চীনে সাইবার ক্রাইমের আওতায় ১৫
হাজার নাগরিক গ্রেপ্তার
নিরাপত্তা
লঙ্ঘনের’ অভিযোগ এনে ১৫ হাজার
ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে গ্রেফতার
করেছে দেশটির পুলিশ। ২০১৩ সালে
দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিং পিন
দায়িত্ব নেয়ার পর চীনে ইন্টারনেট
ব্যবহারের ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেন।
চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয় একটি
বিবৃতির মাধ্যমে জানায়, সাইবার ক্রাইম
নিয়ে ৭ হাজার ৪শ’ মামলা অনুসন্ধান করছে
দেশটির পুলিশ। তবে কখন কোথা থেকে
অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে সে
বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে গেল মাসে ‘ক্লিনিং দ্য
ইন্টারনেট’ নামে ছয়মাসের একটি অভিযান
শুরু করে চীন। মন্ত্রণালয় থেকে জানানো
হয়, পরবর্তীতে তারা সাইবার ক্রাইম
অনুসন্ধানে আরো কঠোর অবস্থান নেবে।
অনলাইনে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসী
সংগঠনগুলোকেও এই অভিযানের আওতায়
আনা হবে। অবৈধ ও ক্ষতিকারক তথ্য
সরবরাহ করে কিংবা পর্নোগ্রাফিক
বিজ্ঞাপন দেয়া হয় এমন ওয়েবসাইটগুলো
বাদ দেয়াই ক্লিনিং দ্য ইন্টারনেট এর মূল
লক্ষ্য।
এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যতিক্রমী
অনলাইন সেন্সরশিপ পন্থা অনুসরণ করে
চীন। একে বলা হয় গ্রেট ফায়ারওয়াল। কী
প্রকাশ করা যাবে এবং কী যাবে না তার
ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চীনের। বিশেষ
করে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির
বিরুদ্ধে কোনো তথ্য যেন না প্রকাশ হয় এমন
ব্যাপারে খুবই সতর্ক তারা।
চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে চীন জানায় যে
তারা ইন্টারনেট বেনামি একাউন্টগুলো
বন্ধ করে দেবে। শুধু প্রকৃত নামের মাধ্যমেই
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে
ব্যবহারকারীরা।
সূত্রঃপ্রিয়,কম

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


