somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মস্তিষ্কের চিরদিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা

২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মস্তিষ্কের চিরদিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা



সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের হে ফেস্টিভালে ‘মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচন’ শীর্ষক এক আলোচনায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী হানা ক্লিচলো যন্ত্রে মানুষের নিয়ে বক্তব্য দেন।

গবেষক হানা ক্লিচলো বলেন, মানুষের মস্তিষ্কের মতো কোনো কম্পিউটারে এক লাখ কোটি সংযুক্তি থাকলে এর মধ্যেকার কোনো প্রোগ্রামে মানুষের মস্তিষ্ক চালানো সম্ভব। মানুষের মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি বেশ জটিল। এটি দীর্ঘ বৈদ্যুতিক সার্কিটের মতো কাজ করে যার মধ্যে থাকে অসংখ্য ছোট ছোট অংশ। গবেষকরা এরই মধ্যে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ছোট অংশের কাজ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এই নিয়ে এখনো বিস্তর গবেষণা চলছে। মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। মানুষ তার মস্তিষ্কের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারে। কথিত আছে সাধারণ মানুষের চেয়ে মস্তিষ্কের বেশি অংশ ব্যবহার করেছেন আলবার্ট আইনস্টাইন, যে কারণে তিনি আপেক্ষিকতার সূত্র আবিষ্কার করতে পেরেছেন। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রেল বিভাগের কর্মী ফিনিয়াস গেজের ব্যাপারটিও উল্লেখযোগ্য। একটি দুর্ঘটনায় ধাতব দণ্ড গেজের মাথায় ঢুকে যায়। মস্তিষ্কের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রাথমিকভাবে দেখা যায় তিনি কোনো স্মৃতি হারাননি। পরে অবশ্য তাঁর মস্তিষ্কের বড় ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়।

মানুষের মস্তিষ্কের কাজের পদ্ধতি নিয়েও রহস্য আছে। মানুষের মস্তিষ্কের গড়পড়তা ওজন দেড় কেজি, যা শরীরের ওজনের মাত্র দুই শতাংশ। অথচ শরীর মোট উৎপাদিত শক্তির ২০ শতাংশই ব্যবহার করে মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের সব অংশেই সব সময় শক্তিপ্রবাহ বজায় থাকে। তবে কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য মস্তিষ্কের নির্ধারিত অংশ কার্যকর হয়। মস্তিষ্কের স্ক্যানে দেখা যায়, কার্যকর হওয়া মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে রক্ত ও অক্সিজেন-প্রবাহ বাড়ে।

গবেষক হানা ক্লিচলো বলেন, একসময় মস্তিষ্কের সব রহস্য জানা যাবে। একই সঙ্গে তৈরি হবে মস্তিষ্কের মতো জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিট। তখন মানুষের চেতনাকে কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রামে নিয়ে চিরদিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের হে ফেস্টিভালে ‘মানুষের মস্তিষ্কের রহস্য উন্মোচন’ শীর্ষক এক আলোচনায় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নায়ুবিজ্ঞানী হানা ক্লিচলো যন্ত্রে মানুষের মস্তিষ্কের চিরদিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে বক্তব্য দেন।

গবেষক হানা ক্লিচলো বলেন, মানুষের মস্তিষ্কের মতো কোনো কম্পিউটারে এক লাখ কোটি সংযুক্তি থাকলে এর মধ্যেকার কোনো প্রোগ্রামে মানুষের মস্তিষ্ক চালানো সম্ভব। মানুষের মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি বেশ জটিল। এটি দীর্ঘ বৈদ্যুতিক সার্কিটের মতো কাজ করে যার মধ্যে থাকে অসংখ্য ছোট ছোট অংশ। গবেষকরা এরই মধ্যে মস্তিষ্কের বিভিন্ন ছোট অংশের কাজ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এই নিয়ে এখনো বিস্তর গবেষণা চলছে।

গবেষক ক্লিচলো বলেন, মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে রহস্যের শেষ নেই। মানুষ তার মস্তিষ্কের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারে। কথিত আছে সাধারণ মানুষের চেয়ে মস্তিষ্কের বেশি অংশ ব্যবহার করেছেন আলবার্ট আইনস্টাইন, যে কারণে তিনি আপেক্ষিকতার সূত্র আবিষ্কার করতে পেরেছেন। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রেল বিভাগের কর্মী ফিনিয়াস গেজের ব্যাপারটিও উল্লেখযোগ্য। একটি দুর্ঘটনায় ধাতব দণ্ড গেজের মাথায় ঢুকে যায়। মস্তিষ্কের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও প্রাথমিকভাবে দেখা যায় তিনি কোনো স্মৃতি হারাননি। পরে অবশ্য তাঁর মস্তিষ্কের বড় ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়।

মানুষের মস্তিষ্কের কাজের পদ্ধতি নিয়েও রহস্য আছে। মানুষের মস্তিষ্কের গড়পড়তা ওজন দেড় কেজি, যা শরীরের ওজনের মাত্র দুই শতাংশ। অথচ শরীর মোট উৎপাদিত শক্তির ২০ শতাংশই ব্যবহার করে মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কের সব অংশেই সব সময় শক্তিপ্রবাহ বজায় থাকে। তবে কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য মস্তিষ্কের নির্ধারিত অংশ কার্যকর হয়। মস্তিষ্কের স্ক্যানে দেখা যায়, কার্যকর হওয়া মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে রক্ত ও অক্সিজেন-প্রবাহ বাড়ে।

গবেষক হানা ক্লিচলো বলেন, একসময় মস্তিষ্কের সব রহস্য জানা যাবে। একই সঙ্গে তৈরি হবে মস্তিষ্কের মতো জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিট। তখন মানুষের চেতনাকে কম্পিউটারের একটি প্রোগ্রামে নিয়ে চিরদিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে।
আরো জানতে ক্লিক করুন 'এনটিভিডটকম'-এ
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৪:১২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মহাজাগতিক ভাবনাকে এআই আমার সেরা পোষ্ট হিসাবে সাব্যস্ত করেছে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২



মহাজাগতিক ভাবনা

মহাজগতের প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্য। কারণ প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্যই হয়ে থাকে।শূন্য অবস্থানে সীমাদাতা না থাকায় তাতে যা হবে তা’ অসীম হবে।সকল অসীম একত্রে মিলে এক হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে এ্যাকশান নিয়ে সরকার কি বার্তা দিচ্ছে?

লিখেছেন আফনান আব্দুল্লাহ্, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫

সালমান মুক্তাদির দেখি জঘন্য মানুষ। ওয়াইন, ওম্যান আর ওয়েল্থ – পুরুষ নষ্টের এই তিন ডব্লিউ-ই তার অস্থিমজ্জা ও লিভারে ঢুকেছে



এদিক-ওদিক ব্যাপক আম-লিচু করে বেড়িয়েছে। নিজের স্টুডিওতে আজেবাজে শুটিং করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার বাহ্যিক চেহারা, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নিহিত নয়। বরং তাঁর চরিত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৪ বর্ষণ মুখর সকাল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯


আজ মেঘলা আকাশ। আজ ভীষণ বর্ষণ মুখর এক সকাল। অনেকের কাছে এরকম প্রকৃতি এক অপূর্ব দৃশ্য নিয়ে আসে। আবার অনেকের কাছে মেঘলা আকাশের বর্ষণ মুখর সকাল মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×