somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমছে

২৯ শে নভেম্বর, ২০২৩ রাত ১২:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এক,
বাংলাদেশের জনসংখ্যা কমছে!!!
আশংকাজনক হারে নারী প্রতি জন্মহার কমছে। বর্তমানে (২০২৩) বাংলাদেশে নারীপ্রতি জন্মহার ১.৯৩, ২০২০ সালে যা ছিল ২.০০৩।
কোন দেশের জনসংখ্যা সময়ের বিপরীতে সমান থাকার জন্য নারী প্রতি ২.১ থেকে ২.৩ পর্যন্ত সন্তান জন্মদান বাঞ্চনীয়। কিন্তু বর্তমানে এই জন্মহার ক্রমাগত কমছে, যা দেশের জন্য অশনিসংকেত। তরুণদের দেশ থেকে ক্রমেই আমরা বৃদ্ধদের দেশে পরিণত হচ্ছি।
১১ই জুলাই, ২০২৩

দুই,
সম্ভবত হেনরি কিসিঞ্জার বলেছিলেন, ''আমি বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের জনসংখ্যা কম দেখতে চাই।'' তারই ধারাবাহিকতায় এই অঞ্চলগুলোতে জনসংখ্যার লাগাম টেনে ধরার আয়োজন করা হয়। গ্রামে গ্রামে ফ্রিতে কনডম দেওয়া হয়, জন্ম বিরতিকরণ বিভিন্ন ব্যবস্থা ইমপ্লিমেন্ট করা হয়।
কেননা প্রাচ্যের জনসংখ্যা পাশ্চাত্যের খবরদারির জন্য হুমকি। জনবহুল শক্তিশালী একটি দেশকে এক্সপ্লোয়েট করা কষ্টসাধ্য। এটা অবশ্যই ঠিক যে, শুধু জনসংখ্যা হলেই হয় না, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনশক্তিতে রূপান্তরের প্রয়োজন হয়। একটি দেশের রিসোর্সের দিকেও খেয়াল রাখতে হয়।
ওয়েস্টার্ন প্রপাগাণ্ডা মেশিন বিবিসি বারবার বাংলাদেশের জনসংখ্যার নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে নিউজ করে চলেছে, যদিও বর্তমানে বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিন্মমুখি। কেননা বাংলাদেশে জন্মহার কমে গেছে এবং মৃত্যুহার ও দেশ ছাড়ার হার উন্নত দেশগুলোর তুলনায় বেশি৷
যেখানে পুরো পৃথিবীর বিশাল অংশ জনসংখ্যা কমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছে, সেখানে একটু খেয়াল করলেই এসব নিউজের প্রকৃত উদ্দেশ্য বুঝতে পারা যায়।
১২ই জুলাই, ২০২৩

তিন,
পাশ্চাত্যের যেসব দেশ আমাদেরকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ শেখাতো, আজ সেইসব দেশগুলোর জনসংখ্যা কমছে। এই দেশগুলো আজ সিভিয়ার জনবল সংকটে পড়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ জনবল নেওয়ার পরও তাদের এই সংকট কাটছে না। চীনের মতো দেশও আগামীর পৃথিবীতে মারাত্মক জনবল সংকটের দিকে এগুচ্ছে, যা ইনভেইটেবল বা অনিবার্য৷ প্রত্যেক দম্পতি পাঁচজন করে সন্তান গ্রহণ করলেও এই সংকট কাটানো যাবে না।

জনসংখ্যা সমস্যা ছিল না, সমস্যা ছিল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর করা৷ আপনি বর্তমানে বাংলাদেশের কোথাও আর ''ছেলে হোক কিংবা মেয়ে হোক, দু'টি সন্তানই যথেষ্ট'' লেখা স্লোগান দেখতে পাবেন না।
অথচ দিনশেষে আমাদের এই ভুল বুঝানোর জন্য দায়ী কারা?
১০ই জুলাই, ২০২৩
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০২৩ রাত ১২:২৬
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভালো লাগে

লিখেছেন আরমান আরজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
×