somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মা আমার মা

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জন্ম নিয়ে ডেকে ছিলাম ছোট্ট নামটি ‘মা’
দ্বিগুণ স্বরে ডেকেছি তাহা যখন হাটি-হাটি পা।
শিশু থেকে একটু একুট করলেন প্রভূ বড়,
হৃদয় নিংড়ানো মায়ের আদর সবই ছিল জড়।
উঠানেতে মনের সুখে খেলতাম সারাক্ষণ,
কাজের ফাঁকেও বলতেন মা কইরে বাছাধন।
বাল্য বেলা পেরিয়ে যখন কৈশরতে পা,
দুষ্টামিতে ঘুরছি শুধু আমার ছোট্ট গাঁ।
সন্ধ্যে বেলায় পড়তে বসে আসতো যখন নিঁদ,
বকুনি দিতেন ‘মা’ জননী আমার হত জিদ।
পড়ার ফাঁকেও ঘুমিয়ে পড়েছি বহি খাতার পরে,
‘মা’ জননী ঘুম ভাঙ্গাতো কত আদর করে।
উঠ বাবা খাবার খেয়ে ঘুমাও বাছাধন,
ছেলের তরে মায়ের হৃদয় কত বিচক্ষণ।
কৈশর পেরিয়ে যৌবনেতে করলাম পর্দাপণ,
অমীয় বাণী ও সাবধানতায় রাখছে সারাক্ষণ।
ঐ বয়সে আমার জীবনে আসলো প্রবল ঝড়,
সে ঝড়েতে ‘মা’ আমার কেঁদেছে অনর্গল।
ডাক্তার বলেন জীবন আয়ু নাইকো তাহার আর,
এমন কথায় মায়ের হৃদয়ে পড়লো হাহাকার।
রাত্রি জেগে প্রভূর নিকট দোয়া করতেন মায়ে,
সে কথাটি পড়লে মনে হৃদয় ফেটে যায়!
কেঁদে কেঁদে প্রভূর নিকট হতেন আত্মহারা,
সন্তান তরে সকল ‘মা’ এমন পাগল পারা।
মায়ের দোয়া প্রভূর সাথে কোন পর্দা নাই,
সরাসরি কবুল করেন আল্লাহ মালিক সাঁই।
সে দোয়াতে প্রভূ আমার করলেন জীবন দান,
সাথে সাথে সাজিয়ে দিলেন একটি ফুল বাগান।
সে বাগানে ফুটলো আজ চারটি তাজা ফুল,
“হে প্রভূ” ফুলগুলোকে তোমার রাহে কর কবুল।
‘মা’ আমার চলে গেলেন এ দুনিয়া ছেড়ে,
জীবন বাঁকে দুঃখ আমার গিছেয়ে দ্বিগুণ বেড়ে।
বছরের পর বছর গেল, মায়ের কবর খানি,
দেখিনি আজো চোখে,
হৃদয় জ্বালা দাবিয়ে রেখেছি পাথর চেপে বুকে।
দিবা নিশি কেঁদেছি আমি আজো কাঁদি হায়,
শান্তিতে রেখো মাকে প্রভূ যেমন কোলে রেখেছে মায়।
সকল গুনাহ মাফ করে দাও তুমি গফুর ও গাফ্ফার,
কবর খানিরে আলোকিত কর সকল ক্ষমতা তোমার।
বিচার দিবসে তুমিই রহমান, রহীম সকল মানুষ জানে,
জান্নাতেরই আটটি দ্বার খুলে দিও প্রভূ আমার মায়ের শানে।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গঞ্জিকা সেবনকারীরাই পঞ্জিকা লিখে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:৪৫

গঞ্জিকা সেবনকারীরাই পঞ্জিকা লিখে....

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রত্যাহিক জীবনে পঞ্জিকা একটি অপরিহার্য বিষয়। তাদের পুজো, বার-তিথি-নক্ষত্র দেখা ছাড়াও পঞ্জিকার গুরুত্ব আছে বাংলা সাহিত্যে। আমার মতে, পঞ্জিকার মতো নির্মল হাস্যরসের ভাণ্ডার বাংলা সাহিত্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতা লেখা, কবি হওয়া ও নিজস্ব কিছু চিন্তাধারা

লিখেছেন নীল আকাশ, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সকাল ৯:৫০



কবিতা লেখা একটা গুণ। একটা বিশেষ গুণ। ইচ্ছে করলেই সবাই কবিতা লিখতে পারে না। কবিতা লেখার জন্য বুকের ভিতরে ‘কবি কবি’ একটা মন থাকতে হয়। বাংলা সাহিত্যে বহু বছর ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ কতটা উন্নতি করলো?

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৩:৫১

ছবিঃ আমার আঁকা।

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে বলা যাবে না।
যতদূর এগিয়েছে তার চেয়ে ত্রিশ গুণ বেশি এগোনো দরকার ছিলো। শুধু মাত্র দূর্নীতির কারনে আজও পিছিয়ে আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার নতুন নকিবের গোপন এজেন্ডা

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ বিকাল ৪:৩৮


আসসালামুয়ালাইকুম। আপনারা সবাই ব্লগার নতুন নকিবকে চেনেন। তাকে আমার খুব পছন্দ ছিলো। কারণ সে ইসলামী ভালো ভালো পোস্ট দেয়। কিন্তু হঠাৎ করে এক পোস্টে তার মুখোশ খুলে গেছে। দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্নানঘরের আয়না

লিখেছেন মনিরা সুলতানা, ২২ শে জানুয়ারি, ২০২২ সন্ধ্যা ৭:৪৯



দিনের শেষে প্রিয়বন্ধু হয়ে থাকে একজন' ই
- স্নানঘরের দর্পণ
যে দর্পণে তুমি নিজে পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দরী রাজকন্য হয়ে র'বে
কনে সাজে তুমি, অথবা মাতৃত্বের জ্বরতপ্ত বিষণ্ণ মুহূর্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×