somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রজ্জলিত মেশকাত
ব্যক্তিজীবনে অহিংসায় বিশ্বাস করি। বুদ্ধের দর্শন গভীরভাবে ভাবায় আমায়। “আসক্তিই সকল দুঃখের কারণ, অধিকারবোধ থেকেই দুঃখের সৃষ্টি।” এই দুটো বাক্যের উপর অগাধ বিশ্বাস। কারো চিন্তা-চেতনাকেই ছোট করে দেখিনা। আমি বিশ্বাস করি যে মতবাদই হোক, তার গভীরে না ঢ

স্মৃতিচারণ অথবা অপ্রাপ্ত প্রেমের অনুগল্প

১৫ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড অন্তর্মূখী ছিলাম।বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ ছিল কম।আমার হাইস্কুল ছিল কম্বাইন্ড, কিন্তু মেয়েদের সাথে কথা বলতে ভীষণ লজ্জা পেতাম।শুধু গোল ওরিয়েন্টেড চিন্তা-ভাবনা ছিল সেই হাইস্কুল জীবন থেকেই।ক্লাসে বরাবরই প্রথম ছিলাম।মেয়েরাও আমাকে পছন্দ করত কিন্তু কখনো কিছু বলতে পারতনা।এভাবেই স্কুল জীবন কেটে যায়।এসএসসির রেজাল্ট খুব একটা ভাল হলনা।কলেজ জীবন শুরু হল।কলেজ জীবনে অনেক ভাল ছাত্রের ভিতরে হারিয়ে গেলাম।ভাল রেজল্টও করতে পারছিলাম বা অন্য কোনোভাবে নিজেকে হাইলাইটও করতে পারছিলাম না।ফলে নিজের মধ্যে সবসময় একটা হতাশা কাজ করত।প্রেমের চিন্তা তো কখনো মাথায়ই আসেনি।ইন্টার জীবন কেটে যায়।রেজাল্ট অপ্রত্যাশিতভাবে ভাল হয়ে যায়।মেডিকেল কোচিং পারফরমেন্স খুবই ভাল হয়।যার ফলে প্রথম সারির একটা সরকারী মেডিকেলেও চান্স পেয়ে যায়।


এরপর একটু ভিন্নমুখী জীবন শুরু করার চেষ্টা করি। একটু বহির্মূখী হবার চেষ্টা করি।গ্রুপের মেয়েদের সাথে কথা বার্তা বলি।মেয়েদের সাথে বন্ধুত্বও হয়।মনের মধ্যে একটা প্রেম প্রেম ভাব জেগে উঠে।কিন্তু মনের মত কাউকে পাইনা।অন্তর্মূখীতা আমার জেনেটিক ইনহেরিটেন্স, এটাকে কি আর পুরোপুরি দূর করা যায়!এর ফলে শুধু ১৫৪ জনের ব্যাচের মধ্যে আমার ৪০ জনের গ্রুপের মেয়েদেরই চিনতাম।বাইরের কাউকে খুব একটা চিনতাম না।দ্বিতীয় বর্ষে উঠার শুরুতে বড় খালা ফোন করে তার ছেলের জন্য আমার ব্যাচের আয়েশা নামের একটা মেয়েকে দেখতে বললেন।আমি বন্ধুদের আয়েশাকে দেখিয়ে দেয়ার জন্য বললাম।বন্ধুরা কয়েকদিন দেখিয়ে দিলেও আমি চিনতে পারলাম না।অবশেষে একদিন চিনতে পারলাম।খালাত ভাই অন্য যায়গায় বিয়ে করে ফেলল।আমি আয়েশার সাথে কথা বলা শুরু করলাম।যেহেতু আমি মেয়েদের সাথে কথা বলতে পারতাম না তাই বন্ধুত্ব প্রথম দিকে খুব এক জমল না।সময়ের পরিক্রমার সাথে সাথে বন্ধুত্ব কিছুটা জমে উঠল।আমার মনে ওর প্রতি ভালবাসা জেগে উঠল।আমি প্রেমে আনাডি হওয়ায় রুমমেটের পরামর্শ নিলাম।রুমমেট বন্ধুত্ব চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিল।তারপর ঘটনা পরিক্রমায় বন্ধুত্বে ভাটা পড়ল,অপরদিকে আমার প্রেমের নৌকা পাহাড় বেয়ে চলতে লাগল।


একমুখি প্রেম।বন্ধুত্ব সামনাসামনি দেখা হলে দুইটা কথা আর একটা হাসির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ল।আমার মনে হতে শুরু করল ও আমার অনুভূতি বুঝতে পারে।রুমমেটকে সব খুলে বললাম।রুমমেট অফার দিয়ে দিতে বলল।বলল এখন রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যাবে।এর কারণ হিসেবে বলল মেডিকেলের মেয়েরা আল্টিমেটলি মেডিকেলের ছেলের সাথেই প্রেম করে।আমি অফার দিলে তো অন্য কেউ অফার দিবেনা তাই আমার সাথে প্রেম করাই অত্যাবশ্যক।আমি শতভাগ আশাবাদি হয়ে উঠলাম।অপেক্ষা করতে লাগলাম মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।কিন্তু সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আর আসেনা।প্রতিটা নির্ঘুম রাত আর ঘুমন্ত প্রভাতগুলোকে ওর জন্য উৎসর্গ করতে থাকি।আর প্রতিনিয়ত খালিদের ‘কোনো উপন্যাস আমি লিখিনি’ এই গানটি শুনতে থাকি।ও আমার সাথে প্রেম করবেনা এই পুর্বশর্তে আমার সাথে আলোচনা করতে চাইলো কিন্তু আমি রাজি হলাম না।প্রেম না করলে আবার কথা কিসের?যাই হোক এভাবেই আমার দিন কেটে যেতে লাগলো।একদিন মিগে ওর রুমমেটের আইডি দিয়ে আমার সাথে অনেকক্ষণ চ্যাট করল।সে আমাকে কয়েকটি শর্ত দিল।আমি ওকে অনেক বুঝালাম কিন্তু ও মানতে চাইল না।আমি আশা ছাড়লাম না।বার্তা বাহকের মাধ্যমে বার্তা পাঠাতেই থাকলাম।কিছুই হলনা।


২০০৯ এর মে মাসের মাঝামাঝি আমি ওকে প্রথম বারের মত মোবাইলে কল দিলাম।তিন দিনের মধ্যেই ওকে আমার ভালবাসায় মোটিভেট করতে পারলাম।কয়েক দিন রাত এগারোটার পর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা হত।শেষ যে রাতে কথা হয় সেদিন ও আমার ভালবাসা গ্রহণ করে।নিজেকে পৃথিবীর অন্যতম সুখি আর সফল মানুষ মনে হল একটা রাতের জন্য।পরের দিন বিকেলে আমাদের একসাথে বসার কথা দুজনে মিলে ঠিক করি।সবকিছু ঠিকঠাক।বিকেলে শহর থেকে ওর জন্য ফুল আর কিছু গিফট কিনে আনি।আসার পথে ও আমাকে ফোন করে।ওর ফোন দেখে আমি আতংকিত হয়ে যায় মনের অজান্তেই।দুইবার ফোন করার পর ফোন ধরি।অপর প্রান্ত থেকে ও শুধু বলেই গেল।ওর সাথে আমার মানাবেনা,আগডুম বাগডুম নানান কথা।আমি স্বর্গ থেকে একদম গিরিখাদে পরে গেলাম।চেনা পৃথিবী আমার কাছে অচেনা মনে হল।অতীতের মত আবারো জীবন সাজানোর স্বপ্নের খুব কাছাকাছি এসে ধসে পড়লাম।রাতে ওকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলাম।কিছু হলনা।আসলে ও এরই মধ্যে একটা ছেলের সাথে প্রেম করত।ছেলেটা নাকি সিঙ্গাপুরে পাইপ ইঞ্জিনিয়ারিং পরে।আমি ওকে বুঝালাম ছেলেটা প্রতারক কারণ আমাদের ইয়ারমেট সবাই ততদিনে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ফেলছে।ও কিছুতেই বুঝতে চাইল না।আসলে ব্যর্থতা আমারই ছিল।আমি ওকে বুঝাতে পারিনি।ছেলেটাকে বিয়ে করল।সংসার করতে থাকল।একসময় জানতে পারল ছেলেটা আসলেই প্রতারক।ইঞ্জিনিয়ার তো নয়ই ইন্টারও পাশ করেনি।সে সিঙ্গাপুরে কাজ করে।হায়রে নিয়তি আমি ডাক্তার হয়ে যে মেয়ের জন্য দূরন্ত ষাড়ের চোখে লাল কাপড় বাধার জন্য প্রস্তুত ছিলাম সেই মেয়ে একটা কামলার কাছে প্রতারিত হল।।বঞ্চিত হলাম অথর্ব আমি। ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড অন্তর্মূখী ছিলাম।বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ ছিল কম।আমার হাইস্কুল ছিল কম্বাইন্ড, কিন্তু মেয়েদের সাথে কথা বলতে ভীষণ লজ্জা পেতাম।শুধু গোল ওরিয়েন্টেড চিন্তা-ভাবনা ছিল সেই হাইস্কুল জীবন থেকেই।ক্লাসে বরাবরই প্রথম ছিলাম।মেয়েরাও আমাকে পছন্দ করত কিন্তু কখনো কিছু বলতে পারতনা।এভাবেই স্কুল জীবন কেটে যায়।এসএসসির রেজাল্ট খুব একটা ভাল হলনা।কলেজ জীবন শুরু হল।কলেজ জীবনে অনেক ভাল ছাত্রের ভিতরে হারিয়ে গেলাম।ভাল রেজল্টও করতে পারছিলাম বা অন্য কোনোভাবে নিজেকে হাইলাইটও করতে পারছিলাম না।ফলে নিজের মধ্যে সবসময় একটা হতাশা কাজ করত।প্রেমের চিন্তা তো কখনো মাথায়ই আসেনি।ইন্টার জীবন কেটে যায়।রেজাল্ট অপ্রত্যাশিতভাবে ভাল হয়ে যায়।মেডিকেল কোচিং পারফরমেন্স খুবই ভাল হয়।যার ফলে প্রথম সারির একটা সরকারী মেডিকেলেও চান্স পেয়ে যায়।


এরপর একটু ভিন্নমুখী জীবন শুরু করার চেষ্টা করি। একটু বহির্মূখী হবার চেষ্টা করি।গ্রুপের মেয়েদের সাথে কথা বার্তা বলি।মেয়েদের সাথে বন্ধুত্বও হয়।মনের মধ্যে একটা প্রেম প্রেম ভাব জেগে উঠে।কিন্তু মনের মত কাউকে পাইনা।অন্তর্মূখীতা আমার জেনেটিক ইনহেরিটেন্স, এটাকে কি আর পুরোপুরি দূর করা যায়!এর ফলে শুধু ১৫৪ জনের ব্যাচের মধ্যে আমার ৪০ জনের গ্রুপের মেয়েদেরই চিনতাম।বাইরের কাউকে খুব একটা চিনতাম না।দ্বিতীয় বর্ষে উঠার শুরুতে বড় খালা ফোন করে তার ছেলের জন্য আমার ব্যাচের আয়েশা নামের একটা মেয়েকে দেখতে বললেন।আমি বন্ধুদের আয়েশাকে দেখিয়ে দেয়ার জন্য বললাম।বন্ধুরা কয়েকদিন দেখিয়ে দিলেও আমি চিনতে পারলাম না।অবশেষে একদিন চিনতে পারলাম।খালাত ভাই অন্য যায়গায় বিয়ে করে ফেলল।আমি আয়েশার সাথে কথা বলা শুরু করলাম।যেহেতু আমি মেয়েদের সাথে কথা বলতে পারতাম না তাই বন্ধুত্ব প্রথম দিকে খুব এক জমল না।সময়ের পরিক্রমার সাথে সাথে বন্ধুত্ব কিছুটা জমে উঠল।আমার মনে ওর প্রতি ভালবাসা জেগে উঠল।আমি প্রেমে আনাডি হওয়ায় রুমমেটের পরামর্শ নিলাম।রুমমেট বন্ধুত্ব চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিল।তারপর ঘটনা পরিক্রমায় বন্ধুত্বে ভাটা পড়ল,অপরদিকে আমার প্রেমের নৌকা পাহাড় বেয়ে চলতে লাগল।


একমুখি প্রেম।বন্ধুত্ব সামনাসামনি দেখা হলে দুইটা কথা আর একটা হাসির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ল।আমার মনে হতে শুরু করল ও আমার অনুভূতি বুঝতে পারে।রুমমেটকে সব খুলে বললাম।রুমমেট অফার দিয়ে দিতে বলল।বলল এখন রাজি না হলেও পরে রাজি হয়ে যাবে।এর কারণ হিসেবে বলল মেডিকেলের মেয়েরা আল্টিমেটলি মেডিকেলের ছেলের সাথেই প্রেম করে।আমি অফার দিলে তো অন্য কেউ অফার দিবেনা তাই আমার সাথে প্রেম করাই অত্যাবশ্যক।আমি শতভাগ আশাবাদি হয়ে উঠলাম।অপেক্ষা করতে লাগলাম মাহেন্দ্রক্ষণের জন্য।কিন্তু সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আর আসেনা।প্রতিটা নির্ঘুম রাত আর ঘুমন্ত প্রভাতগুলোকে ওর জন্য উৎসর্গ করতে থাকি।আর প্রতিনিয়ত খালিদের ‘কোনো উপন্যাস আমি লিখিনি’ এই গানটি শুনতে থাকি।ও আমার সাথে প্রেম করবেনা এই পুর্বশর্তে আমার সাথে আলোচনা করতে চাইলো কিন্তু আমি রাজি হলাম না।প্রেম না করলে আবার কথা কিসের?যাই হোক এভাবেই আমার দিন কেটে যেতে লাগলো।একদিন মিগে ওর রুমমেটের আইডি দিয়ে আমার সাথে অনেকক্ষণ চ্যাট করল।সে আমাকে কয়েকটি শর্ত দিল।আমি ওকে অনেক বুঝালাম কিন্তু ও মানতে চাইল না।আমি আশা ছাড়লাম না।বার্তা বাহকের মাধ্যমে বার্তা পাঠাতেই থাকলাম।কিছুই হলনা।


২০০৯ এর মে মাসের মাঝামাঝি আমি ওকে প্রথম বারের মত মোবাইলে কল দিলাম।তিন দিনের মধ্যেই ওকে আমার ভালবাসায় মোটিভেট করতে পারলাম।কয়েক দিন রাত এগারোটার পর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা হত।শেষ যে রাতে কথা হয় সেদিন ও আমার ভালবাসা গ্রহণ করে।নিজেকে পৃথিবীর অন্যতম সুখি আর সফল মানুষ মনে হল একটা রাতের জন্য।পরের দিন বিকেলে আমাদের একসাথে বসার কথা দুজনে মিলে ঠিক করি।সবকিছু ঠিকঠাক।বিকেলে শহর থেকে ওর জন্য ফুল আর কিছু গিফট কিনে আনি।আসার পথে ও আমাকে ফোন করে।ওর ফোন দেখে আমি আতংকিত হয়ে যায় মনের অজান্তেই।দুইবার ফোন করার পর ফোন ধরি।অপর প্রান্ত থেকে ও শুধু বলেই গেল।ওর সাথে আমার মানাবেনা,আগডুম বাগডুম নানান কথা।আমি স্বর্গ থেকে একদম গিরিখাদে পরে গেলাম।চেনা পৃথিবী আমার কাছে অচেনা মনে হল।অতীতের মত আবারো জীবন সাজানোর স্বপ্নের খুব কাছাকাছি এসে ধসে পড়লাম।রাতে ওকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলাম।কিছু হলনা।আসলে ও এরই মধ্যে একটা ছেলের সাথে প্রেম করত।ছেলেটা নাকি সিঙ্গাপুরে পাইপ ইঞ্জিনিয়ারিং পরে।আমি ওকে বুঝালাম ছেলেটা প্রতারক কারণ আমাদের ইয়ারমেট সবাই ততদিনে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে ফেলছে।ও কিছুতেই বুঝতে চাইল না।আসলে ব্যর্থতা আমারই ছিল।আমি ওকে বুঝাতে পারিনি।ছেলেটাকে বিয়ে করল।সংসার করতে থাকল।একসময় জানতে পারল ছেলেটা আসলেই প্রতারক।ইঞ্জিনিয়ার তো নয়ই ইন্টারও পাশ করেনি।সে সিঙ্গাপুরে কাজ করে।হায়রে নিয়তি আমি ডাক্তার হয়ে যে মেয়ের জন্য দূরন্ত ষাড়ের চোখে লাল কাপড় বাধার জন্য প্রস্তুত ছিলাম সেই মেয়ে একটা কামলার কাছে প্রতারিত হল।।বঞ্চিত হলাম অথর্ব আমি।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১০:৩৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মরীচিকা

লিখেছেন সামিয়া, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:২৮


তোমার চোখে আমি প্রতিবার দেখি ঝড়ের ঘূর্ণি। সেই ঘূর্ণির ভেতরে জমে থাকে এমন এক শঙ্কা, যার কাছে পৌঁছাতে গেলেই আমার নিজের বুকের ভেতরটাও কেমন অস্থির হয়ে ওঠে। তবু আমি প্রতিদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৪২

একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন

পড়ালেখার গুরুত্ব

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৫



পড়ালেখার গুরুত্ব কি, আর কেনো পড়ালেখা করতে হবে? আমার মনে হয় উত্তর সকলের কম বেশি জানা আছে। কিন্তু আমরা বাস্তবে কি করছি? আমাদের দেশে মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাহিনীটা কী?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৭

কাহিনীটা কী?
বিএনপিকে যারা ২৪ ঘণ্টা অভিশাপ দেয়, গালমন্দ করে, "বিএনপি দেশটা শেষ করে দিয়েছে- আর ছয়মাসও টিকবে না", তারাই আবার বিএনপি কাকে মন্ত্রী বানালো, কাকে উপদেষ্টা করলো- এই হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

জজ মিয়া চিত্রনাট্য নিয়ে নির্মিত হোচ্ছে ভয়ংকর নতুন সিক‍্যুয়াল!!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭



বিএনপির পুলিশ এতো করিৎকর্মা যে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে । খুনের তদন্ত করে একেবারে আদালতের রায় সহ রিপোর্ট দিয়ে দেয় ! পৃথিবীর সবচেয়ে আপগ্রেডেড আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন শিলং সালাউদ্দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×