ক্ষুধা ও দারিদ্র্য হ্রাসের উদ্দেশ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে ২০০০ সালে আটটি উন্নয়ন লক্ষ্য ঠিক করে বাংলাদেশ সরকার, যা সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজি নামে পরিচিত। লক্ষ্যসমূহ হলো চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল, সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন, লিঙ্গসমতা অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু মৃত্যুহার কমানো, মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, এইচআইডি/এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্য রোগব্যাধি দমন, পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাপী অংশীদারি গড়ে তোলার লক্ষ্যে যথেষ্ট এগিয়েছে বাংলাদেশ। সবচেয়ে সফল দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্য অর্জনে। চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল, সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন এবং লিঙ্গসমতা অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়নে সফল হয়েছে বাংলাদেশ সরকার। অন্যদিকে নয়টি সূচকের লক্ষ্য অর্জনে সঠিক পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ। যেমন, প্রাথমিক শিক্ষায় নিবন্ধন বৃদ্ধি, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃমৃত্যুহার হ্রাস, জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ, যক্ষ্মায় মৃত্যুহার হ্রাস ও নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা। সূচকসমূহের অন্যতম হলো শতভাগ জনগোষ্ঠী মানুষের কর্মসংস্থান, ১৫-২৪ বছর বয়সী শতভাগ যুবক-যুবতীকে শিক্ষিত করা, এক ডলারের কম আয় করা মানুষের সংখ্যা কমানো, জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব এক-তৃতীয়াংশে উন্নীত করা, অকৃষি খাতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা পুরুষদের সমান করা, যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা হ্রাস, বনভূমির হার মোট ভূমির ২০ শতাংশে উন্নীত করা এবং শতভাগ জনগোষ্ঠীকে উন্নত পয়োনিষ্কাশন সুবিধা দেওয়া। এ ছাড়া দারিদ্র্য ও চরম দারিদ্র্য হারের মধ্যে ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যও ইতিমধ্যে পূরণ হয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে এই ব্যবধান হার ৮ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ছিল। বর্তমানে এ ব্যবধান সাড়ে ৬ শতাংশে রয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে মোট জনগোষ্ঠীর ৩৫ দশমিক ১ শতাংশ মানুষ দৈনিক এক ডলারের বেশি আয় করবেন এমন আশাবাদী বর্তমান সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। এ জন্য সরকারকে সহায়তার পাশাপাশি এখনই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আর সাধারণ জনগণ বিশ্বাস করে বর্তমান সরকারের সহায়তায় ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূলে সফল হবে বাংলাদেশ।
২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র নির্মূল করার লক্ষ্যে কাজ করার পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসার অঙ্গীকার সরকারের
আম্রকাননের আগুন

আম্রকাননের আগুন
এপ্রিলের এক দুপুর।
বাতাসে বারুদের গন্ধ, আকাশে অনিশ্চয়তার মেঘ।
মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় আমগাছের ছায়ায় এসে দাঁড়ালেন কয়েকজন মানুষ।
দূরে চুয়াডাঙ্গা জ্বলছে, তবু এখানে শপথ।
একটি আমবাগান সেদিন হয়ে উঠল একটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি ব্লগ -৮ ভগ্ন শাখা- ভগ্ন জীবন
জীবনের ভগ্নদশা অনেকটা এমন এক বৃক্ষের মতো, যার ডালপালা একে একে বিলুপ্ত হয়েছে।

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।
/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।
/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাদ্রাসা ও জঙ্গী আতঙ্কের অর্থনীতিতে এক নির্বোধজীবি আত্মভোলা জাতির আয়না
এক
বুদ্ধিজীবিরা নাকি জাতির বিবেক! তা সে তো ভালো কথা। কিন্তু সাধারণত যা ভালো তা যখন খারাপ তখন সাধারণত তা খুবই খারাপ। একটা জাতির সবচেয়ে মজার কিন্তু করুণতম দৃশ্য হলো তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???
আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।