
--হ্যালো কে ? ও লতা এতো দিন পর কি মনে করে ?
--জানু আজ আমি বাড়িতে আসছি।তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছে করছে, তুমি কি বাড়িতে আসবা তাহলে তোমায় একটু দেখতাম।
--তোমার বিয়ে হয়ে গেছে,তোমার স্বামী আছে, এখন আমার সাথে দেখা করা ঠিক হবে না।
--তুমি আমায় সত্যি ভুলে গেছো,একটু মনে পরে না, আর সেই কান্না……
--কান্না করো না, আমি আসবো কিন্তু বাড়িতে জানানো যাবে না ঠিক আছে…
যেই কথা সেই কাজ
ছেলেটা তার সকল ব্যাস্ততা ফেলে রেখে,অন্যর স্ত্রী, এ সময়ে তার প্রেমিকা, এমন একটা মেয়ের সাথে দেখা করতে রওয়ানা হলো সেই পটুয়াখালী।লঞ্চে যেতে হবে তাই ছেলেটা সরাসরি সদরঘাট চলে গেল।ওখান থেকে পটুয়াখালীর একটা লঞ্চে উঠলো, লঞ্চ ছাড়বে 7:30 টায়, তাই সে লঞ্চ থেকে বের হয়ে ঘুরে দেখতে রাগল অন্যন্য লঞ্চ গুলি, তাপর সে লঞ্চে আসলো লঞ্চ ঠিক টাইমে ছেড়ে দিল।লঞ্চে কোথাও যায়গা হলো না শেষ মেশ যায়গা পেল ছাদে, ছাদে প্রচন্ড ঠান্ডা।
ছাদে এক লোকের সাথে পরিচয় সে জিঞ্জাসা করলো ভাই কোখায় যাবেন ? আমি ভাই পটুয়াখালী যাবো । কি বলেন ভাই এ লঞ্চ তো পটুয়াখালী যাবে না, ভোলা যাবে। মহা মুশকিল উঠলাম পটুয়াখালীর লঞ্চে আপনি বলছেন ভোরা যাবে,সে লঞ্চের এক স্টাফকে জিঞ্জাসা করল সেও একই কথা বলল।
এখন বুজতে পারছি ঘুরতে গিয়া ভুল লঞ্চে উঠেছি।
কি আর করা ভোলা য়েতে হবে, রাতে প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে ছাদে একটা চাদর বিছিয়ে এক ঘুম। ঘুম ভেঙে দেখে সকাল।লঞ্চ থেকে নামলো , এক চায়ের দোকানে জিঞ্জাসা করলো ভাই এই জায়গার নাম কি ?সে বলল দৌলত খাঁ, ভাই আমি পাটুয়াখালীর কালাইয়া যাবো সেটা কিভাবে ? তারপর সে বলল এখান থেকে বাসষ্টান ---< বাংলাবাজার ---< বহর নদী --< চিত্রামনি সিনেমার সামনে, ওখান থেকে ট্রলারে করে কালাইয়া চলে যাবেন।
সে এভাবেই তার জানুর সাথে দেখ করল, মেয়েটা অকে হ্যাপি তার জানুকে পেয়ে,
সেই যে দেখা হল মেয়েটার সাথে আর দেখা হল না।
মেয়েটার সকল সিম অফ, খুব দেখতে ইচ্ছা করে কিন্তু ইপায় নাই,
ছেলেটা তার পুরানো সিমটা ওপেন রেখেছে যা তার জানু কল করে অফ না পায় কিন্তু তার জানু তো কল করে না।
মেয়েটা কি ? কেমন ? এতোটা অভিমান কিসের ?
একবার কল করো প্রিয়তমা সোহাসিনী ?
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


