মৃত্যু
====মোঃ খুরশীদ আলম
মানুষের আয়ুকে শিশু, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ এই চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। একজন মানুষ কতো বছর বাঁচে? শূন্য থেকে সম্ভবত হাজার বছর। সম্ভবত বলছি এজন্যই, পৃথিবীর কোন গবেষক নির্দিষ্ট করে এর ফল
প্রকাশ করতে পারেনি, পারবেওনা। দেশে দেশে মানুষের বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক উন্নতি তথা সার্বিক পরিবর্তনের কারণে আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে মর্মে গবেষণায় প্রকাশ। আবিষ্কার হয়েছে অনেক, মৃত্যুকে প্রতিহত করার কোন মহৌষধ বা অস্ত্র আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি কেউ। তাহলে মানুষ পারলইবা কি? বুঝতে পারিনা। যারা ধর্মকর্ম পালন করি তারা বিশ্বাস করি যে হায়াত বা আয়ু শেষ হলেই মানুষ মৃত্যবরণ করে। এর পরের জীবনকে বলা হয় আলমে বরযখ বা কবরের জীবন। মউত, কবর, হাশর, মিজান, পুলছিরাত এই ৫ টি ঘাটিই কবর জীবনের অন্তর্ভূক্ত, মৃত্য দিয়েই যার সূচনা হয়। বৃদ্ধ বয়সে মানুষ যেমন মারা যায় তেমনি শিশু, কিশোর, যুবক অবস্থায়ও মানুষ মারা যায়। নির্দিষ্ট এই সময়ের ব্যবধানে মানুষ কতো কি করে। শিক্ষা গ্রহণ, কর্ম জীবনে পদার্পন, অবসর গ্রহণ, সন্তানাদি মানুষ করায় কতোইনা ব্যস্ততায় আমাদের সময় কেটে যায়, ফুরাতে থাকে নির্দিষ্ট হায়াত। কখনো কি ভেবেছি, যা উপার্জন করেছি তার কতটুকু অংশ আমার। না, বিন্দুমাত্রও আমার নয়। দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা অধিকাংশই ব্যপারটি নিয়ে ভাবনার ফুসরতটুকুও পাইনা। এর মাঝেই কাউকে গ্রহণ করতে হয় মৃত্যু পরোয়ানা আবার কারো শুভাগমন ঘটে সুন্দর এই ভুবনে। যাওয়া-আসার পাঠশালারূপ এই পৃথিবীতে শেখার হাজার উপকরণ সত্যেও আমরা শিখিনা, শেখার চেষ্টাও করিনা। মৃত্যু, হ্যা, এ থেকে শেখার আছে অনেক কিছু, জ্ঞানীদের জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




