somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিল্পী মুর্তজা বশীরের সাক্ষাতকার ২

৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইতিহাস ও প্রত্নত্ত্ব চর্চা আপনার শিল্পে কি ব্যাপক মাত্রায় প্রভাব ফেলেছে?

অবশ্যই ফেলেছে। অবশ্যই ফেলেছে। ভবিষ্যতে আমার মনে হয়, কম্পোজিশনের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। যেটা আমার এখনো আসেনি, এখনো আমি একটা ফিগারের বেশি আকি না। হয়তো অদূর ভবিষ্যতে টেরাকোটা দেখার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। টেরাকোটার একেকটা ফলকে যেভাবে কয়েকটা ফিগারকে অর্গানাইজ ও কম্পোজ করা হয়েছে সেগুলো আমি দেখেছি যা আমার আকায় কাজে লাগবে। আধুনিক চিত্রকলায় টেক্সচার একটা এলিমেন্ট, এখানে যেহেতু কোনো রঙ ছিল না অতএব আচড় কেটে শাড়ির নানা রকম টেক্সচার করা হতো। এগুলো হয়তো অদূর ভবিষ্যতে আমার কাজে লাগবে।

আপনি বলছিলেন যদি ৯৩ বছর বাচেন তবে আপনার শিল্প একটা পরিণত পর্বে পৌছতে পারবে।

আমি মনে করি, এখন পর্যন্ত, এ ৭৬ বছর বয়স পর্যন্ত আমি শিখছি। কিন্তু সময়কে উত্তরণ করার মতো যে শিল্প সেটা কিন্তু আমি সৃষ্টি করতে পারিনি। এই যে জ্ঞান আহরণ করছি এটা প্রয়োগ করার মতো যদি আরো বয়স আমি পাই তাহলে আমি সফল হতে পারি। আমি আমার মাটি আমার দেশের রঙ এসব ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন।
এই যে বাংলাদেশ, এর প্রকৃতি যদি দেখি, সব জেলার সব সবুজ কিন্তু এক নয়। সবুজের রঙ জায়গায় জায়গায় পাল্টে যায়। উত্তরবঙ্গের সবুজ কিন্তু একরকম, দক্ষিণবঙ্গের সবুজ অন্যরকম, আবার ডিস্টৃক্টওয়াইজ রমণীদের শাড়ির রঙ পাল্টে যায়। সব অঞ্চলে বেগুনি রঙ পাওয়া যাবে না। অনেক অঞ্চলে ডুরে কাটা শাড়ি আছে। সব অঞ্চলে ডুরে কাটা শাড়ি নেই। তবে কমন যে রঙ আমি সব অঞ্চলে দেখেছি সেটা হলো নীল ও সবুজ। সিম্পল একটা দা’র ডিজাইন কিন্তু অঞ্চল ভেদে চেঞ্জ হয়ে যায়। নৌকা এতো রকম কেন? নৌকার শেপ, গলুই অঞ্চলভেদে কিন্তু চেঞ্জ হয়ে যায়।

সব ক্ষেত্রেই আমরা দেখছি নিজস্বতার একটা ব্যাপার কাজ করে। শিল্পকলার ক্ষেত্রে উপলব্ধিটা এখন অনেক গভীরভাবে কাজ করছে। যেটা সিক্সটিজে অনুভূত হয়নি।

আমি কিন্তু এ বিষয়ে একমত নই। এখনো কিন্তু শিল্পীরা আমাদের দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে ওইভাবে অনুসন্ধান করছে না, যতোটা আন্তর্জাতিক শিল্পকলার প্রতি তারা আকৃষ্ট হচ্ছে।

এটা কেন হচ্ছে? আপনি বহুদিন শিক্ষকতা করেছেন। আপনার কি মনে হয় আমাদের শিক্ষা কারিকুলামে গলদটা রয়ে গেছে? নাকি আমাদের অগ্রজ শিল্পীদের অনুসরণ করতে গিয়েই এটা হচ্ছে?

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এখানে কি পড়ানো হচ্ছে? আমরা পড়াচ্ছি ওয়েস্টার্ন আর্টÑ একেবারে পৃমিটিভ থেকে লেটেস্ট পর্যন্ত। কিন্তু ওরিয়েন্টাল আমরা পড়াচ্ছি ঠিকই সেখানে ইনডিয়ারটাতে জোর দিচ্ছি, ছুয়ে যাচ্ছি জাপান-চায়নাকে। আমার মতে, আমাদের পাঠ্যক্রমকে পরিবর্তন করতে হবে। আমার রকোকো জানার দরকার নেই। রেনেসা জানলেই আমার জন্য যথেষ্ট। বারোক, রকোকো টাচ করবো, অতো এলাবোরেট পড়ানোর দরকার নেই। তারপর আসবো রিয়ালিস্ট পিরিয়ডে, তারপর ইমপ্রেশনিস্ট পর্বে। ইন বিটুইনগুলো আমরা টাচ করবো। আমি এশিয়ান, ইন্দোনেশিয়ায় কি আর্ট হচ্ছে তা আমি জানি না। মিয়ানমার, থাইল্যান্ডে কি হচ্ছে তা আমরা জানি না। ইনডিয়ার আধুনিক আর্ট আমরা জানি না যতোটা জানি অজন্তা, ইলোরা, রাজপুর, কাংড়া। তাও ভাসা ভাসা। ওরিয়েন্টাল আর্টের মধ্যে পার্সিয়ান আর্টকে ইমপর্টেন্স দেয়া উচিত, তারপর ইনডিয়ান আর্ট। কালীঘাট ও পাল চিত্রকলা আরো ডিটেইল পড়ানো দরকার। নেপাল, মিয়ানমার, শ্রী লংকা, থাইল্যান্ড, জাপান, চায়না এগুলোকে ইলাবোরেটলি পড়ানো দরকার। ইওরোপিয়ানটা শিখবো শিল্পকলার ধারাবাহিকতা জানার জন্য।
পপ আর্ট নিয়ে এতো পড়ার দরকার নেই। জানার জন্য পড়বো। সাহিত্যেও একই ঘটনা, পার্শ্ববর্তী দেশের সাহিত্য সম্পর্কে আমরা কিন্তু তেমন জানি না। আমাদের এখন পুরো জিনিসটার জন্য একটি ভিশন দরকার। টার্গেট করতে হবে যে শিশুটা হামাগুড়ি দিচ্ছে তাকে। তার জন্য চিন্তা করতে হবে।
কিন্তু এ কথাও তো ঠিক যে, আন্তর্জাতিক হোক কি লোকাল ফর্ম, যে ফর্মের একটি ছবি তৈরি হোক শিল্পবোদ্ধা ও রসগ্রাহীর অভাবে সেটা ব্যাপকমাত্রায় মানুষের কাছে পৌছতে বা গৃহীত হতে পারছে না। এখানে শিল্প সমালোচনার অবস্থাও খুব সুখকর নয়। আমরা তো ইন্সটিটিউশন দিয়ে পাবলিককে অ্যাপৃসিয়েশনের জায়গায় নিয়ে আসতে পারবো না।
শিল্পকলার আন্দোলন বলতে যা বোঝায় সেটা কিন্তু আমাদের এখানে দরকার নেই। এটা প্রথম যুগে দরকার ছিল। ১৯৫০ সালে যখন ঢাকা লিটন হলে ঢাকা আর্ট গ্রুপের প্রথম চিত্র প্রদর্শনী হলো তখন দেখা গেছে ঘোড়ার গাড়ি করে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা দল বেধে চিত্র প্রদর্শনী দেখতে এসেছে। কেন এসেছে? ঢাকায় তখন বিনোদনের অভাব, চিড়িয়াখানা নেই, বোটানিকাল গার্ডেন নেই। একট নতুন জিনিস চিত্রকলা দেখতে তারা এসেছে।
আমাদের ছাত্র অবস্থায় আমরা দর্শককে প্রাণপণে ফর্ম সম্পর্কে নানা কথা বোঝানোর চেষ্টা করতাম। কিন্তু এখন কেউ প্রদর্শনী দেখতে এলে তাকে আমি বোঝাই না। তার মধ্যে কি প্রতিক্রিয়া হলো সেটা আমি বোঝার চেষ্টা করি। আর্ট কৃটিসিজম বলতে যে জিনিসটি বোঝায় সেটি আমাদের দেশে এখনো গ্রো-আপ করেনি। এখনো আমাদের দেশে আর্ট অ্যাপৃসিয়েশন হচ্ছে। পত্রিকায় রিপোর্টিংয়ের মতো একটি রিপোর্টাজ হচ্ছে। কেউ যদি আমার কাজ দেখে কঠোরভাবে সমালোচনা করে তাহলে কিন্তু আমি উপকৃত হবো। একদিকে প্যাট্রোনাইজিং হচ্ছে, আবার যাকে তুমি দেখতে পারো না তাকে নিন্দা করছো।
বাংলাদেশের আর্ট বিকশিত করতে চাইলে সরকারের একটি প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে। আমাদের মতো গরিব দেশে বিনোদনের অভাব। এ অভাবের কারণেই তরুণ সমাজ বিপথগামী হয়ে যাচ্ছে। সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলায় যদি একটি আর্ট গ্যালারি থাকতো তাহলে ছোটবেলা থেকে বাচ্চারা আর্টের সঙ্গে সংযোগ অনুভব করতে পারতো। আর্ট তো আমাদের দেশে একটি অভিনব জিনিস। সরকারের তো প্রচুর পরিত্যক্ত সম্পত্তি আছে, সেখানে হতে পারে অথবা শিল্পকলা একাডেমির একটি ঘরে হতে পারেন। নিয়ম করতে হবে, এতে ছবি যারা দান করবে সেটা হবে ইনকাম ট্যাক্স ফৃ। এখানে শিল্পীদের একটি রেয়াত দিতে হবে। তাহলে আর্টিস্টরা বেনিফিটেড হবে। আজ শিল্পীদের কম্প্রোমাইজ করতে হচ্ছে, বিত্তবানদের মনোরঞ্জনের জন্য তার ড্রয়িং রুম-বেড রুমের পর্দা ও কার্পেটের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ছবি আকতে হচ্ছে। এর থেকে তারা মুক্তি পেতো।
আমাদের নাটক, চলচ্চিত্র, উপন্যাস, গল্পে যেভাবে মুক্তিযুদ্ধ এসেছে পেইন্টিংয়ে তার কতোটা এসেছে? জিরো জিরো ওয়ান পার্সেন্ট। এতো বড় ভাষা আন্দোলনের কাজ কোথায়। ’৫২ সালে আমি একটি লিনোকাট করেছি, আমিনুল ইসলাম একটি করেছেন। তারপর আর কোথায়? এগুলোর প্রতি আর্টিস্টদের আগ্রহ তৈরি হলো না কেন? আমি আগে বলতাম আর্টিস্টরা হলো পরগাছার মতো। পরগাছা শব্দটা শুনতে খুব খারাপ লাগে। এ জন্য আমি এখন বলি আর্টিস্টরা হলো অর্কিডের মতো। অর্কিডও কিন্তু এক ধরনের পরগাছা।

আপনার সাম্প্রতিক কাজগুলোর প্রসঙ্গে আসি। ডানা সিরিজ আকছেন আপনি এখন। এর মূল মেটাফোর প্রজাপতির ডানা। এটা কেন বেছে নিলেন?

শিল্পী হবো এটি কিন্তু কোনোদিন আমার বাসনা ছিল না। আমার আর্ট ভালো লাগে। বাসায় প্রচুর আর্টের বই ছিল। আমি ছোটবেলা থেকে এগুলো দেখতাম। আমি তখন না জানতাম না। কিন্তু প্যারিসে যখন পিকাসো, মাতিস, ভ্যানগগের ছবিগুলো দেখলাম, আমার মনে হলো এ ছবিগুলো আমার চেনা। কারণ আমি ছোটবেলা থেকে ওগুলো দেখেছি। আর্ট শেখার জন্য কিন্তু আমি আর্ট ইন্সটিটিউটে ভর্তি হইনি।
আমি কমিউনিস্ট পার্টির স্টুডেন্ট উইং ছাত্র ফেডারেশন করতাম। পার্টি থেকে আমাকে সেখানে সংগঠন গড়ে তোলার জন্য পাঠানো হয়। পার্টি তখন প্রকাশ্যে কাজ করতে পারছে না। ফার্স্ট ইয়ার পরীক্ষা দিয়েই আমাকে জেলে পাঠানো হলো। তখন হাজং, তেলেঙ্গানা, কাকদ্বীপে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়েছে ১৯৪৯-৫০-এ। সেখানে প্রচার করতে গিয়ে আমি গ্রেফতার হই। জেলে পাচ মাস ছিলাম বিচারাধীন বন্দি হিসেবে। আর্টিস্ট হবো ভাবিনি। আর্টের প্রতি ভালোবাসা জন্মালো ফোর্থ ইয়ারে পড়ার সময়। আমি সব সময় মনে করতাম, এখনো মনে করি যে, এ সমাজের প্রতি আমার একটা দায়বদ্ধতা আছে। ফলে অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টে আমি বিশ্বাসী নই। যখন আমার বন্ধুরা অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টে চলে গেল আমি কিন্তু মনে-প্রাণে নিতে পারিনি। কিন্তু নিজেকে আবার খুব ছোট মনে হচ্ছে। আমি বোধহয় আধুনিক নই। কিন্তু আমি তো সমাজকে বিশ্বাস করি। এখানে আমার মধ্যে একটা টানাপড়েন চলতে থাকলো। তখন আইয়ুব খানের সময়। দেশে একটা দমবন্ধ অবস্থা। আমি উপলব্ধি করলাম, আর্থ-সামাজিক কারণে কোথায় যেন একটা কমিউনিকেশন গ্যাপ তৈরি হয়েছে। স্বামী স্ত্রীকে বোঝে না, বাবা ছেলেকে বোঝে না। সব কিছুই কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে ঘটছে। আমি দেখলাম, কোথায় যেন একটা অদৃশ্য প্রাচীর গড়ে উঠেছে। তখন আমি ওয়াল সিরিজ শুরু করলাম। ওয়াল সিরিজ আমি একেছি ৯২টা।
যুদ্ধের সময় সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছি প্যারিসে। সেখানে বসে আকলাম এপিটাফ ফর দি মারটারস। ছবিতে দেখালাম যোদ্ধারা মাঠে পড়ে আছে, আমার মনে হলো এদের কথা কেউ বলবে না। সবাই তার পার্টির লোককে নাম ফলকে আনবে। বাংলাদেশে এতো লোক মারা গেছে সবাই তো আর পার্টির লোক না। সাধারণ মানুষ। তখন এসব অজানা অচেনা শহীদদের উদ্দেশ্যে আমি ছবি আকা শুরু করলাম। পাথরের নুড়ি নিয়ে। কারণ প্রাগৈতিহাসিক যুগে যখন কোনো যোদ্ধা মারা যেতো তখন তার মাথার কাছে একটা পাথর রাখা হতো। পাথরটা কিন্তু তখন আর পাথর নয়। ওটা একটা সিম্বল, উন্মুক্ত আত্মার, এটাকে মেনহির বলে। এ সিরিজ ’৭৬ সাল পর্যন্ত আমি ৩৭টার মতো একেছিলাম। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় কিছু আকলাম। এরপরের মেজর সিরিজ উইং।
উইং শুরু করলাম ১৯৯৮ থেকে। দেখলাম মানুষের মধ্যে খুব হতাশা। মুক্তিযুদ্ধের পর মানুষ যে বাংলাদেশ চেয়েছিল সে বাংলাদেশ পায়নি। যুবক সমাজ ফ্রাস্ট্রেটেড। পত্রিকা খুললেই হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাই। তখন আমার মনে হলো, জীবনের জয়গান গাইতে হবে। একজন মার্ক্সিস্ট শিল্পী হিসেবে। শুধু দুঃখের ছবি আকলে তো মানুষ হতাশ হয়ে যাবে। এর পরের পর্বটা সম্পর্কে তো মানুষকে জানাতে হবে। আমি তখন দেখলাম প্রজাপতি জীবনের একটা স্পন্দন, লাইফ। যা স্ট্যাগনেন্ট নয়। এখানে বসছে-উড়ছে, ওখানে বসছে। তখন আমার মাথায় এলো প্রজাপতির অংশ আকার কথা। ভাইব্রেশন অফ লাইন, জীবনের স্পন্দন, জীবন যে সুন্দর, বিচ্ছুরিত হচ্ছে জীবনের জয়গান এটিকে চিত্রায়িত করতে চাইলাম। আজ পর্যন্ত একেছি ৯২টি। আমার মনে হয় ১১৫-১২০ পর্যন্ত যাবে। এর পর আমি যেটা আকার পরিকল্পনা করছি সেটা হলো, ওয়ালেরই আরেকটি ইন্টারপ্রেটেশন।
ওয়াল সিরিজটার মধ্যে একটা গুমোট ভাব ছিল। দমবন্ধ অবস্থা ছিল। প্লাস্টার খসে গেছে, শ্যাওলা ধরেছে, ইট বেরিয়ে এসেছে। এখন আমার তো বয়স হয়েছে। স্মৃতি কিন্তু খুব মিষ্টি, বেদনার হলেও কিন্তু মিষ্টি। আমি মাঝখানে মেমোরি বলে কিছু কাজ করেছিলাম। এখন রেমিনিসেন্ট বলে একটা সিরিজ করবো। আমি ঢাকা, প্যারিস, বেনিস, ফ্লোরেন্সে যে দেয়ালগুলো দেখেছি সেখান থেকে আকবো। এর মধ্যে কিন্তু হতাশা নেই। একটা বেদনা বিধুর কথা। যেমন দেয়ালগুলোতে অনেক লেখা ছিল নানা রঙের। তারপর সাদা রঙ দিয়ে সেটাকে ঢেকে দেয়া হয়েছে। জায়গায় জায়গায় রঙগুলো দেখা যাচ্ছে। এটা আকার প্লান আছে। এটা আমি আকবো উইংটা শেষ করার পর। ফিগারেটিভ কাজও আমি করবো। ইস্ট-ওয়েস্টের যে মেলবন্ধন আমি করতে চেয়েছিলাম এটি পরিপূর্ণ হয়নি। একটি প্রদর্শনী আমার সব ফিগারেটিভ কাজ দিয়ে করতে চাই। বাংলাদেশের যে কোনো অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টিস্ট এটা হয়তো করতে সাহস পাবে না। অবশ্য এ জন্য সুস্বাস্থ্য দরকার, আয়ু দরকার। সুস্বাস্থ্য আমার হাতে, কোনো অনিয়ম আমি করি না। কিন্তু আয়ু তো আমার হাতে নেই। আমি কি করবো?
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্রিকেটের রাজাকার ট্যাগ পাচ্ছেন বুলবুল আহমেদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫

বাধ্যতামূলক ভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়ন করার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এনআইডির মেয়াদ ১৫ বছর পূর্ণ হলে অবশ্যই নবায়ন করতে হতে পারে।
বর্তমানে আইন অনুযায়ী এনআইডি নবায়নের সুযোগ থাকলেও সেটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যে-সব সাবেক চ্যাম্পিয়নদের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হবার সম্ভাবনা একেবারেই নাই

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২

এ দলটি ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬ সালে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। ২০১৪ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ ও ২০২২ সালে তারা মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা! ছবি।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৮ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:০০


কত দিন হয়ে গেলো....................


এ মাসেতো একটাও পোস্ট দেওয়া হলো না........................


ইদে গ্রামের বাড়ি গিয়ে কিছু ছবি তুলেছিলাম।







আজকের ছবি ব্লগে থাকছে সেই ছবিগুলো।








---------------------------------------------------






























... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারণে অকারণে ছবি

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৮ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আমি ছবি তুলি। পরে সেগুলো দেখি। বেশ ভালো লাগে। ফোনের স্টোরেজ এ আজ দেখলাম মোট ছবি ৬৮৯৩ টি। ব্লগে কখনোই ছবি দিয়ে লেখা হয়নি। আজ মাইদুল ভাইয়ের লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×