এমন এক গুচ্ছ লাল গোলাপ
আমার হাতেও ছিল।
আমার ফুলগুলো কি শুকিয়ে গেছে?
কোথায় সে গোলাপগুলো!
অবহেলা অযত্নে ফেলে দিয়েছ কি?
ডাষ্টবিনে!!!
নাকি তোমার বইয়ের পাতায়
স্থান পেয়েছিল;
সেই অফুটন্ত পাপড়িগুলো।
কোথাও এতটুকু জায়গা পেলনা
ঐ কুসুম কোমল!!
নাইবা পেলাম আমি তোমার মনে;
তবুও তো ভালবেসে করেছ দান।
ভীখারিনির আঁচল ভরে দিলে
ফুলেফুলে সেদিন।
শুধু ছুঁয়ে থেকেছি সেগুলো কতগুলো ঘন্টা।
আমার মাথা গুজার ঠাঁই
আর ফুলের একসাথে জায়গা হয়না বলে
আঁচল শূন্য করে দিয়ে দিলাম ফের!!
শুন্য আমি শুন্যই থেকে গেলাম
যতটুকু পূর্নতা পেল সে ফুলগুলোই।
দুজনার হাত ঘুরে
অবশেষে কোথায় যে স্থান পেল
অভাগীনিরা!!
আজ আমি ফুলের দোকান দেখিনা
দেখি একগুচ্ছ গোলাপ!!
আর সেই রাজপথ;
যেখানে দুজনে মিশেছিলাম,
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেমিকযুগলে।
না পাওয়া ভালবাসা কুড়োতে কুড়োতে
প্রতিটা ঘন্টা কাটছিল দুজন দুজনাতে।
হায় কি মিষ্টি ভালবাসা!!
ওরে তোরা বলিসনা
ভালবাসা মিথ্যা, ভালবাসা যন্ত্রনা!!
তবে একগুচ্ছ গোলাপ থেকে রক্ত ঝড়বে,
অপবাদ আর মিথ্যার যন্ত্রনায়;
জর্জরিত হবে ওরা!!
যুগে যুগে ফুটেছে ফুল ভালবাসার তরে,
পবিত্র ভালবাসার স্বাক্ষী হয়ে;
দিয়েছে নিজেকে বিসর্জন।
বড় সাধের, বড় আদরের;
সেই ছোট্ট মেয়েটির হাতের
একগুচ্ছ লাল গোলাপ!!!
”স্যার ফুল নিবেন”


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

