আজ প্রথম আলোতো প্রকাশিত আইন প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য পড়লাম টিআইবি রিপোর্ট সম্পর্কে। শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়াও সুযোগ পেয়ে কিছু ঢালাও বক্তব্য দিয়ে নিলো। প্রথম আলোর সংবাদটা ছিল এরূপ-
টিআইবি পরোক্ষভাবে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: আইন প্রতিমন্ত্রী
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার জন্য যারা ষড়যন্ত্র করছে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশানাল বাংলাদেশ বা টিআইবি পরোক্ষভাবে তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
আজ শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর করা এবং সনদপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে আইন প্রতিমন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।
কামরুল ইসলাম বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার জন্য যারা ষড়যন্ত্র করছে, টিআইবি পরোক্ষভাবে তাদের পক্ষেই আছে। বিচার বিভাগকে হেয় করার জন্য তারা গতকাল একটা মিথ্যা অভিযোগ বিভাগটির বিরুদ্ধে আনার চেষ্টা করেছে।
কামরুল বলেন, ‘বিচার বিভাগে নিম্ন বেতনভুক কিছু কর্মচারী থাকতে পারে যারা হয়তো ফাইল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ৫-১০-২০ টাকা উেকাচ নিতে পারে। কিন্তু তারা ঢালাওভাবে বিচার বিভাগকে যেভাবে দোষারোপ করেছে, বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য যেভাবে চেষ্টা চালিয়েছে, আমি মনে করি আমাদের বিচার বিভাগকে এই মুহূর্তে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এটা একটা ষড়যন্ত্র।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন ধরনের আবর্জনা পরিষ্কার করে যখন সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি, তখন কিন্তু বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত চলছে। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাচ্ছি, টিআইবির ওই রিপোর্ট সেই ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ। আমরা বলতে চাই, রিপোর্টের মধ্য দিয়ে ঢালাওভাবে বিচারব্যবস্থার প্রতি যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তা থেকে টিআইবিও কিন্তু রক্ষা পাবে না।
মূল লিংক: এখানে
বাস্তবতা সবাই কম-বেশী জানি বা জানে। সুতরাং আইন মন্ত্রীর বক্তব্য থেকে আমরা কী মেসেজ পাই?
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


