স্বপ্ন ভাঙার স্বপ্ন...
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আমার জীবনে একটা শখ আছে। আমি সাগর দেখতে যাব। অনেকেই সাগর দেখতে যায়। সেই হিসেবে এটা একটা খুব বড় শখ নয়। যদি চাঁদের দেশ যেতে চেতাম তাহলে হয়তো খুব বড় শখ হতো। সে অর্থে আমার ইচ্ছা ক্ষুদ্র। আমার ইচ্ছাগুলো এমনই ক্ষুদ্র। আমি কেন যেন খুব বড় স্বপ্ন দেখতে পারি না। আমার স্বপ্ন চাঁদের আলোয় বসে মগ ভর্তি করে চা খাওয়া। অথবা ঝুম বৃষ্টিতে ঘন্টার পর ঘন্টা হাত বাড়িয়ে থাকা। অনেকেই হয়তো হাসবে আমার স্বপ্নগুলোর কথা শুনে। কিন্তু কী করবো ? যখন প্রচন্ড বাতাস উঠে তখন হাত দুটো মেলে ধরে উড়ে যেতে ইচ্ছে করে। রাত জেগে শুনতে উচ্ছে করে পাখির কুহু কুহু ডাক। বিশেষ করে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর আকাশের বুক চিড়ে যে রঙের চাদরটা দেখা যায় ওটার দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালো লাগে। আর মনে মনে বারবার বলতে ইচ্ছে করে - ইশ! আমি যদি এর একটি রঙ হতে পারতাম! ও হ্যাঁ, সাগরের কথায় ফিরে আসি। অনেকেই সাগর দেখে। তবে একেক জন দেখে একেক ভাবে। আমি সাগর দেখতে যাবো কিন্তু সাগরের কাছে যাবো না। একটু দূরে একটি টিলার উপরে চড়বো। গায়ে দিব গোলাপী শার্ট আর সাদা প্যার্ট। তখন সূর্য ডুবু ডুবু করবে। মাথার উপর থাকবে একটা চিল। সে আমাকে কেন্দ্র করে পাখা না নাড়িয়ে ঘুরতে থাকবে। আর আমার পাশে গোলাপী শাড়ি পড়ে দাঁড়িয়ে থাকবে কেউ একজন। হয়তো সে কল্পতরু, নয়তে াসে আমার ছায়া মানবী। তাতে কিছু আসে যায় না। আচ্ছা আমি কি পাবো এভাবে আমার স্বপ্নের সাগর দেখতে? নাকি আমার স্বপ্নগুলো বাস্তবতার চাপে আমার চোখে দুঃস্বপ্ন হয়ে ধরা দিবে? যা গভীরতা আমি কোনো দিনও মাপতে পারবো না। শুধু তলিয়ে যাবো অসীম গভীরতার মাঝে। যে গভীরতায় একা আমি আগলে রাখবো আমার প্রকাশ না পাওয়া স্বপ্নগুলো।
কিছু কথা ঃ
এই লেখাটি আমি লিখিনি। লিখেছে আমার বন্ধু মোহাম্মদ ইমরান। ওর খুব শখ একদিন একটা ব্লগ লিখবে, তাই দিয়ে দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামুর আগের মডূ জাদীদ ভাই আমাকে একবার বলেছিলেন ব্লগার নিমো'র আসল নাম নিমচাঁদ, তাঁর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা মাঝে মাঝে পদ্মার পাড়ে ইলিশ খেতে যান। আর, গরুর...
...বাকিটুকু পড়ুন

ভূমিকাসৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের অন্যতম প্রাচীন প্রশ্ন হলো,সবকিছুর শুরু কোথায়? যদি প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর অস্তিত্বের জন্য তার আগে আরেকটি সৃষ্ট বস্তুর প্রয়োজন হয়, এবং সেই নির্ভরতার ধারা কখনো শেষ...
...বাকিটুকু পড়ুন
মরিয়ম খাতুন। মাত্র ১৯ বছরের একটি মেয়ে। ৭৫ বছরের বুইড়া পাঁঠা গাজী নজরুলের লালসার শিকার হয়ে জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি ছোটখাটো চাকুরী সুপারিশের জন্য গিয়েছিল। তখনই ১৯...
...বাকিটুকু পড়ুন
প্রাচীন গ্রিক দর্শনের মহান পুরুষ সক্রেটিসের আত্মানুসন্ধান বা "নিজেকে জানো" তত্ত্বটি মানুষের ভেতরের ঘৃণা, গোঁড়ামি এবং অজ্ঞানতা দূর করার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। সক্রেটিসের মতে, মানুষের সমস্ত নৈতিক স্খলন ও...
...বাকিটুকু পড়ুন
জীবনটা আজকাল বড় অদ্ভুত নিয়মে চলছে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এক রকম থাকে, আর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি দুনিয়াটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গতকাল রাত বারোটা এক মিনিট থেকে জ্বালানি...
...বাকিটুকু পড়ুন