ওলিম দেমহা : বৎস,তোমার কাজের অগ্রগতি তো খুবই শ্লথ মনে হইতেসে।আমি কি আমার জীবদ্দশায় তোমার করা অনুবাদটা দেখে যেতে পারব?
আমি : জনাব,পরীক্ষা নামক যাঁতাকলে খানিকক্ষণ আগে পিষ্ট হয়ে আসলাম।কোথায় আপনি সমবেদনা জানাবেন তা না।উল্টো জেরা করা শুরু করলেন।আপনার হৃদয়ে কি মায়া বলতে কিছু নেই?
ওলিম দেমহা : চেইতা গেলা কেন বৎস?আমি তো কিঞ্চিত অনুসন্ধান করিয়া জানতে চাইলাম যে,কাজ আর কতদূর।বয়স হইসে তো,যৌবনকালের ধৈর্য তো আর এখন নাই।তুমি তো জাননা যৌবনকালে.......
আমি : থাক,থাক।এই গল্প গত ১৫ দিনে কম করে হলেও ২৮ বার শুনিয়েছেন।এইবার একটু রেহাই দেন।
ওলিম দেমহা : রাগ করিওনা বৎস।ইহা বয়সের দোষ।যাও,এইবারের মত “ক্ষ্যামা” দিলাম।
আমি : আপনি এই পাঁচমিশালী উদ্ভট বাংলায় কথা বলছেন কেন?
ওলিম দেমহা : কি করিব বল।এই বয়সে তো আর ব্যাকরণ মুখস্ত করে বাংলা ভাষা শিখা সম্ভব না।“পোলাপাইন” যেভাবে কথা বলে ঐখান থেকে কিছু শিখি।টিভি দেখে আর রেডিও শুনে একটু বাংলাটা আয়ত্ত্বে আনার ট্রাই করতেসি।ভুল হইলে শুধরাইয়া দিও।
আমি : আচ্ছা বাদ দেন।আপনার সাথে আর কিছুক্ষণ কথা বললে আমি নিজেই বাংলা ভুলে যাব।
ওলিম দেমহা : কই যাও বৎস।আমার কবিতা অনুবাদের কাজ কদ্দুর?
আমি : কাজ চলছে।শেষ হলে জানাবো।আমি এখন যাই।
ওলিম দেমহা : আরেকটা কথা ছিলো যে বৎস......
আমি : আবার কি?
ওলিম দেমহা : গতকাল ফেসবুকে দেখিলাম তুমি আমার কবিতা অনুবাদ করে পোস্ট দিলা।কিন্তু কিঞ্চিত্ কাঁট ছাঁট করিলা মনে হইতেসে...
আমি : আরে রাখেন মিয়া।আপনি যেই ছাতা'র কবিতা লেখেন ঐগুলা সরাসরি অনুবাদ করলে কি আর পাবলিক খাবে?তাও কিছুটা আলোয় আসতে পেরেছেন কবি হিসেবে আমার ব্যাক্তিগত সুনামের(!) কারণে।আর আপনি অভিযোগ করছেন আমি কবিতা বদলে দিচ্ছি!
ওলিম দেমহা : চেইতা যাইও না বৎস।কুল হও,কুল।এইটুকুন বয়সে এত মাথা গরম করলে চলে?আচ্ছা কর,যাহা মন চায় কর।(বিড়বিড় করে কিছু বললেন মনে হয়,গালি দিল নাকি?)
আমি : বিড়বিড় করে কি বলেন?
ওলিম দেমহা : না বৎস,কিছু না।তুমি যাও।তুমি তোমার কাজে যাও।
আমি : আচ্ছা গেলাম।আর কাজ শেষ হলে যথাসময়ে জানবেন।অযথা ফোন দিয়ে বিরক্ত করবেন না।কিছু বলার থাকলে ফেসবুকে মেসেজ করবেন।আল্লাহ হাফেজ।
*কিঞ্চিৎ সম্পাদিত.....................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


