somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এম ডি মুসা
জ্ঞানী লোকের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। অজ্ঞের থেকে শেখার কিছু নেই। সম্মান যতটুকু দিবেন ততটুকু ফেরত পাবেন।

দুই শ্রেণীর মানুষের কাছে

১৬ ই জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৩:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষের আচরণের দুই রূপ: অপরাধের স্বাভাবিকতা বনাম নৈতিকতার প্রতিবাদ

মানুষের আচরণ সময়, সমাজ, পরিবেশ ও অভিজ্ঞতার আলোকে গড়ে ওঠে। তবে কিছু আচরণ আমাদের চোখে পড়ে, যা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, আবার কিছু আচরণ নীরবে সৃষ্টি করে একটি নৈতিক পথের আলোকবর্তিকা। আজকের লেখায় আমরা আলোচনা করব দুই ধরনের মানসিকতা ও আচরণ নিয়ে, যারা সমাজে দুই বিপরীত মেরুতে অবস্থান করে।

‍১. অপরাধকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণকারী মনোভাব

এই ধরনের মানুষ সাধারণত অপরাধকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে। তারা মনে করে—

> “যা আমি করছি, সেটাই সঠিক। সবাই তো এভাবেই করে!”



এই বিশ্বাস থেকেই তারা অপরাধকে জাস্টিফাই করে। তারা অন্যায়ের পথেই নিজের ভালো খোঁজে, এবং নিজের মতন আরও অপরাধপ্রবণ মানুষদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে। এই বন্ধুত্ব তাদের অপরাধে উৎসাহিত করে এবং তারা নিজের অজান্তেই আরও গভীর নৈতিক পতনের দিকে এগিয়ে যায়।

তারা হয়তো এক সময় বুঝে ফেলে, পথ ভুল। কিন্তু তখন সম্পর্কের জালে আটকে যায়। নিজের বিপথগামীতা জানলেও, অপরাধী গোষ্ঠীর 'বন্ধু' বা 'নেটওয়ার্ক' ছাড়তে পারে না।
তারা সমাজে ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ তারা শুধু নিজের নয়, অন্যের বিবেকও দখলে নিতে চায়।

২. নৈতিক পথে চলা এবং প্রতিবাদী মনোভাব

অন্যদিকে, কিছু মানুষ আছেন যারা কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেন না।
তারা স্পষ্টভাবে বুঝতে পারেন—

> “অপরাধ কখনোই সঠিক হতে পারে না।”



এই মানুষগুলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। কোনো ঘনিষ্ঠজন অপরাধে জড়ালে তারা ত্যাগের পথ বেছে নেয়। এমনকি সম্পর্ক ভেঙে ফেলতেও দ্বিধা করে না, যদি তাতে আত্মমর্যাদা ও নৈতিকতা বজায় থাকে।

তাদের ক্ষোভ জ্বলতে পারে, কিন্তু তা আত্মরক্ষা ও সামাজিক সুবিচারের জন্য।
তারা প্রতিবাদ করে, মুখ ফিরিয়ে নেয়। কারণ তারা জানে, এক মুহূর্তের নীরবতা হাজারো অন্যায়ের সহযোগী হতে পারে।

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০২৫ বিকাল ৩:৪১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাদা নীল জার্সি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪২


গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×