ছয়: (এর রেওয়াজ নেই)
আসছি ভিকারুননেসা স্কুলের সামনে দিয়ে। অসংখ্য প্রাইভেট কার রাস্তার দু’পাশ আটকে দাঁড়িয়ে আছে। হেঁটে আসা যাচ্ছে না।
সাথে টুনটুন ছিল। আবার প্রশ্ন, ”মা এখানে স্কুলের সামনে এত কার কেন?”
আমি বল্লাম, “বাচ্চারা স্কুলে এসেছে তো।”
”তাতে কি হয়েছে, স্কুল বাসে আসতে পারে না? আমি বল্রাম ,: একানে তো স্কুল বাসের রেওয়াজ নেই। ওতো জানে না যে, প্রাইভেট কারে ছেলেমেয়ে স্কুলে না পাঠাতে পারলে তো বাবা মায়েদের স্ট্যাটাস থাকে না।
এই ছেলেমেয়েরা গাড়ীতে আসছে। বই এর ব্যাগ স্কুল গেটে দিয়ে আসছে ড্রাইভার। মা বাবা সাথে গেলে বই এর ব্যাগ তারা বহন করেন।
রোদ বৃষ্টির হাত থেকে বইগুলোকে বাঁচানোর জন্য বুকের মধ্যে বই চেপে ধরে তাদের আর চলতে হয় না।তাই বই এর সাথে প্রেমও গড়ে ওঠে না।
একটা বাচ্চার জন্য একটা প্রাইভেট কার। বাচ্চা স্কুলে নামিয়ে দিয়ে ছুটিট না হওয়া পর্যন্ত ড্রাইভারকে অপেক্ষা করতে হবে। কোন স্কুলেই নিজস্ব পার্কিং নেই । তাই রাস্তার দুই ধারে গাড়ী দাড়িয়ে থাকা একটা ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
সরকার যে স্কুল বাসের কথা বলবেন, তা রাখার জায়গা অনেক স্কুলের নেই। ”কিন্তু এ রকম স্কুল অনুমোদন পাবে কেন?” টুনটুনের্ প্রশ্ন। আমার উত্তর নেই। ও আবার বলে “ জ্যাম কমানোর জন্য শহরের ভিতরের স্কুল/কলেজগুলোকে রেসিডেনিস্সয়াল করতে হবে।”
আমি শুধু বল্লাম,”এর রেওয়াজ নেই”(চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



