somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওমীলীগের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা

০৭ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের দেশটির জন্ম হয়েছে আওয়ামী লীগ হাত ধরে। তখনকার সময়ের বড় বড় নেতাদের সাথে পাল্লা দিয়ে এই দল রাজনৈতিক ভাবে অনেক পরিপক্ক হয়েছে। যার ফলাফল আজকের বাংলাদেশ। এখানে শেখ মুজিবুর রহমানকে আলাদা করে মনে করতে হবে কারন তিনি না থাকলে আওয়ামী লীগ আজকের যায়গায় আসতে পারত না। আমরা তখনকার রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ে এখন পড়ি আর তারপর চিন্তা করি দেশ কি ভাবে স্বাধীনতার দিকে ধাপে ধাপে এগিয়েছে। ইতিহাস পড়তে পড়তে এখন হঠাৎ খেয়াল হলো আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা মুজিব হত্যার সাথে সাথে শেষ হয়ে যায়নি। এখনও তা বিদ্যমান।
তার প্রথম উদাহরন যুদ্ধাপোরাধিদের বিচার। বিচার করাটা সরকারের কাজ কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে সরকারে থেকে সরকারি সিদ্ধান্তের(কোর্টের রায়) বিরোধীতাকারিদের(গনজাগরন মঞ্চ) সাথে থেকে আন্দোলনের পাশে দাড়ান তারপর আন্দোলনকে নিয়ন্ত্রন করা তারপর প্রয়োজন শেষে গনজাগরন মঞ্চকে তিন টুকরা করে ফেলা। হেফাজতের আন্দোলনের বিপরীতে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতকে দাড় করানো তারপর হেফাজতকে শক্ত হাতে দমন করা। সব শেষে হেফাজতে বিভক্তি সৃস্টি - সব কিছুই রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফল। এত সহজে এত সুন্দর ভাবে কেউ করতে পারত কি-না তা সব সময় তর্কের বিষয় হয়ে থাকবে।
সর্বশেষ উদাহরন হল ছাত্র আন্দোলন দমন। "নিরাপদ সড়ক চাই ছাত্র আন্দোলনে" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভুমিকা নাই কেন? ১৯৪৭ থেকে এমন কোন আন্দোলন নাই যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুমিকা ছিল না। কিন্তু আজ এমন কি হল যেখানে সারা দেশের সকল স্কুল, কলেজ এবং বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রাস্তায় সেখানে পুলিশের ভয়ে একবার মিছিল করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চুপচাপ। তার কারন খুব সহজ।
বিগত ৮/৯ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিটি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কাছে, তাই তারা আজ ক্লান্ত। পরাজিত সৈনিক দিয়ে বিপ্লব হয় না। তাই বাম-ডান কোন দলই এখন আর মাঠে নাই।
আর নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনকে শেষ করা সরকারের জন্য সময়ের বিষয়। আর ১০/১২ দিন পর ঈদ। আন্দোলন এমনি এমনি শেষ।
আন্দোলনের মাঝে কখনও বিরতী দেওয়া যায় না। বিরতী মানে আন্দোলনের ইতি। আর এই কথাটা আওয়ামী লীগ ভাল করে জানে। তাইতো শেখ হাসিনা বলেছেন, এত দুর্বল নার্ভের হলে কিভাবে চলবে? শিক্ষার্থীদের আন্দোলন তো তেমন কোনো মারাত্মক আন্দোলন হয়নি। ওরা তো (শিক্ষার্থীরা) আন্দোলন শুরুই করতে পারেনি। রোদে পুড়বে, বৃষ্টিতে ভিজবে তাহলেই না আন্দোলন জমবে! ওদের শরীরই তো ঘামেনি।

সরকারে থেকে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি অনেক ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা নিবে। সেটা সরকারি কাজ বা সরকারি সিদ্ধান্ত কিন্তু এই ধরনের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আওয়ামী লীগ ছাড়া আমি বাংলাদেশের কোন দলের মধ্যে দেখি নাই।
(বিঃদ্রঃ এখানে রাজনৈতিক প্রজ্ঞার বিচার করা হয়েছে, খারাপ বা ভাল বিছার করা হয়নি। যা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।)
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৪৮
৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪১



পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট

সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃখ খচিত পতাকা আমার

লিখেছেন এম ডি মুসা, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?

যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৫

।।হায়দারাবাদের নিজাম।।


১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ: ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, নাকি রাজনৈতিক বাস্তববাদী?

লিখেছেন Sujon Mahmud, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৮

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—তিনি কি সত্যিই ইসলামপন্থী ছিলেন, নাকি ইসলামকে মূলত রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩



বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।

ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×