জাতি যখন পরাধীন, বন্দী যখন তার প্রাণ, তখনই স্বাধীনতার অমোঘ বাণী বয়ে এনেছেন বঙ্গবন্ধুর মতো চিরজ্ঞীব মহান নেতা। যার ত্যাগ, মেধা আর অবিরাম শ্রম আমাদের এনে দিয়েছে জ্বলন্ত এক সূর্য-স্বাধীনতা।
আমরা আকাশ পানে হাত বাড়ালাম। সেই সূত্রেই আমরা ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেত্রত্বে পাক হানাদারদের সাথে যুদ্ধ করে ছিনিয়ে এনেছি স্বাধীনতা। পেলাম একটা স্বাধীন ভুখন্ড, পেলাম সার্বভৌমত্ব।
কিন্তু রয়ে গেল সর্ষের মধ্যে ভূত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যারা চায়নি এ দেশ স্বাধীন হোক, যারা চায়নি বাংলা সংস্কৃতি নিয়ে জেগে থাক বাঙালি যারা মা বোনের ধর্ষনকারীদের সাথে গড়ে তুললো সখ্যতা, সেই পাকিস্তানের সহযোগী, বাঙালী জাতির কুলাংগার আমাদের রক্ত আবার চুষার জন্য রচনা করলো ঘৃনিত ১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫।
১৯৭১ এ যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দেখেছি, মা সহ গ্রাম বাংলার আপামর রমনীকূল দিনের পর দিন বঙ্গবন্ধুর মুক্তি কামনা করে উপবাস আর রোজা করে চলেছেন। এত ভালোবাসা বিশ্বের কোন নেতা পাননি বলে আমার বিশ্বাস। তখন তাঁকে স্মরন করে বাংলার প্রতিটা গাছের পাতা কেঁদে ফিরতো।
বঙ্গবন্ধু তোমার জন্য আজীবন কাঁদবে এদেশের গাছের পাতা, নদীনালা, পাখ পাখালী,মাঠ ঘাঠ, নগর বন্দর,খাল বিল, পথের বাঁকে বাঁকে সে কান্নার ধ্বনি রনিত হবে। আর বাঙালী হারানোর বেদনা থেকে পাবে অদম্য শক্তি। রচিত হবে অদম্য বাঙলাদেশ।
তুমি যে আমার বাবার বঙ্গবন্ধু, আমার মায়ের বঙ্গবন্ধু আবার আমারও, আমার সন্তানদেরও।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১২:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




