
এই নিয়ে ঢাকাতে মোট ৪টি ভিসা কেন্দ্র হলো।গুলশান, মতিঝিল, ধানমন্ডি আর উত্তরা। চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, ময়মনসিং, রংপুর, খুলনা তেও ভিসা সেন্টার আছে। তা হলে দেখা যায় বাংলাদেশের প্রতি অঞ্চলেরই জনগন এই সেবা পাচ্ছেন।
তা ছাড়া বর্তমানে আরও একটি সুবিধা আমাদের জন্য ভারতীয় হাই কমিশন দিয়েছেন যে, ছাত্র ভিসা এবং মেডিকেল ভিসার জন্য শুধু মাত্র অন লাইনে রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয়। তারিখ পাবার জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। এটি একটি ভালো উদ্যোগ।এতে সময় তো বাঁচে আর বাঁচে অর্থ।
এত ভিসা সেন্টার হবার পরেও ভীর কিন্তু মোটেও কমে নি। বিড়ম্বনা আরও বেড়েছে।
এমনিতে ভারতীয় ভিসা পেতে যে ভোগান্তি তা বলে শেষ করা যাবে না। প্রতিদিনই এদের নতুন নতুন আইন জারী হয়। এত কাগজ পত্র জমা দেওয়া লাগে যার কোন স্থায়ী তালিকা নেই। যেদিন যেটা ইচ্ছা চেয়ে বসে। আর ভিতরে গ্রুপ ৪ এর গার্ড রা সবজান্তা হয়ে যে প্রভুত্ব দেখায় তাতে নিজেকে বড় অপরাধী অসহায় মনে হয়।
এর পরেও যে অন লাইনে শুধুমাত্র ট্যুরিষ্ট ভিসাতে তারিখ নেওয়া লাগছে, সেই তারিখ আপনি পাবেন না। আপনি যত বড় অন লাইন বিশেষজ্ঞ হন, দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করলেও তারিখ পাবেন না।
অথচ যারা অর্ধ শিক্ষিত অন লাইনের ব্যবসা করছে তারা ২ ভাবে তারিখ নিয়ে দেবে আপনাকে। জরুরী হলে ৩ দিনের মধ্যে , জেনারেল হলে ৭ দিনের মধ্যে। জরুরীতে টাকা লাগবে ৩০০০ থেকে শুরু। যার কাছে যেমন নেওয়া যায়্ । সাধারণ শুরু ২০০০ থেকে।
ভারতীয় ভিসা ফিস লাগে না। ভিসা প্রসেসিং ফিস ৭০০/৮০০ টাকা্। অঞ্চলভেদে ভিন্ন।
কিন্তু খাজনা তো মাফ বাজনা তো অনেক।
এখন প্রশ্ন এই টাকাটা কে পাচ্ছে? শুধু মাত্র ঐ অর্ধশিক্ষত যুবক দল? তারা কি কৌশলে তারিখ পাচ্ছে? এর সংগে হাইকমিশনের কারা জড়ীত? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে এনে তারিখ পাবার এই দুষ্ট চক্রের হাত থেকে সাধারন নিরীহ দরিদ্র জনগনকে রক্ষা করবেন কি?
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




