somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন ব্লগার মানে নাস্তিক ভাষা যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি ।

২৮ শে মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক জন ব্লগার হওয়ার স্বপ্ন আমার স্বপ্ন হয়ে থাক প্রয়োজন নেই ব্লগার হওয়ার । আমাদের এ সমাজে একজন ব্লগার মানে নাস্তিক আর সরকার বা রাষ্ট্রের কাছে যখন একজন মিডিয়া সাংবাদিক ও নাগরিক সাংবাদিক বা ব্লগার মূল্যহিন হয়ে যায় । তখন সে সমাজে আমি একজন ব্লগার বা পেশায় সাংবাদিক হতে চাই না ।

সত্য বলতে গেলে হয়ত এ সংসারে সবই আমরা গোলাতে দেখবো । যেখানে কয়েকটি বিষয় আমরা একটু মনযোগ দিয়ে লক্ষ্য করলে অনেক কিছু টের পাবো ।

যেমন ধরেন ব্লগার রাজিব আহম্মেদ হর্ত্যা হয়েছে আজ কতটা বছর হয়ে গেছে অথচ আজ তার বিচার অনেক দূরের বিষয় সে হর্ত্যা কান্ডের একজন আসামী পযন্ত গ্রেফতার করতে পারেন নি ।

আচ্ছা ঠিক আছে ধরে নিলাম রাজিব হয়তো একটু বেশি লেখে ফেলেছিল তাই তাকে জীবন দিতে হয়েছে । কিন্ত সাগর-রুনি তারাও কি বেশি লেখে ফেলেছিল । আর যদি বেশি কিছু লেখেই থাকেন তাহলে সেই বেশিটুক কি লেখেছিলেন তার কোন সঠিক তথ্য বা প্রমান কেও দিতে পারবেন । আমি আসলে বলতে চাইছিলাম যে আসলে ওরা এমন কি বেশি লেখেছিল যে লেখাটির কারনে ওদের নীরঅপরাধ দুটি জীবন দিতে হলো ।

পুরোই বিষয়টি নিয়ে একটি গভীর ভাবনার বিষয় । কিন্তু আমার ভাবনা হয়তো ভুল হতে পারে তবে আমার কাছে মনে হয় বিষয়
গুলো রাষ্ট্র সরকার ও দেশের প্রশাসন গুলো যদি একটু সচেতন
এবং হতেন, একটু ভেবে চিন্তে দেখতেন তা হলে হয়তো এ দেশে আর কোন নিরহ সাগর-রুনিকে লেখালেখির জন্য জীবন দিতে হবে না । হয়ত বা আর কোন শিশু মেঘকে অকালে বাবা মা হারাতে হবে না ।

এটা আসলে আমাদের বাঙ্গালী জাতি হিসেবে কখন কাম্য নয় । যেখানে ভাষার জন্য হাজার হাজার মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন
সেখানে সেই বাংলা ভাষায় আমরা লেখি বলে এখন আমাদের জীবন দিতে হচ্ছে । আজ রাজিব,সাগর-রুনি কাল অভিজিৎ । এভাবে আর কতজনকে কতদিন জীবন দিতে হবে কে বলতে পারে । তাহলে কি আমরা বাঙ্গালী জাতি ধরে নেব এখনো এ দেশে ভাষার বিরুধিরা রয়ে গেছেন তারা এখনো আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চাইছেন ।এটা কি নতুন অধ্যায়ের নতুন একটি ভাষা যুদ্ধের মতো শুরু হয়ে যাচ্ছে না । নাকি ভাষা যুদ্ধ এখনো শেষ হয়নি ।
দেশের রাষ্ট্রিয় সরকার এবং আইন প্রশাসন বহিনীর ভাইগো কাছে আমার ছোট্র একটা আবেদন এ বিষয়গুলোর প্রতি একটু নজর দিয়েন ।
আর যাতে কোন ভাই বোনকে বাংলা লেখার জন্য অকালে জীবন দিতে না হয় ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১৫ সকাল ৭:৪২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×