somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফেলে আসা সেই দিনগুলি

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি। তবে সব মতবাদের মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয়েছে। সেই সময়ের চট্টগ্রাম ছিল এক অদ্ভুত মিশ্রণ। যেখানে মাজার আর মসজিদ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকত, যেখানে ধর্মীয় বিতর্ক ছিল কিন্তু বিদ্বেষ ছিল না।

একজন হুজুর আমাকে এবং বুবুকে আরবি পড়াতে আসতেন। তিনি পড়াতে এসেই খানা ছাড়া যেতে চাইতেন না। ভদ্রলোকের মেয়ে বলে আম্মা উনাকে সবসময় নাস্তা দিতেন। কোনো সময় আম্মা বাসায় না থাকলেও হুজুর পড়াতে এসে আমাদের বেশ সমস্যায় ফেলে দিতেন। হুজুর নাস্তা করা ছাড়া আমাদের ছুটি দিতেন না। একবার টানা দুই ঘণ্টা আমাদের পড়িয়েছেন। এদিকে আমার খালা বারবা বুবুকে ডেকে বলছিলেন, "কিরে হুজুর যায় না কেন?" আপা পড়ালেখায় কাঁচা হলেও কমনসেন্স ভালো ছিল। তিনি বললেন, "হুজুর নাস্তা করা ছাড়া যাবেন না।" খালা তখন পরোটা আর আলু ভাজি বানিয়ে নাস্তা পাঠিয়ে দিলেন হুজুরের জন্য। হুজুর নাস্তা খাচ্ছেন আর জিজ্ঞাসা করছেন, "আজকে নাস্তা কে বানিয়েছে?" আমার আপা কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললেন, "হুজুর আপনি খান, কে নাস্তা বানিয়েছে সেটা জেনে আপনার কী কাজ?" হুজুর বললেন, "আর এক পিস পরোটা হবে?" আমি আর বুবু পুরো অবাক। কেমন খাইয়্যা হুজুর রে ভাই।

কেউ বাসায় এলে নাস্তা দিতে হয় এতটুকু পর্যন্ত ঠিক আছে, তবে এভাবে কাউকে খুঁজে খেতে দেখিনি। পরে বুবু, খালা আর আম্মা বিষয়টা নিয়ে ব্যাপক হাসাহাসি করেন। আব্বা এই কথা শোনার পর বললেন, "এতো হাসির কিছু নেই। হুজুরের মনে হয় খিদে থাকে পেটে তাই নাস্তা খুঁজে খান। হতে পারে তিনি একটা লম্বা পিরিয়ড ভুখা থাকেন।" আব্বা কোনোদিন মানুষের কোনো ত্রুটি কিংবা বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা করতেন না। অন্য কেউ উনার অসুবিধার কারণ হলেও সেটা মুখ ফুটে বলতেন না। আম্মার সাথে এটা নিয়ে এখনো আব্বার রাগারাগি হয়। আম্মা মনে করেন আব্বা এখনকার দুনিয়ায় অচল। মানুষ এখন অনেক চালাক।

আমার চট্টগ্রামে একজন প্রিয় বন্ধু ছিল, নাম তার মুন। অবাক ব্যাপার হলো সে আমার স্কুলে পড়ত না এবং আমি তার পুরো নাম জানতাম না। বিষয়টা আমাকে এখনো পীড়িত করে। মুন ছেলেটা দারুণ সব গল্প বানিয়ে বলতে পারতো। আমরা সেসব সত্যি ভাবতাম। সে বিভিন্ন ভূতের গল্পের মুভি দেখে নিজের কল্পনা মিশিয়ে আমাদের বলতো আর আমরা ভাবতাম মুনের সাথে বেশি হরর ঘটনা ঘটে। মুনের বলা গল্পগুলা আমাদের মধ্যে বেশ প্যানিক ছড়াতো।

একবার মুন আমাদের কাছে এসে আদমখোরের গল্প বলা শুরু করলো। সে যে বাসায় থাকে তার পাশের বিল্ডিংয়ে নাকি একটা ভয়ংকর ঘটনা ঘটে গেছে। আমাদের সমবয়সী একজন ছেলে সে বাসায় থাকতো, তার বাবা বিদেশে থাকতো। তো ঘটনা হয়েছে ছেলেটার বাবা বিদেশ থেকে আসে। ছেলেটা তার মা আর দাদির সাথে থাকতো। বাবা হঠাৎ করেই একদিন আগে বিদেশ থেকে এসে পড়েন। উনার নাকি আরো একদিন পরে আসার কথা। বাসায় তখন বেশ উৎসবমুখর পরিবেশ। লোকটা বিদেশ থেকে বড় বড় চানাচুরের প্যাকেট নিয়ে এসেছে। রাতের বেলায় ঘুমানোর আগে মাকে এক প্যাকেট দিয়ে নিজেরা বাকি প্যাকেট নিয়ে রুমে চলে যায়। মা সারারাত শুনতে পায় রুম থেকে চানাচুর খাওয়ার শব্দ।

পরদিন সকাল হলো। মা এসে দরজা খটখট করছে কিন্তু ছেলে দরজা খুলছে না। এভাবে ডাকাডাকি করতে করতে দুপুর হয়ে গেলো, পরে দরজা ভেঙে দেখে বিদেশ থেকে আসা লোকটি উধাও আর সারা রুমে রক্ত আর চিবানো হাড্ডি পড়ে আছে। এদিকে সেদিনই মহিলার আসল ছেলে বিদেশ থেকে আসে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সাহসী পুরুষ এসে লোকটাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে আর মারধর করে। পরে দেখা যায় এই লোকটা আসল আর আগের লোকটা আদমখোর। এসব ঘটনা শুনে আমরা খুব ভয়ে থাকতাম। প্রবাস থেকে আসা লোকজনকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতাম।

আমার সেই বন্ধু একবার শবে বরাতে আমাদের বাসায় এলো। আমরা তাকে রুটি আর গোশত খেতে দিলাম। সে অবাক হয়ে বলে, "আজকে কী দিবস? আমি তো প্রায় সময় আপনাদের বাসায় আসি। আজকে কেন এমন খাবার?" আমরা অবাক হই। আমার আম্মা অবাক হন না। আমি জিজ্ঞাসা করি, "তোরা শবে বরাত পালন করিস না?" সে বলে, "না আমরা হিন্দু।" আমি তো ভিমরি খেলাম। বলে কি? এটা তো আমি জানি না। বাকিদের জানা থাকতে পারে। আম্মা কিন্তু ঠিকই জানেন। আসলে বিষয়টা হলো মুনের বাবা নেই। মা সরকারি স্কুলের টিচার। ওদের পরিবারকে দেখলে বোঝা যায় না ওরা হিন্দু। মাছ গোশত সব খায়। কোনো রিচুয়ালের ধারে কাছে নাই। আমি আম্মাকে বললাম, "তুমি এই কথা আগে কেন বলোনি?" আম্মা বললেন, "মুনের ধর্ম জেনে তোর কী লাভ?"

আমার নানার বাড়িতে ভাড়া দেয়ার মতো রুম ছিল। এই রুমগুলাতে যে ফ্যামিলি ছিল তাদের প্রত্যেকের রয়েছে নিজের গল্প আর ইতিহাস। এর মাঝে উল্লেখযোগ্যভাবে বলার মতো ছিল কৃষ্ণা আর রত্না দির কথা। ওরা দুই বোন ছিল আম্মা ও খালার সমবয়সী। নানা তাদের ভাড়া দিয়েছিলেন। নানা কিন্তু কট্টর মুসলিম ছিলেন। তিনিপ্রাইমারি স্কুলের টিচার ছিলেন। টেলিভিশন ছিল নানার চোখে শয়তানের বাক্স।

নানার মতো যারা টেলিভিশনকে শয়তানের বাক্স মনে করতেন তাদের নিয়ে বর্তমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকি টেলিভিশন নামে একটা টেলিফিল্ম বানিয়েছিলেন। যাই হোক নানা কট্টর হলেও রত্না আর কৃষ্ণা এই দুই বোনকে রুম ভাড়া দিয়েছিলেন। তিনি এই দুজনকে নিজের মেয়ের চোখে দেখতেন। এমনকি পূজা পার্বণে কৃষ্ণা আর রত্না দি যদি খই মুড়ি দিতেন নানা এসব অবলীলায় খেতেন। রত্না দির হাজব্যান্ড প্রবাসী ছিলেন আর কৃষ্ণা দি অবিবাহিত ছিলেন।

বড় মামার বিয়ের পর সিচুয়েশন চেঞ্জ হয়ে গেল। মামা ভালোবেসে পরিবারের অমতে বিয়ে করেছেন। তিনি যে স্কুলে পড়াতেন সেই স্কুলের প্রিন্সিপালের বোন ছিলেন আমার বড় মামি। নানা কোনোভাবেই এই বিয়ে মেনে নিতে চাননি। বড় মামাকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করে দিতে চেয়েছিলেন। অনেক কষ্টে উনাকে বিরত করেছিলেন বাকিরা। বড় মামা বিয়ের পর নানার বাড়িতেই ভাড়া বাসার একটা রুম খালি করে থাকতে লাগলেন মামিকে সাথে নিয়ে। ভয়ে নানার মূল বাড়িতে ওঠার সাহস পেতেন না। বড় মামি আসার পর কৃষ্ণা দি আর রত্না দি কে নিয়ে সমস্যা শুরু হয়। বিয়ের পর পর মামি ইসলামিক ছাত্রী সংস্থায় নাম লিখান এবং পুরোদস্তুর জামাতি হয়ে ওঠেন। নানা কেন হিন্দু ভাড়া দিয়েছে এটা নিয়ে বড় মামির মনে অশান্তি। বড় মামি আমার বাকি মামা, খালা এমনকি আমার আম্মাকেও এই নিয়ে অভিযোগ করে বেড়াতেন। নানুর কাছেও নালিশ দিতেন। কিন্তু লাভ হয়নি; নানা ছিলেন অটল।

মজার ব্যাপার হলো এসব ঘটনা আমার জন্মের অনেক অনেক আগের কথা কিন্তু আমার শ্রদ্ধেয় নানিজান আমাদের সাথে গল্প বলার ছলে এসব বলে গেছেন। নানু প্রতিটি ক্যারেক্টারকে এমন ভাবে বলতেন যে আমরা ভিজুয়াল করে ফেলতে পারতাম। নানু লিখতে পড়তে পারতেন। আমাদের নানার বাড়িতে প্রতিদিন ইত্তেফাক পত্রিকা ঢুকতো। নানুর মৃত্যু দিনেও ইত্তেফাক পত্রিকা বাসায় এসেছিল। নানু চোখে ভালো করে দেখতেন না তাই আমার ছোট খালার ছেলেকে পড়ে শোনাতে বলতেন। নানুর কোনো কিছু পড়ার প্রতি ঝোঁক ছিল মারাত্মক। তিনি শুধু পত্রিকা পড়তেন না, গল্পের বই পড়তেন, উপন্যাস পড়তেন। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে তিনি মারা যান।

ঢাকায় এসে আমরা সম্পূর্ণ নতুন এক আবহ বা সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলাম। এখানে মানুষ সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। ঢাকায় শবে বরাতের আমেজ তেমন কোনোদিন চোখে পড়েনি। আমার আম্মা প্রথম এক-দুই বছর পরিচিত আর আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে তৈরি করা মজাদার খাবার পাঠাতে চাইতেন। কিন্তু খাবার নিয়ে গেলেই দেখলাম তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। অনেক বাসায় আবার সরাসরি বলেছে, "আমরা শবে বরাত পালন করি না। এসব বিদআত।" ছোট মামা বলতেন, "ঢাকার আলেমরা মূলত ওয়াহাবি বা সালাফি মতাদর্শের, তাই তারা এসবে বিশ্বাসী নন।" অন্যদের প্রতিক্রিয়া দেখে একসময় আমরাও মানুষের বাড়িতে খাবার পাঠানো বন্ধ করে দিলাম। কেবল আমাদের ভাড়াটিয়াদের মাঝেই খাবার দেয়া সীমাবদ্ধ থাকত।

ঢাকায় এসে সেই আনন্দ হারিয়ে গেল। এখানে প্রত্যেকে যেন একটা খোপের ভেতর আটকে থাকেন । বিদআত, সুন্নত, হালাল, হারাম এসব নিয়ে এত বিতর্ক যে উৎসবের আমেজ কোথায় যেন হারিয়ে যায়। মূলত সেই সময়েই আমাদের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক রূপান্তর ঘটে যায় এবং এই সব উৎসব পালনে এক ধরণের উদাসীনতা চলে আসে। বিগত দুই যুগ বা তার কাছাকাছি সময়ে আমাদের জীবনবোধ ও সংস্কৃতিতে অনেক বড় পরিবর্তন ঘটে গেছে; হয়তো এটাই স্বাভাবিক। সময়ের সাথে সবকিছু বদলায়। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয় কিছু জিনিস না বদলালেই ভালো হতো।



সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৫৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=একটি জোনাক প্রহর দেবে আমায়=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৮


গাঁয়ের বাড়ি মধ্যরাতে
জোনাক নাকি বেড়ায় উড়ে,
ঝিঁঝি নাকি নাকি সুরে
ডাকে দূরে বহুদূরে?

মধ্যরাতের নীল আকাশে
জ্বলে নাকি চাঁদের আলো!
রাতে নাকি নিরিবিলি
বসে থাকলে লাগে ভালো?

শিয়াল ডাকে হুক্কা হুয়া;
কুকুর ডাকে একা ঘেউ ঘেউ;
মধ্যরাতে গাঁয়ে নাকি
ঘুমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তানের বির্যে জন্ম নেয়া জারজরা ধর্মের ভিত্তিতে, বিভাজিত করতে চায় বাংলাদেশের নাগরিকদের ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৯



বাংলাদেশী ধর্মান্ধ মুসলমান,
বাঙালি পরিচয় তোমার কাছে অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য।
তুমি কি দেশে দেশে Ehtnic Cleansing এর ইতিহাস জানো? জাতিগত নিধন কী বোঝো?
বাঙালি জাতি নিধনের রক্ত-দাগ প্রজন্ম থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উৎসর্গ: ব্লগার রাজিব নূর এবং মহাজাগতিক চিন্তা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৩৬


ঢাকার শীতের সকালটা একটু ঘোলাটে ছিল। রাজিব নূর ট্রেনে চড়ে বগুড়া যাচ্ছিল। হাতে একটা পত্রিকা, মাথায় অন্য কিছু। ট্রেনের জানালা দিয়ে মাঠ, গ্রাম, আর ধোঁয়াটে আকাশ পেরিয়ে যাচ্ছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মন বাগানে ফুটে আছে রঙবাহারী ফুল=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০৫



তুমি তো আর করলে না যাচাই, মন আমার মন্দ কী ভালো,
প্রেম কথনে ভরালে না মন, ভালোবেসে করলে না মনঘর আলো;
মনের শাখে শাখে ঝুলে আছে মধু মঞ্জুরী ফুল,
কী মুগ্ধতা ছড়িয়ে পাপড়ির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×