somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুখের পানে চাহিনু অনিমেষে.............

২৯ শে আগস্ট, ২০১২ দুপুর ১:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মাগরিবের আজান হল প্রায় আধঘন্টা আগে।দিন এখন সবেমাত্র রাত্রির দুয়ারে পা রাখল।অথচ এখনই চারপাশ অস্বাভাবিক রকম কালো হয়ে আছে।এখন ভাদ্র মাস।বর্ষার বিদায় হয়েছে কয়দিন আগেই।তবু মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বৃষ্টি হয় এখনো।আজকেও কি এরকম বৃষ্টি হবার দিন?আকাশে কি মেঘ জমেছে?বাসার গেট থেকে বের হয়ে আকাশের দিকে তাকালো আহসান।ঘুটঘুটে আঁধার।চাঁদ তারা কোনটাই নেই।যাই হোক,বৃষ্টি নামার আগেই কাজ শেষ করে ফিরে আসতে হবে।কাজ বলতে সিগারেট খাওয়া।কয়েকদিন হল খাওয়া শিখেছে।নেশা হয়নি এখনো।তবে দিনে দুইএকটা না ধরালে ভালো লাগেনা তার।আজকে সকালে একটা খাওয়া হয়েছিল।ধীরে ধীরে গলির মুখের দোকানটার সামনে এসে দাঁড়ালো সে।একটা সিগারেট ধরিয়ে রাস্তার দিকে তাকালো।এই রাস্তায় গাড়িঘোড়া চলে না তেমন।রিকশাই বেশি চলে।এখন অবশ্য রাস্তাঘাট ফাঁকা।সামনের চারতলা বিল্ডিংটার দিকে চোখ গেল ওর।একটা গাড়ি দাঁড়ানো আছে।উকিল সাহেবের বাড়িতে কোন মেহমান এসেছে বোধ হয়।এখানকার ল্যাম্পপোস্ট গুলির একটাতেও আলো নেই।তবে রাস্তার দুইপাশের দোকান আর বাড়িঘরের আলোতে দিব্যি চলে যায়।বাতাস দিচ্ছে এখন।ঝড়ের আগমন স্পষ্ট।বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা পড়তে শুরু করল।হঠাত্ দুম করে ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল।'ধুশ শালা'বলে গালি দিয়ে উঠল দোকানদার ছোকড়াটা।
সিগারেট প্রায় শেষ হয়ে এসেছে আহসানের।উকিল সাহেবের বাড়ির সামনে দাঁড়ানো গাড়িটার হেডলাইট জ্বলে ওঠেছে।তার আলো গাড়ির সামনের পুরো জায়গাটা আলোকিত করে রেখেছে।সেই আলোতে বৃষ্টির পড়ন্ত ফোঁটাগুলি বড় চমৎকার মনে হচ্ছে।একটি রিকশা আসছে বিপরীত দিক থেকে।কি মনে করে যেন রিকশার ভেতরের যাত্রিটির দিকে চোখ গেল আহসানের।স্তম্ভিত হয়ে গেল সে।এ কি দেখছে সে?মানুষ নাকি পরী!গাড়ির হেডলাইটের হলুদ আলো মুখে পড়ায় যেন রূপ আরো বেশি খুলেছে মেয়েটার!আহসানকে অবাক করে দিয়ে ওদের গলিতেই ঢুকল রিকশা।বিস্মিত আহসান ধীরে ধীরে রাস্তায় নেমে আসল।বৃষ্টি ভালোই পড়ছে।ঠোঁটে প্রায় শেষ হয়ে যাওয়া জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে বৃষ্টির মধ্যেই হাঁটা ধরল সে।চারিদিক অন্ধকার।ওদের গলিটাও মোটামুটি লম্বা অনেক।এই অন্ধকার গলি সত্ত্বেও রিকশার হারিকেনের সুবাদে এর গতিপথটা চিনে নিতে পারছে আহসান।গলিটার শেষ মাথায় কয়েকটা বাড়ি আগেই রিকশা থামল।আরি!এটা তো রকিবদের বাড়ি।এই তো মেয়েটা রিকশা থেকে নামল।ভাড়া মিটিয়ে দিয়ে দ্রুত গেটের ভেতর ঢুকে গেল।মনে মনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল আহসান।রকিবদের বাড়িতে যখন থাকে তাহলে পরিচয় বের করা কঠিন কিছু হবে না।ভেজা সিগারেটটা ঠোঁট থেকে ফেলে দিয়ে একটা ম্যাঙ্গো ক্যাণ্ডি মুখের ভেতর চালান করে দিল সে।সিগারেটের গন্ধ ঢাকতে এইসব ক্যাণ্ডি বিশেষ উপকারী বস্তু।

-দোস্ত,প্রেমে পড়সি।পরদিন রকিবের রুমে ঢুকে প্রথম এই কথাটাই বলল আহসান।রকিব অবশ্য ব্যাপারটা পাত্তা দিল না তেমন।আহসানের এই ধরণের কথার সাথে সে অনেক আগে থেকেই পরিচিত।আহসান আরেকবার বলল,-মেয়েটা তোদের বাসায় ঢুকল দেখলাম।গতকাল সন্ধ্যার পর।
নড়েচড়ে উঠল রকিব।স্নেহার কথা বলছে মনে হয়।ও জিজ্ঞেস করল,-মেয়েটাকে কি কলেজ পড়ুয়া বলে মনে হয়েছিল?
-হ্যাঁ হ্যাঁ।ঐরকমই।আহসান উত্তর দিল।
-ওর নাম স্নেহা।আমাদের কলেজে পড়ে।ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে।এই মাসেই উঠেছে আমাদের দোতলায়।তুই তো প্রায় প্রতিদিনই আসিস বাসায়।দেখিসনি আগে?
-কি জানি!খেয়াল করিনি হয়ত।কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায় অন্ধকার রাস্তায় গাড়ির হেডলাইটের আলোতে ওর মুখটা দেখে চমকে ওঠেছিলাম।বৃষ্টি ছিল তখন।পুরো পরিবেশটাই ছিল অন্যরকম।
রকিব খেয়াল করল আহসানের চোখে মুখে অসাধারণ মুগ্ধতা।ও বলল,-মেয়েটা অবশ্য দেখতে আসলেই অনেক সুন্দর।
-দোস্ত,মেয়েটার সাথে আমার যোগাযোগ করিয়ে দে না প্লিজ।গতকাল থেকে আমার অবস্থা খুবই খারাপ।শুধু মনে হচ্ছে ও যদি আমার পাশে এসে বসত তাহলে নিজেকে প্রচণ্ড সুখী ভাবতে পারতাম।
-হইসে।আর ভাবের কথা বলতে হবে না।আমি নিজেও মেয়েটার সাথে কথা বলসি দুইএকবার মাত্র।তবে রুবার সাথে ওর আবার ভালো সম্পর্ক।ওকে বলে দেখা যেতে পারে।
-ও হ্যাঁ।রুবাও তো ফার্স্ট ইয়ারেই।তাহলে ওকে বলে দেখ না।ও হেল্প করবে না?
-সেটা তো আর আমি জানিনা।
-তুই ওকে আজকেই বল।পরে না হয় আমরা সবাই মিলে ভাবব স্নেহাকে ব্যাপারটা কিভাবে জানানো যায়।
একটু চুপ থেকে আহসান আবার বলে,আচ্ছা,রুবা আবার আন্টিকে বলে দিবে না তো?
-মনে হয় না।অবশ্য আমার ব্যাপার হলে নিশ্চিতভাবেই বলে দিত।তবে আমাদের বাসার সবারই যেহেতু তোর প্রতি একটা ভালো ইমপ্রেশন আছে,সে হিসাবে বলে দেয়ার কথা না।তারপরও একটুখানি রিস্ক তো তোকে নিতেই হবে।
আহসান কিছু বলল না।হঠাৎই গভীর কোন ভাবনায় ডুবে গেল।

পরদিন বিকালে রকিবের ফোন পেয়ে ওদের বাসায় চলে এল আহসান।কলিংবেল চাপতেই রুবা দরজা খুলে দিল।ওর ঠোঁটে মুচকি হাসি।আহসান ঘরে ঢুকতে ঢুকতে জিজ্ঞেস করল,-কিরে,কি খবর তোর?ওর কণ্ঠে অস্বস্তি।
-আমার খবর তো ভালোই।তোমার নামে এসব কি শুনি আহসান ভাই?রসিকতার ছলে জিজ্ঞেস করল রুবা।
চাপা গলায় আহসান বলল,-এই আস্তে বল।আন্টি শুনে ফেলবে তো?
রুবা হেসে বলল,-শুনবে না।আম্মু বড় আপার বাসায় গেছে।রাতের আগে ফিরবে না।
আহসান স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রকিবের ঘরের দিকে এগুলো।তার পিছু পিছু রুবাও আসল।রকিব কম্পিউটারে কি যেন করছে।আহসান ঘরে ঢুকতে ঢুকতে জিজ্ঞেস করল,কি করছিস?
রকিব মুখ না তুলেই বলল,-সিস্টেম সেট আপ দিচ্ছি।জুয়েলের পেন ড্রাইভ লাগিয়েছিলাম।ড্রাইভ ভর্তি ভাইরাস।শালা মনে হয়ে ভাইরাসের চাষ করে।বলেই চুপ করে গেল।রুবার সামনে গালি দেয়াটা ঠিক হয়নি।
রুবা এসব অগ্রাহ্য করে আহসানের দিকে তাকালো।আহসান খাটে বসেছে।রুবাও একটা চেয়ার টেনে বসল।তারপর আহসানের উদ্দেশ্যে বলল,-কাহিনী কি বল তো আহসান ভাই?তুমি নাকি স্নেহার প্রেমে পড়েছ?
আহসান একটু লজ্জা পেল বোধ হয়।কণ্ঠ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে বলল,-হ্যাঁ রে।ঘটনা সত্যি।এখন তুই একটা ব্যাবস্থা করে দে।
-হুম।ছোট বোন যখন হয়েছি তখন তো সাহায্য করতেই হবে।কিন্তু তুমি তো মনে হয় ওকে এখনো ভালো করে দেখোও নি।ওর সম্পর্কে কিছু জানোও না।তারপরেও এভাবে পাগল হয়েছ কেন?
-তা তো জানিনা রে বোন।তবে পাগল যে হয়েছি তা মিথ্যে নয়।আচ্ছা,তুই তো ওকে চিনিস।কেমন মেয়ে ও?আমাকে ওর সাথে মানাবে না?
-আমি যতটুকু চিনেছি তাতে ও খুবই ভালো একটা মেয়ে।তবে ভয়টাও ঐ জায়গাতেই।এত ভালো মেয়েরা কারো সাথে সহজে প্রেমে জড়ায় না।যেমন আমি।বলেই অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল রুবা।
রকিব মাঝখান থেকে বলে উঠল,-তুমি প্রেম কর না,তাইনা?দাঁড়াও না,একদিন শুধু ধরতে পারলেই হল।সোজাসুজি মায়ের কাছে খবর চলে যাবে।
-এ্যহ।এত্ত সোজা না।আমি যদি প্রেম করিও তবু তোমার যেই বুদ্ধি তাতে তুমি এর টিকিটিরও নাগাল পাবে না।
ভাইবোনের মধ্যে হঠাৎ একটা ঝগড়ার আভাস পেয়ে আহসান তা নিবৃত্ত করার চেষ্টা করল।
-আরে থাম থাম।এখন এসব নিয়ে কথা চালাচালি না করে আগে আমার ব্যাপারটা সমাধান করার চেষ্টা কর।
রুব বলল,-চেষ্টা যা করার তা তো করতে হবে তোমাকেই।আমি কেবল ওর মনোভাবটা জেনে তোমাকে জানাতে পারি।তবে আমার মনে হয় না ও এসব কিছুতে জড়াবে।তারপরেও তুমি ওকে বলতে পারো।তবে এখনই না।আমি ওর সাথে কিছু কথা বলি আগে।আমি গ্রীন সিগনাল দিলে তুমি এগুবে।তার আগে না।ঠিক আছে?
আহসান মাথা নেড়ে সায় দিল।রকিবকেও প্রবল বেগে মাথা নাড়তে দেখা গেল।

রুবার গ্রীন সিগনাল পাওয়া গেছে।আজ বিকেলে ওদের বাড়ির ছাদে স্নেহাকে আনা হবে।আহসান সেখাইনেই ওকে তার মনে কথা জানাবে।দুপুরের পরপরই আহসান এসে রকিবের রুমে বসে রইল।রুবা আর রকিব এখনো জানেনা আহসান স্নেহাকে ঠিক কিভাবে প্রপোজ করবে।আহসানকে জিজ্ঞেস করলে ও শুধু রহস্যময় ভঙিতে হাসে।রুবা শংকিত আহসান না আবার কোন গোলমাল করে ফেলে।তাহলে স্নেহার সাথে তার বন্ধুত্বটাও শেষ হয়ে যেতে পারে।
বিকাল পাঁচটা বাজতেই আহসান আর রকিব ছাদে উঠে গেল।আর রুবা গেল স্নেহাদের বাসায়।স্নেহাকে অবশ্য আহসানের ব্যাপারে সামান্য ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে রুবা।মেয়েটা তেমন ভড়কায়নি শুনে।অবশ্য সে দেখতে যেরকম সুন্দর তাতে আগেই দুয়েকটা প্রস্তাব পেয়ে থাকতে পারে।ভাবছে রুবা।স্নেহাকে নিয়ে যখন সে ছাদে উঠল আহসান আর রকিব তখন কোণায় ফুলের টবগুলির পাশে দাঁড়ানো ছিল।ওদেরকে দেখেই দুজন একটু নড়েচড়ে ওঠল।আহসানে বুকের ভেতর হাতুরি পেটার মত একটা অনুভূতি।সে বাইরে থেকে পকেটের উপর হাত রাখল।নাহ,জিনিসটা আছে জায়গামতই।একবার ওর হাতে দিতে পারলেই হয়ে যায়।স্নেহাকে নিয়ে রুবা ওদের সামনে এসে দাঁড়ালো।আহসানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল স্নেহার।তারপর ওদেরকে কথা বলতে দিয়ে দুই ভাইবোন সামান্য দূরে সরে গেল।

স্নেহাই প্রথমে কথা বলল।-আচ্ছা আপনি তাহলে রকিব ভাইয়ের বন্ধু।সেই হিসেবে তো আপনাকেও ভাই ডাকা উচিত।
আহসান এরকম একটা কথা আশা করেনি।একটু অপ্রস্তুত হয়ে বলল,
-কিন্তু আমি তো তোমার ভাই হতে চাই না।
-তাহলে কি হতে চান?
আহসান লক্ষ্য করল মেয়েটার মুখভঙি স্বাভাবিক।তাই কথাগুলি দুষ্টুমির ছলে বলা হচ্ছে কিনা তা ঠিক বুঝতে পারছে না।
সে বলল,,-তুমি বুঝনা কি হতে চাই?
স্নেহা বলল,-আমাকে বলা হয়েছে আপনি কিছু বুঝাবেন।তাই আমি নিজে থেকে কিছু বুঝতে চাচ্ছি না।
আহসান ছোট্ট করে বলল,-ও আচ্ছা।
কয়েকটা মূহুর্ত চুপ করে থেকে আহসান পকেট থেকে একটা সাদা রঙের টেনিস বল বের করল।স্নেহা সরু চোখে আহসানের হাতের বলটার দিকে তাকিয়ে আছে।আহসান বলটা স্নেহার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল,এটা নাও।
স্নেহা বলটা হাতে নিল।আহসান বলল,এটা উল্টে পাল্টে দেখো।কিছু একটা লেখা আছে।
স্নেহা দেখল বলের যে অংশটা পুরোপুরি সাদা সেখানে ইংরেজীতে নীল রঙে I LOVE YOU লেখা।সে খানিকটা হকচকিয়ে গেল।এমন ভঙিতে কেউ প্রেম নিবেদন করতে পারে তা ওর ধারণাতেই ছিল না।ওদিকে রকিব আর রুবাও কিছুটা অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে সেদিকে।টেনিস বলের ব্যাপারটা তারা ঠিক ধরতে পারছে না।
বলটার দিক থেকে মুখ তুলে স্নেহা বিস্মিত চোখে আহসানের দিকে তাকালো।আহসানের মুখে হালকা হাসি।
সে বলল,-অনেক কিছুই বলা যেত তোমাকে।ভালোবাসা,আবেগ কিংবা স্বপ্নের অনেক বিচিত্র সাধারণ কথা।কিন্তু সব কথার সারকথা তো একই।ভালোবাসি।তাই ভাবলাম এইটুকু কথাই একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপন করি।তোমাকে চমকে দিতে পারলে হয়ত তুমি আমার প্রতি সামান্য আকর্ষণ বোধ করতে পারো।তোমার চোখ-মুখ দেখে বুঝা যাচ্ছে যে তুমি চমকে গেছ খানিকটা।তবে আমি তোমাকে মুগ্ধ করতে পেরেছি কিনা তা ধরতে পারছি না।
স্নেহা ঠিক কি বলবে বুঝতে পারছে না।হঠাৎ করেই যেন তার শব্দভাণ্ডারে টান পড়ে গেল।অস্ফুট স্বরে কেবল বলল,-আমি আপনাকে পরে জানাই এ বিষয়ে?আমাকে একটু ভাবতে দিন!
-ভাবতে দিলাম।কিন্তু খুব বেশি সময় নিও না প্লিজ।আহসানের কণ্ঠে মিনতি।
-আমি তাহলে আসি এখন?যেন আহসানের অনুমতি প্রার্থনা করছে স্নেহা।আহসান ঘাড় কাত করে সম্মতি জানালো।স্নেহা ধীর পায়ে হেঁটে চলে গেল।স্নেহার চলে যাবার সময় আহসান লক্ষ্য করল মেয়েটার চোখে মুখে সামান্য হাসির আভা।দূর থেকে রকিব এবং রুবা এই দুইজনও ব্যাপারটা লক্ষ্য করল।

তারপর আর কি?আহসানের সাথে বিয়ের দিন পর্যন্ত স্নেহার মুখে সেই হাসির আভাটা বরাবরই অটুট ছিল।

আর বিয়ের পর?থাক,সে খবর আমাদের না জানলেও চলবে।।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:১৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×