নিগুঢ় আলিঙ্গনে আবদ্ধ দুটি শরীর
ধুক পুক করতে থাকা হৃদয়।
বাতাসে চুলের ঘ্রাণ,
থমকে যাওয়া সময়।
চারপাশে বিদায়ের করুণ সুর
বিমর্ষ, বেদনাহত একটি মুখ
অন্যটি অশ্রু টলমল
শেষবারের মতো হাতে হাত।
মৌন চাহনি।
চিনচিনে একটা ব্যথা
বিচ্ছিন্ন হওয়ার
শিরা থেকে শিরায়
হৃদয় হতে হৃদয়।
হঠাৎ হাত থেকে হাত ছেড়ে যাওয়া
থমকে থমকে ঘুরে দাঁড়ানো।
ধীর, ক্লান্ত পায়ে,
জীবন পথে পা বাড়ানো।
এক হৃদয় মেঘ
চোখের পাতা বৃষ্টি নিংড়ানো।
ফিরে ফিরে চাওয়া
পথ চলতে চলতে
বিদায়ের সেই ক্ষণ।
শেষ আলিঙ্গন!
...
সকালে কাজে যাওয়ার পথে দেখা একটা দৃশ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। লেখাটা লিখবার সময় ফাইরুজের নীচের গানটা শুনছিলাম। কন্ঠে এমন আবেগ আর কি প্রচন্ড রকমের ব্যাথা।
১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ সকালে হোটেলে নাস্তা করেছি। ইচ্ছা ছিলো ঘুম থেকে উঠবো ১২ টায়। কিন্তু এক ছাগলে অকারণে ফোন করে ঘুমটা নষ্ট করে দিয়েছে। রাতে যে মোবাইলের সাউন্ড বন্ধ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন