বাংলাদেশে এই আমি আপনি সাগর রুনি এদের জীবন পিঁপড়ের জীবন। একটা গ্রামে যেমন কোন বড় লোকের বদমাইশ ছোট ভাই খুন টুন করে ফেললে, মাতবররা চেপে দেয়; ঢাকা গ্রামেও তাই।
খালেদা যায়, হাসিনা আসে, কিন্তু আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়না। কোন সাংবাদিক ধরুন কোন রিপোর্ট তৈরী করলো যা অনেকের দুর্নীতির মুখোশ খুলে দিতে পারে তখন তাকে মরতেই হবে। তারপর রেললাইনের ধারে প্রাতঃক্রিয়া সারা দাদাদের নাতিরা মন্ত্রী, টিভি স্টেশনের মালিক হয়েছে; তারা ঐ সাংবাদিককে গান্ধা করে দেবে। এ যেন আফ্রিকার চেয়েও গহীন অরণ্য।
হয়তো ঐ টিভি মালিক এমন এক সিরিজ অনুষ্ঠান বানিয়েছে; দেখে গদগদ হয়ে গেছে আমি-সমাজ।সুতরাং বরাহমুখী ওই টিভি ব্যাপারীর ভাই এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাকে নিউইয়র্কে পাঠিয়ে দেবে। এদিকে পুলিশ ডিএন এ টেস্টিং খেলবে। মৃতদেহ কবর থেকে তোলো; আবার খুন করো। কোন ফলাফল নাই। কারণ খুনী তখন নিউইয়র্কের লালবাতি এলাকায় লোলিত লোভন কান্তি মাংস খাচ্ছে। শূয়োর মুখো ভাতৃযুগল যে ক্যানিবাল।
একোন দেশ যেখানে একজন টিভির ব্যাপারীকে দেখলে বমি ঠেলে আসবে। একোন দেশ মন্ত্রীরা শুধু নিজের বেডরুমের নিরাপত্তা খাবে আর পার্সেন্টেজ খাবে।
পুলিশ বাড়ির চৌকিদারদের ধরে টানা হ্যাঁচড়া করবে; টু পাইস কামিয়েও নেবে গরীব মানুষের সামনে ইউনিফর্ম দেখিয়ে; হায়রে আমার সোনা ভরা মাটি।
এরপর সাংঘাতিক অনুভূতিশিল্পীরা এসে কিছু এভিডেন্স নষ্ট করবে। তারাও যে বাঁধা বেতনের পুলিশ উইদাউট একাউন্টেবিলিটি।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ফটো সেশন। মেঘকে জড়িয়ে ধরে সেকি কান্না। মেঘের দুর্ভাগ্য সারমেয় ভূখন্ডে জন্মেছে। এখানে রাজপরিবার বিচার পাবে। গরীব মানুষ ৩০ লাখ হত্যার বিচার পাবার জন্য দুইবার ভোট দেবে বা ওকে করে দেবে সেই সরকারকে; যারা ইচ্ছে করে সাগর-রুনির হত্যাকারীকে নিউ-ইয়র্কের ব্রোথেল বসন্তে রেখে দেবে।
আমি নিয়তিবাদী ও প্রকৃতিবাদী। এছাড়া উপায় নেই। আমি অভিশাপ দিতে পারি, যারা ঢাকা গ্রামের সাগর রুনির হত্যাকারীকে আমাদের লোক বলে ছেড়ে দিলো; তাদের একই রকম মৃত্যু হবে। ইনশাল্লাহ দেখে যাবো মেঘের পক্ষে সেই প্রকৃতির প্রতিশোধ।
আলোচিত ব্লগ
স্বর্গময়

ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;
১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১
'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবনের গল্প- ১০১

১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা
দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।