আমি কি বানিয়ে বলছি? একটু খোঁজ নিয়েই দেখুন না। ছেলে কি করে, তার এই পরিমান অর্থ যোগাড় করার সার্মথ্য আছে কিনা সেটা মূখ্য নয়। প্রেস্টিজ বাঁচাতে হবে সেটাই বড়।
কাবিনের অংক নিয়ে রীতিমত প্রতিযোগিতা হয় মেয়েদের কাজিনদের কিংবা বান্ধবীদের মধ্যে। কার কত বেশী কাবিন হয়েছে সেটা তত ভাল বিয়ের প্যারামিটার হিসেবে গন্য করা হয়। কাবিন কতটা উশুল হল কিংবা আদৌ তার স্বামী কখনও সেটা শোধ করবে কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। বড় একটা অংকে কাবিন হতে হবে সেটাই গুরূত্বপূর্ণ।
বিয়ের সময় আত্মীয়রা ওৎ পেতে থাকেন ছেলের বাসা থেকে কি কি আসল দেখার জন্য। একটু খারাপ জিনিস পত্র আসলে হাসি চাপা চাপি শুরু হয়ে যায়। কত দামী আর ভারী বেনারসী দিল, কসমেটিকসের দাম কত এসব নিয়ে চলে ভীষন আলোচনা। অথচ বিয়ের সেই শাড়ি জীবনে আর দ্্বিতীয় বার পরা হয় কিনা সন্দেহ। আর কসমেটিকসের কাজ তো হয় সব পালর্ারে, তাহলে এই দামী কসমেটিকসের দরকারটা কোথায়?
আরো কিছু ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করা হয়। তার একটি হল কমিউনিটি সেন্টার কত দামী হল তা দেখা। ভাল কমিউনিটি সেন্টার না হলে প্রেস্টিজ থাকে না। আরো টুকিটাকি ব্যাপার স্যাপার তো আছেই।
ছেলেদের পরিবার থেকে এসব ব্যাপারে খুঁত খুঁত করতে আমি দেখিনি। মেয়েদের পরিবার থেকেই আসলে এসব ব্যাপারে আপত্তি আসতে দেখেছি। আর বারবার ভেবেছি, 'রেখেছ বাঙ্গালী করে মানুষ করনি!'
[লেখাটি আমার বন্ধু [link|http://geekswithblogs.net/joycsharp|R
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




