somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুসলিম বিদ্বেষী এক পিশাচের মিথ্যাচারের নমুনা!

৩১ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিয়ানমানের যখন নির্মমভাবে রোহিংগাদের হত্যা করছে বার্মিজ বাহিনী, বাদ পড়ছে না নারী শিশুও, তখন এক পিশাচ পোস্ট দিল মুসলমানদের দোষ দিয়ে এই বলে, তারা যেখানেই থাকে না কেন, অন্য ধর্মের লোকদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। ব্লগের আরো মানুষরুপী কিছু অমানুষ তাকে সমর্থন জানিয়ে পিঠ চাপড়াল এই বলে, মুসলমানদের আগে মানুষ হতে হবে। ব্লগের অনুকুল পরিবেশ হারানোর ভয়ে এ সকল মুসলিম বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে কিছু বলতেও ভয় পায় অনেক ব্লগার, অথচ আমরা এই বাংগালী জাতিই অন্যায়ের বিরুদ্ধে অকাতরে প্রান দিতে পিছু হটিনি।

এখন আসি ব্লগের মূল বক্তব্যে।

মায়ানমারে কাচিন কারা -

প্রায় ১০ লক্ষ কাচিনের বাস ভারত এবং চীনের সীমান্তে, এরা জিংফো গোত্রের অধিবাসি। একটি সুত্রের মতে দুই তৃতীয়াংশ খ্রীস্টান ধর্মালম্বী, মায়ানমার সরকারী হিসাবে ৬৪% বৌদ্ধ ৩৪% খ্রীস্টান।


কাচিন দ্বন্দ্ব বা কাচিন যুদ্ধ -

একাধিক দ্বন্দ্বেক সম্মিলিতভাবে কাচিন দ্বন্দ্ব বলে উল্লেখ করা হয়।

কাচিন স্বাধীনতা বাহিনী ও সরকারি সৈন্যদের মধ্যে লড়াই শুরু হয় জুন ২০১১ সালে। সাম্প্রতিক সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়, এবং ১00,000 এর বেশি মানুষ পালিয়ে যায় চীনে। উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে ভূমি মাইনের ব্যাপক ব্যবহার, শিশু সৈন্যের ব্যবহার, নিয়মানুগ ধর্ষণ এবং নির্যাতনের অভিযোগ করা হয়েছে।

বার্মিজ আর্মি ৪০ ডলার বা এক ব্যাগ চাল বা এক ক্যান পেট্রলের বিনিময়ে একটি শিশুকে কিনে শিশু সৈন্য হিসাবে কাজে লাগায়।

কাচিন এবং সরকারের মধ্যে অং সান সু চিকে মধ্যস্থতা করার জন্য আহ্বান জানালে অং সান সু চি বলেন যে তিনি সরকার থেকে একটি আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ গ্রহণ না করেই আলোচনায় অগ্রসর হতে পারবেন না।

২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে এনজিও কাচিন উইমেনস এসোসিয়েশন থাইল্যান্ড (কেউইএটি) জানায় যে এই যুদ্ধে ১00,000 শরণার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০১১ সাল থেকে ৩৬৪ টি গ্রাম সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিত্যক্ত হয়েছে। সংস্থার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে বার্মা আর্মি ইচ্ছাকৃতভাবে শরণার্থী শিবিরে এবং গ্রামগুলিতে আক্রমণ করে এবং নাগরিকদের ধর্ষণ ও হত্যার মতো "যুদ্ধাপরাধ" করে।


উপরে উল্লেখিত ঐ পিশাচের কাছে আমার প্রশ্ন মায়ানমার বৌদ্ধদের দেশ হয়েও কিভাবে তার অন্য বৌদ্ধ বা খ্রীস্টান নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫৯
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাকার কাকগুলো গেলো কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১০


স্কটল্যান্ড থেকে ২০২৪ সালে ফিরে আসার পর থেকে আমি একটা অদ্ভুত পরিবর্তন টের পাচ্ছি। সকালের শব্দটা যেন অন্যরকম হয়ে গেছে। আমার বার্ডওয়াচার বন্ধুরা বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুস্থধারায় ফিরছে রাজনীতি; আম্লিগের ফেরার পথ আরো ধূসর হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১০


গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে এই 'প্ল্যান'-গুলো আমাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর লিস্টে আছে কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



আসসালামু আলাইকুম।
দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে নিচের বিষয়গুলোর উপর নজর দেওয়া জরুরী মনে করছি।

প্ল্যান - ১
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রত্যেকটিতে গবেষণার জন্যে ফান্ড দেওয়া দরকার। দেশ - বিদেশ থেকে ফান্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !



বাংলাদেশে নূতন ভাবে এই প্রসঙ্গটি আসতে শুরু করছে ।
আমাদের আইনে এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কিছু আছে কিনা জানা নেই । তবে বিরোধী দল সংসদে
তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র হজ্জ্ব- ২০২৫ এর মায়াময় স্মৃতি….(৮)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

আমরা ০৯ জিলহজ্জ্ব/০৫ জুন রাত সাড়ে দশটার দিকে মুযদালিফায় পৌঁছলাম। বাস থেকে নেমেই অযু করে একসাথে দুই ইকামায় মাগরিব ও এশার নামায পড়ে নিলাম। নামাযে ইমামতি করেছিলেন আমাদের দলেরই একজন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×