somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অস্ট্রেলিয়ায় মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছেঃ

১৮ ই আগস্ট, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অস্ট্রেলিয়ায় ইসলাম ছড়িয়ে পড়ছে যেভাবে!

অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে
ছোট মহাদেশ। সব দিক
বিবেচনায় উন্নত বিশ্বের
একটি দেশ অস্ট্রেলিয়া।
আশার কথা হলো, সম্প্রতি এক
জরিপে জানা গেছে,
অস্ট্রেলিয়ায় ধর্মবিশ্বাসীর
সংখ্যা ব্যাপক হারে কমলেও
প্রভাবশালী এ দেশটিতে
অন্যান্য ধর্মের তুলনায় ইসলাম
দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে
ছোট মহাদেশ। সব দিক
বিবেচনায় উন্নত বিশ্বের
একটি দেশ অস্ট্রেলিয়া।
আশার কথা হলো, সম্প্রতি এক
জরিপে জানা গেছে,
অস্ট্রেলিয়ায় ধর্মবিশ্বাসীর
সংখ্যা ব্যাপক হারে কমলেও
প্রভাবশালী এ দেশটিতে
অন্যান্য ধর্মের তুলনায় ইসলাম
দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ২০০৬
সালের আদমশুমারির পর
থেকে সেখানে মুসলমানের
সংখ্যা শতকরা ৪০ ভাগ
বেড়েছে। যেখানে খৃস্টান
ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা কমে
শতকরা ৬১ ভাগে দাঁড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৬ সালে
মুসলমানের সংখ্যা ছিল মাত্র
৪৪ হাজার ৭১ জন। তবে এখন
দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা
চার লাখ ৭৬ হাজার ২৯১ জন।
মুসলমানরা এখন অস্ট্রেলিয়ার
মোট জনসংখ্যা শতকরা ২
দশমিক ২ ভাগ।
বৃটিশরাই অস্ট্রেলিয়ার
সভ্যতা গড়ে তোলেন। এর
পরপরই মুসলমানরা আবাস গড়ে
তোলেন। অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম
যে মুসলমানরা পদার্পণ করেন
তারা ছিলেন ব্যবসায়ী।
ইন্দোনেশিয়া থেকে তারা
সেখানে ব্যবসার উদ্দেশে
যান। তবে আফগান উটের
মালিকদের প্রথম সফল
কাফেলা করাচি বন্দর থেকে
জাহাজে আরোহণ করে ৩১
ডিসেম্বর ১৮৬৫ খৃস্টাব্দে
অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছে। সে
কাফেলায় ১২৪টি উট এবং
আরো কিছু পশু ছিল। সেগুলোর
তত্ত্বাবধানের জন্য ৩১ জন
আফগানকে অস্ট্রেলিয়ায়
আনা হয়েছিল। তারা ছিলেন
পাক্কা মুসলমান। তারাই মূলত
অস্ট্রেলিয়ায় ইসলামের
বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখেন। তারা নানা
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার
ছাপড়া মসজিদ নির্মাণ
করেন। এই আফগানদের পর
জার্মান, তুরস্ক, লেবানন,
মিসর, ইন্দোনেশিয়া,
মালয়েশিয়া, ভারত ও
পাকিস্তান থেকে বহুসংখ্যক
মুসলমান এখানে এসে অধিবাস
গ্রহণ করেন। মুসলমানদের
সর্বাধিক অধিবাস নিউ সাউথ
ওয়েলসে, দ্বিতীয়ত
ভিক্টোরিয়াতে, তৃতীয়ত
কুইন্সল্যান্ডে আর চতুর্থ নম্বরে
আছে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী
সিডনিতে প্রায় কয়েক লাখ
মুসলমানের বসবাস। তাদের
মধ্যে লেবানিজরা
সংখ্যাগরিষ্ঠ। লাকেম্বাতেই
সিডনি তথা অস্ট্রেলিয়ার
মুসলমানদের সবচেয়ে বড়
মসজিদ। এই মসজিদে ঈদের
সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত
হয়। অস্ট্রেলিয়ার কোথাও
কোনো মসজিদে এমনিতে
মাইকে আজান প্রচার হয় না।
তবে ঈদের জামাতের সময়
অনেক মসজিদে স্থান সঙ্কুলান
না হলে রাস্তা বন্ধ করে
জামাত আদায় করা হয়।
বছরখানেক আগে পাকিস্তানি
ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফ
খেলতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার
পশ্চিম সিডনির গ্র্যান্ড
মসজিদে তাবলিগ করে
এসেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন
দেশ থেকে দ্বীনের দা’য়ীরা
অস্ট্রেলিয়ায় ইসলামের
প্রচার প্রসারের কাজে
নিয়োজিত আছেন। সম্প্রতি
কুরআন ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম মুসলিম
সংসদ সদস্য এড হোসিচ। তিনি
নির্বাচনী প্রচারণার সময়
মুসলমান হওয়া তার জন্য একটি
গর্বের বিষয় হিসেবে
আখ্যায়িত করেছিলেন। এসব
কারণে অস্ট্রেলিয়ার
যুবশ্রেণীর মধ্যে ইসলামের
প্রতি ঝোঁক বাড়ছে।
মূল : জহির উদ্দিন বাবর
গ্রন্থনা ও সম্পাদনা :
মাওলানা মনযূরুল হক
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৪৪


সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তান কি বাংলাদেশে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ছে?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪


পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫১

অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !



পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন

নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের দায় কার?

সমাজে যখন অপরাধ বাড়ে, পারিবারিক বন্ধন দুর্বল হয়, সন্তান বাবা-মাকে সম্মান করে না, মানুষ মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারায়, দুর্নীতি-প্রতারণা-সহিংসতা স্বাভাবিক হয়ে ওঠে- তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কাতুকুতু'র কাহিনীনামা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭

কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।

তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×