সাভারে ভবন ধ্বসের কারনে ১০০০ এর মত মানুষ নিহত হতে পারে । ভবনের আশে পাশে অনেকের কোন খবর মিলছে না ।এক বছর আগে চট্টগ্রাম এর এক ফ্লাইওভার ধ্বসে পরে এর কয়দিন পরই তাজরীন গার্মেন্টস এ আগুন লাগে ।এই ঘটনা গুলো ঘটার সুযোগ পায় কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালীর জন্য ।শুনেছি গতকালও সাভার উপজেলার ইউএনো কবির হোসেন ভবনের ফাটল দেখতে গিয়েছিলেন , এমন কি ফাটলের ভিডিও চিত্রও আছে ।
এখন বলি একটা সিনেমার কথা ।সিনেমাটিতে দেখা যায় একটি ৭/৮ বছরের মেয়ে রাস্তায় জমে থাকা পানিতে স্কুল ভ্যান থেকে ছিটকে পরে ইলেকট্রিক শক খেয়ে মারা যায় ;কারন রাস্তার পানিতে বৈদ্যুতিক তার ছিরে পরে ছিল। মেয়েটি মারা যাওয়ার পুর্বেই মেয়েটির বাবা ইলেকট্রিসিটি তার ঠিক করার জন্য বিদ্যুত অফিসে ফোন করে ।কিন্তু ইলেকট্রিসিটি ঠিক করার মিস্ত্রি অফিস বাদ দিয়ে অফ ডেতে মদ কিনতে যায় ।অফ ডেতে মদ বিক্রি বারন ছিল তাই মদ বিক্রেতারা ফুলের ভেতর মদের শিশি লুকিয়ে রাখে আর তা পুলিশ দেখতে পায় আর তাদের কাছ থেকে ঘুষ নেয় । শেষে মেয়েটির বাবা মহামান্য আদালতের কাছে বলে যদি এই লোকগুলোর ভেতর একজনো তাদের কাজ আইন মেনে করতেন তাহলে হয় আজকে তার মেয়েকে এত অল্প বয়সে প্রাণ হারাতে হতো না।
আমাদের দেশের অবস্থাও আজকে এমন হয়েছে । কর্তৃপক্ষের অন্তত একটি মানুষ যদি তাদের কাজ ঠিকভাবে করত তাহলে হয়তো এত প্রাণ হারাতাম না আমরা ।আমরা বড়ই অভাগা,অবুঝ বাঙ্গালী ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




