নিগুঢ় আলিঙ্গনে আবদ্ধ দুটি শরীর
ধুক পুক করতে থাকা হৃদয়।
বাতাসে চুলের ঘ্রাণ,
থমকে যাওয়া সময়।
চারপাশে বিদায়ের করুণ সুর
বিমর্ষ, বেদনাহত একটি মুখ
অন্যটি অশ্রু টলমল
শেষবারের মতো হাতে হাত।
মৌন চাহনি।
চিনচিনে একটা ব্যথা
বিচ্ছিন্ন হওয়ার
শিরা থেকে শিরায়
হৃদয় হতে হৃদয়।
হঠাৎ হাত থেকে হাত ছেড়ে যাওয়া
থমকে থমকে ঘুরে দাঁড়ানো।
ধীর, ক্লান্ত পায়ে,
জীবন পথে পা বাড়ানো।
এক হৃদয় মেঘ
চোখের পাতা বৃষ্টি নিংড়ানো।
ফিরে ফিরে চাওয়া
পথ চলতে চলতে
বিদায়ের সেই ক্ষণ।
শেষ আলিঙ্গন!
...
সকালে কাজে যাওয়ার পথে দেখা একটা দৃশ্যের উপর ভিত্তি করে লেখা। লেখাটা লিখবার সময় ফাইরুজের নীচের গানটা শুনছিলাম। কন্ঠে এমন আবেগ আর কি প্রচন্ড রকমের ব্যাথা।
চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত । ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না। যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন