৬ই মে এসএসসির রেজাল্ট ২০১৮ প্রকাশিত হয়েছে। প্রতি বছর বেশ ধুমধাম করে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রকাশ করা হচ্ছে এসএসসির ফলাফল। এসএসসি পরীক্ষা ২০১৯ চলছে। এসএসসি রেজাল্ট ২০১৯। পরিবারে এসএসসি পরীক্ষার্থী থাকলে এখন সবারই আশা জিপিএ ৫। বাংলাদেশে গ্রেডিং সিস্টেম চালু হয়েছে ২০০১ সাল থেকে। এর পূর্বে সর্বোচ্চ কৃতকার্যতা ছিলো স্ট্যান্ড এরপর স্টার মার্কস। যাই হোক আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো ২০০২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার। জিপিএ ৫ পাইনি, পেয়েছি মাত্র ৪.৬৩। কিন্তুু সারা বাংলাদেশে জিপিএ ৫ পেয়েছিলো মাত্র ৩২৭ জন!এই জিপিএ ৫ না পাওয়াটা সম্ভবত এ কারণেই খুব একটা গর্হিত অপরাধ হিসেবে ধরা হয়নি তখন! আমার স্কুলের সর্বোচ্চ স্কোর ছিলো ৪.৭৫। পেয়েছিলো আমারই এক সহপাঠী বন্ধু! এরপরই ছিলাম আমি এবং সাথে আরেকজন সহপাঠী! আর বর্তমানে কি দেখতে পাচ্ছি? ২০১৮ সালে জিপিএ ৫ এর সংখ্যা ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬২৯ জন! অবশ্য গতবছর বেশ হইচই হলো I am GPA 5 নিয়ে! এ থেকে এই সংখ্যাধিক্যের কিছুটা রহস্য উন্মোচন হয়! হতে পারে আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা এখন অনেক উন্নত হয়েছে তাই এই সাফল্য! মানে এই জিপিএ ৫ এর সংখ্যাধিক্যের অর্থ যদি হয় শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আরকি! তাহলে আসুন এক নজরে দেখে আসি ২০০১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত কি অবিশ্বাস্য গতিতে এগিয়ে গেছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা! দেখলে নিশ্চয়ই চমকে যাবেন পাঠক। কিন্তু এই অর্জনে কার কি পুরস্কার পাওয়া উচিত? নোবেল টোবেল কিছু একটা কি প্রাপ্য ছিলোনা? এমন বিশ্ব রেকর্ড কি তবে বৃথাই যাবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



