somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেলফি কাব্য

০৪ ঠা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




বালিকা তোমার সেলফি দেখে
চোখটা চায়না সরতে
শত চেয়েও পারেনা এ মন
তোমার মনটা ধরতে
কেমন করে পারো
শব্দে শব্দ জুড়তে
গীতিকাব্যের অন্তমিলে
তুমি শুধু পারো চড়তে

লজ্জারাঙা সেই হাসিটা
হাসবে নজর কাড়তে
তোমার একটা আলতো পরশে
মনটা চায় উড়তে

চাইলেই পারো এ মনের
পুরোটা অধ্যায় পড়তে
বালিকা তোমার সেলফি দেখে
চোখটা চায়না সরতে

বালিকা তোমার চাহনির মাঝে
জড়িয়ে থাকে মায়া
এক অপলক চোখের কথনে
জুড়ায় আমার হিয়া

খুব গোপনে মনের ভেতর
তোমার একটা ছায়া
তাই তোমাকে মন থেকে
একটা অনুভব দেয়া

কখনো তোমার আকাশ থেকে
শত অনুভব নেয়া
ভেবে ভেবে খুব গোপনে
ভাসাই প্রণয় খেয়া


বালিকা তোমার আঙুলের মাঝে
জড়িয়ে থাকে স্পর্শ সুখ
ভাবনাবিহীন দিনেও আমার
মনটা সদা জাগরুক

বালিকা তোমার ইশারার মাঝে
জেগে থাকে খুনশুটি
তোমায় ভেবে অঝোরধারা
অনুভবে খায় লুটোপুটি

কখনো কবিতার পঙক্তিগুলি
ভীষণ হুড়োহুড়ি করে
আরো কিছুক্ষণ দেখতে তোমায়
স্বপ্নডানায় চড়ে



এভাবে আমার প্রতিটি প্রহর
তোমার রঙে সাজাই
মনের গোপন পিয়ানো মাঝে
তোমার সুরটি বাজাই

বালিকা তোমার অভিব্যক্তিটা
আমার নজর কাড়ে
তুমি থেকে যাও প্রতিপ্রহর
হৃদয়ে চুপিসারে



বালিকা তুমি গাইলে
হতে পারি গীতিকবি
মনের মধ্যে ঘুরপাক খায়
শুধু তোমার ছবি

কেন যেন শুধু তোমাকেই
আমি প্রতিবার ভাবি
একমুহূর্তের জন্য হলেও
আমায় ভেবো,এটাই দাবি

বালিকা তুমি চাইলে
হতে পারি শত অপেক্ষা
মনের সব আকুলতা দিয়ে
নিতে পারি প্রণয়ের দীক্ষা

বালিকা তুমি হাসলে পরে
অনেক ভালো থাকি
অন্তরাত্মার খুব গভীরে
শুধু তোমাকেই রাখি



তোমার কথা শুনলে পরে
মার্জিত হতে শিখি
একমুহূর্তে তোমার জন্য
শত শব্দ লিখি

তোমার নামটা মনে ভাসলে
অজান্তেই সুখাবেশ আসে
শিহরণের উস্কানিতে
আমার সারা প্রহর হাসে

তুমিময় প্রতি প্রহরে
সব কষ্ট ভুলে যাই
তোমার কথা ছাড়া যেন
ভাবার কিছু নাই



বালিকা তোমার সুরের ক্যানভাস
আমায় খুব মাতায়
তোমার শহরে বৃষ্টি এলে
ভিজবো এক কথায়

তোমার নামটি লিখি কেবল
অনুভূতির পাতায়
আমার আঙুল স্পর্শ করতে
তোমার মন কি দেবে সায়

বালিকা তোমার জন্য
বাজি ধরতে পারি নিজেকে
তোমার কথা না ভাবলে
সব লাগে খুব ফিকে



তোমার নামটিই দেখি
আমি তাকাই যেদিকে
প্রতিটা লিরিক লিখি

ভাবনায় তোমাকে রেখে
বালিকা তোমার সেলফি দেখে
মনটা ভালো থাকতে শেখে

বালিকা তোমার কথা শুনে
বেঁচে থাকার শক্তি পাই
যাপিত কষ্টের সিমানা পেরিয়ে
নতুন স্বপ্ন বুনে যাই

তোমার জন্য লিখি
আমার প্রতিটা লিরিক
তোমার জন্য পড়ে
মস্তিষ্কে ভাবনার হিরিক
তোমায় ভেবে জীবন ফুরালেও
অপ্রাপ্তি ছুবেনা আমায়
আমাকে একবার ছুতে
তোমার মন কি দেবে সায়

বালিকা তোমার সাধারণ বিষয়টা
আমার কাছে অসাধারণ লাগে
কেন যেন তুমি থাক
জাগতিক সব কিছুর আগে
তোমার জন্য প্রতীক্ষায় প্রস্তুত
আমার সব পথ
তোমায় ভেবে আমার শহরে
শত লিরিকের রথ

বালিকা তোমার আঙুলের মাঝে
আমার ভাবনারা সুখাবেশ খুজে

ধীর পায়ে ওরা আসে লাজে

তোমার জন্যই আকুলতায় সাজে

বালিকা তোমার শহরে নামলে বৃষ্টি
চলে যায় সেদিকে আমার দৃষ্টি

আমি খুজে পাই আনন্দধারা
তোমার মেঘেরাও বেশ নজড়কাড়া
মনে হয় কি আর আছে তুমি ছাড়া
আজ কি তোমার ভীষণ তাড়া

বালিকা তোমার রাগগুলো বেশ মিষ্ট
তোমায় দেখলে থাকেনা কোন কষ্ট
বালিকা তোমার কথার ভঙ্গিটা বেশ
সহস্র দিন পরেও থেকে যায় তার রেশ
তোমায় ভেবে সাজাই আমার দেয়াল
তোমায় ভাবলে থাকেনা কোন খেয়াল
বালিকা তোমার শহরজুড়ে
সুখাবেশের ঘুড়ি ওড়ে
মোর বিরক্তিরা যায় ঊড়ে
তোমার চাহনির মায়ায় পড়ে

বালিকা তোমার টানে
বারবার ফিরি জীবনে
কি আছে আমার ভুবনে
তোমার সুর না শুনে
রেখেছি খুব যতনে
তোমার গান সেলফোনে
বালিকা তুমি চুমুক দিলে চায়ে
মনটা মাতে সুখাবেশের সায়ে

বালিকা তোমার সেলফি দেখে
মনটা আমায় ভালো রাখে

বালিকা তুমি আঁকলে ছবি জলরঙে
মনটা সাজে একান্তই তার ঢঙে
বালিকা তুমি বৃষ্টি ছুলে ভাল্লাগে
ঝুম বরষা শুরুর ঠিক আগে
তোমার আঙুল ছুঁয়ে বৃষ্টি মাতে উৎসবে
বাদলের গান গাইলে মেঘও সঙ্গে রবে
একটা দীর্ঘ গল্প সব লিরিকের অনুভবে
আরো শত লিরিক তোমার জন্যই হবে

বালিকা তোমার আড়শিনগর
অনেক বেশি গোছালো
একমুহূর্ত দেখলেই লাগে অনেক ভালো

তোমাকে না ভাবলে সব লাগে সাদাকালো
সমসাময়িক জীবনে আমার কি যে হলো

বালিকা তোমার চাহনির মাঝে
জড়িয়ে থাকে মায়া
এক অপলক চোখের কথনে
জুড়ায় আমার হিয়া

বালিকা তোমার সেলফি দেখে
মনে জাগে আকুলতা
একমুহূর্তে বিদায় হয় যাপিত সব ব্যথা


বালিকা তোমার উচ্ছ্বাসগুলো
আমাকে আনন্দে ভাসায়
একমুহূর্ত বিষাদে থাকলে
অনেক বেশি শাসায়



বালিকা তোমার সেলফি দেখে
চোখটা চায়না সরতে
শত চেয়েও পারেনা এ মন
মনটা তোমার ধরতে ।



মামুন রণবীর
০৪/০৬/১৭
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:৫২
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৫ হাজার টাকা বিনিয়োগে ৩ লাখ ২৭ হাজার টাকা ফেরতের প্রলোভন!

লিখেছেন শাহাবুিদ্দন শুভ, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৩৯

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ওয়েবসাইটের প্রচার দেখা যাচ্ছে, যেখানে প্রথম আলোর আদলে তৈরি একটি ডিজাইন ব্যবহার করে উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এমনকি তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানের ফটোকার্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×