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুপার থার্টিঃ রাজা ওহি বানেগা জো হকদার হোগা

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বিহারের নক্সাল জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ।
অতি দরিদ্র পরিবারের একটা শিশু ক্ষুধা সহ্য না করতে পেরে মায়ের আচল ধরে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে খাবারের জন্য কাদছে। ঘরে এক মুঠো খাবার নেই যে এই দুধের শিশুকে মা খাওয়াবে। অসহায় দৃষ্টিতে মা বাবার দিকে তাকায়।
পিতা সন্তানের প্রবোধ দেয়ার জন্য বলে পানি গরম দাও , আমি যে করেই হোক খাবার নিয়ে ঘরে ফিরবো। খাবার নিয়ে ফিরতে ফিরতে পানি গরম হয়ে যাবে তারপর আমরা লবন দিয়ে ভাত খাবো। পিতা চাউল জোগাড় করতে গিয়ে আর ফেরে নাই। বিশ বছর কেটে গেছে।
মা প্রতিক্ষায় থেকে থেকে বাচ্চার হাত শক্ত করে ধরে । প্রতিদিন ১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সেই বাচ্চা দশম শ্রেনী পাশ করে । তারপর?
তারপর সে সুপার থার্টিনে দুই বছর পড়ে মুম্বাই আই আই টি তে চান্স পায়।প্রথম চাকরী বুরুজ খলিফাতে । এখন নিজের কোম্পানী। ছেলেটির নাম অনুপ।
এরকম অসংখ্য অনুপের যোগফল হলো সুপার থার্টি।
বাবা রেল স্টেশনের হকার । বুকের ভেতর ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বাসনা নিয়ে ছেলেও বাবার সাথে হকারী করে। ছেলে সুপার থার্টিতে জয়েন করে। আই আই টি তে চান্স পায়। এখন মাইক্রোসফটে।
আই আই টি হলো ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনলোজী। পুরো ভারতের মাত্র ২% ছাত্র এখানে চান্স পাই। সুপার থার্টি থেকে প্রতিবছর ত্রিশ জন। একবার নাকি ত্রিশ জনের ভেতর থেকে একত্রিশ জন চান্স পেয়েছিলো। ত্রিশ জনের কোটা পুরন হয়ে যাওয়ার পরে সে আর সুপার থার্টিনে ঢুকতে পারে নাই। পরে সে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে থেকে পড়া শুনে আই আই টি তে চান্স পেয়েছিলো।
আর এই সব সুপার ম্যানদের স্রষ্টা আনন্দকুমার । প্লেন ভাড়ার টাকা জোগাড় করতে না পারায় কেমব্রিজে পড়তে যেতে পারে নাই।

আমি বলি ভাই আনন্দ কুমার আপনার প্লেনের দরকার কি। আপনি তো সুপার ম্যানদের গডফাদার।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১০
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রগলভ (ড্রাফট কবিতা-২)

লিখেছেন সোনালী ডানার চিল, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭



বলিনি আমার দূ:খেও তুমি থাকো-
অন্ধকারে শীতল ঘরের কোণে
বলিনি আমার দূ:স্থতা তুমি নাও
বিষাদ মাখানো একাকীত্বের ক্ষণে!

আমি তো বলিনি কোথায় কান্না রাখা
বিগলীত করো হরিনী চোখের বাকে
চাইনি আমি তো কোমল বাহু-জোড়া
মৃদ্যু উষ্ণতায় যা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুভকামনা কবি গুলতেকিন..!

লিখেছেন সোহানী, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৩



কি বললেন? গুলতেকিন বিয়ে করেছে?...

- ছি: ছি: এ বয়সে এ মহিলার ভীমরতি হয়েছে।..... নাতি পুতি নিয়া সুখে থাকবে না তো, নানি এখন বিয়ের পিঁড়িতে...খিক্ খিক্ খিক্ !!

- ওওও তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ লাভ অন ফায়ার

লিখেছেন অপু তানভীর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯




মেঘলা চোখ খুলে প্রথমে বুঝতে পারলো না ও কোথায় আছে । মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগলো ওর সব কিছু মনে করতে । সাথে সাথেই মনে পড়ে গেল অজ্ঞান হওয়ার আগে কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এসেছি

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২



আমার সোনা বন্ধুরে তুমি কোথায় রইলা রে
দিনে রাইতে তোমায় আমি খুইজা মরি রে
যদি না পাই তোমারে আমার জীবনের তরে
সোনার জীবন আঙ্গার হইবে
মরন কালে যেন বন্ধু একবার তোমায় পাই
যদি না পাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয়তমা ও ভালোবাসায় অন্যরকম সম্ভাষণ

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৯


প্রিয়তমা
যখন তুমি হাসো ,এই পৃথিবী থমকে যায় ,চমকে তাকায় ।
আর আমি তোমার নেশায় ,
অবাক চেয়ে রই ।
আকাশের যত তারকারাজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×