somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাসুদুর রহমান মাসুদ
মাঝে মঝে নিজের মধ্যে অনেক হতাশা কাজ করে। তবুও ভাবি একসময় সব ঠিক হয়ে যাবে। সব চেয়ে খারাপ লাগে যখন নিকট কেউ আমাকে অবহেলা করে। পরে চিন্তা করে দেখি আসলে দোষ টা আমারই সবাই সবার স্বার্থ দেখবে নিজেকে নিয়ে ভাববে এটাই তো স্বাভাবিক এর জন্য মন খারাপ করার কী আছে ?

বসরের শেষ দিন

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাল থেকে শুরু নতুন একটি বছর। কাল থেকে বলা ভুল হবে। already শুরু হয়ে গেছে। তুমি একদিন আমাকে জিগ্গেস করেছিলে তোমার দিনগুলো কিভাবে কাটে? আসলে এখন আমার দিন বলতে কিছুই নেই। আছে খালি রাত। কতদিন যে রোদেলা দুপুর দেখি না। মাঝে কয়েকদিন পড়ন্ত বিকেল দেখার ভাগ্য হয়েছিল। এইভাবেই কাটে আমার জীবন। একটা গান শুনেছ নিশ্চই "অন্ধকার ঘরে কাগজের টুকরো ছিড়ে কেটে যাই আমার জীবন" আমার জীবন ও এইভাবেই পার করছি এখনো। মাঝে মাঝে রাগ উঠলে সামনে যা পাই ভাঙ্গা স্টার্ট করি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে সবই প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। কোনো জিনিস গড়া কঠিন ভাঙ্গা অনেক সহজ। কিন্তু সম্পর্ক সম্পূর্ণ ব্যাতিক্রম জিনিস। এইটা করা সহজ কিন্তু ভাঙ্গা কঠিন। চাইলেই মানুষ সব সম্পর্ক ভুলে যেতে পারে না , পারে না ভেঙ্গে দিতে। আমার এখনকার সময় বলতে খালি রাতটাই। সারা দিন ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেই। আমার বাসায় তো জানে না insomnia যে একটা রোগের মত। তারা সকালে দুপুরে ডাকতেই থাকে খাবার জন্য। কিন্তু আমার জন্য ঘুমানোটা যে কত কষ্টের বেপার তারা সেটা বুঝে না। আমিও কাওকে জানায় না এইটা সম্পর্কে। কারণ শুনলেই আম্মা আব্বা টেনশন করবে। হুদাই টেনশন দিয়ে লাভ কি। এর চেয়ে একটু কষ্ট করে হলে ও মেইনটেইন করি। আজকে ঘুম থেকে উঠে মনেই ছিল না যে আজ বছরের শেষ দিন। ঘুম থেকে উঠে দেখি সন্ধা ৬ টা বাজে। তার মাঝে মিনিমাম ছয় বার উঠতে হয়েছে ঘুম থেকে।ঘুমিয়ে ছিলাম সকাল সাড়ে ১১ টাই। যাই হোক উঠে খেয়ে দেয়ে TV স্ট্যাট করে দেখি আজ শেষ দিন বছরের। কালকেও মনে ছিল আজ যে বছরের শেষ দিন কিন্তু আজি মনে ছিল না। আমি কি আসলেই মানসিক ভাবে sick হয়ে যাচ্ছি, কিছুই মনে রাখতে পারি না। শুনেছি অধিক শোকে মানুষ নাকি পাথর হয়ে যায়।আমর জীবন অনেকটাই জড় পদার্থের মত হয়ে গেছে। আজ কে TV তে দেখলাম সবাই বেজায় খুশি নতুন বছর আসছে দেখে। ভাবলেই কষ্ট লাগে আমিও তো একদিন আনন্দ করতাম থার্টি ফার্স্ট night এ। আমিও তো খুশি থাকতাম নতুন বছর আসছে দেখে। আজ কোথায় গেল আমার জীবনের সে সব আনন্দ? কোনদিন তো কষ্ট পাই নি জীবনে। বন্ধুরা আত্তীয় সজনরা বলত আমি নাকি পৃথিবীর সবচে সুখী মানুষ। যার কিনা কোনো tension নেই। কোনো ফল্ট নেই। না করে প্রেম ভালবাসা।না আছে কারো সাথে শত্রুতা। অনেকে বলত এক কম্পিউটার আছে আর আসস তুই। আমিও আমার ওই জীবনটাকে অনেক enjoy করতাম। আসলে কষ্ট হীন জীবন কে না চায় ? কেও কি চায় কষ্ট নিয়ে বেচে থাকতে। কিন্তু আজ আমার এমন এক situation দাড়িয়েছে যে আমি শত চেষ্টা করেও ওই জীবনে ফিরে যেতে পারব না। কত না উত্ফুল্ল ছিল ওই জীবনটা। কষ্ট গুলো কে কষ্ট মনে করে পাত্তাই দিতাম না। মনে মনে বলতাম বহু সময় পরে আছে সামনে। শুধু শুধু চিন্তা করে কি লাভ? কিন্তু ওই সমস্যা গুলো যে এত গুরতর হয়ে আমার পর বর্তী জীবনে কাল হয়ে দাড়াবে কল্পনা ও করিনি। আসলে সময়ের কাজ সময়ে করাই উত্তম। সময়কে ফাকি দিলে একদিন সময় তোমাকেই ফাকি দিবে। এমন ভাবে ফাকি দিবে যে সময়কে চাইলেও সময়মত পাবে না।

TV গুলোতে "happy new year " লেখা ভেসে উঠছে। অনেক channel অনেক অনুষ্ঠান দেখাচ্ছে live. কিন্তু কোনো কিছুতেই আনন্দ পেলাম না । আমার জীবনের সব আনন্দ যে তোমাকে হারানোর সাথে সাথেই হারিয়ে গেছে। নতুন বছর তোমার জীবনে সমৃদ্ধি এবং মঙ্গল বয়ে আনুক এই কামনা করি। নতুন বছর হোক তোমার জীবনের নতুন অধ্যায় গড়ার সূচনা। সবসময় প্রার্থনা করি নতুন বছরে তোমার সুখ অতীতের সব সুখকে ছাপিয়ে যাক আর অতীতের সব দুঃখ গুলো হারিয়ে যাক কোনো অজানা পথে। যে পথ থেকে আর ফিরে আসবেনা দুখের কোনো চিহ্ন, কোনদিন।

এই যা। একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছি তোমাকে। Happy new year 2016
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:১৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাবা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, ছেলে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:২১

মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে অনেক হৃদয়বিদারক ঘটনা আছে। কুমিল্লার এমনই একটি ঘটনার কথা বলেছেন একজন মুক্তিযোদ্ধা -

কুমিল্লা শহরের উত্তর দিকে রসুল আহমদ নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান।... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের সীমা (জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা!)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

“সুন্দর শব্দ মধুচক্রের মতো, আত্মার জন্য সুমিষ্ট এবং অস্থির জন্য আরোগ্য।” — প্রবচন ১৬:২৪, বাইবেল

প্রতিদিন বাসা থেকে বের হলেই হাজারো শব্দ উড়ে এসে আছড়ে পড়ে আমাদের কানে। দূর ও নিকট... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন কর্মী ও তার ন্যায্য পাওনা

লিখেছেন কিরকুট, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

বাংলাদেশের বেসরকারি খাত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত বিনিয়োগ, মুনাফা, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ কিংবা উদ্যোক্তার ঝুঁকির কথা ভাবি। কিন্তু এই পুরো ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্মীর শ্রম নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×