somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজয়ের ৪০ বছর ফেলানীর লাশ এবং আমাদের বিভক্তি

২১ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাটি হাটি পা পা করে স্বাধীন বাংলাদেশ তার ৪০ বছরে পা রেখেছে। এই ৪০ বছরের পাওনা এবং না পাওয়ার অনেক হিসাব আমাদের খেরো খাতাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করছে। বিভক্তি আমাদের রক্তরে সাথে মিশে আছে সেই ১৭৫৭ সাল থেকে যখন ক্ষমতার প্রশ্নে দেশের স্বধীনতাকে ১৯০ বছরের জন্য লিজ দিয়েছিলাম সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠি ইস্ট ইন্ডিয়ার কাছে , যারা আমাদের পূর্ব পুরুষদের শিখিয়েছে কিভাবে ব্যবসা করতে হয়। সেই বণিকদের কাছে আমরা শিখেছি সূর্যাস্ত আইন, পাশ্চিমা শিক্ষা, কিভাবে সাহেব হতে হয় ইত্যাদি সহ আরও কত কিছু। এ দেনা তো কখনো পরিশোধের নয় । তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছে তারা হয় তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছে অথবা তাদের জীবনকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে । আজ আমরা সেসব ইতিহাস শুধু ইতিহাসের পাতা ঘেটে স্মৃতিতে নিয়ে আসি। ভেবে দেখার সময় পাই না কারন বহমান আধুনিক কালে প্রতিপক্ষ কে তাকে কিভাবে ঘায়েল কারা যায় এভাবেই আমাদের মূল্যবান সময়গুলোকে আমরা বিলিয়ে দেই । সম্প্রতি কিশোরী ফেলানী হত্যাকান্ডের পর আমাদের পরম ভারত বান্ধব সরকারের কোন প্রতিবাদ না আসায় ব্লগে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। চমকের পররাষ্ট যখন বাফার স্টেটের সংজ্ঞাই জানেন না তখন তার কাছ থেকে এর চাইতে বেশী কিছু আশা করাটাই বোকামি। আর এর প্রতিবাদে যখন মানব বন্ধন হয় তখন তাকে রাজনৈতিক লেবেল লাগিয়ে আবার ও বিতিৃকত করার বিশাল প্রচেষ্টায় আমরা রাতের ঘুম হারাম করে ফেলি। কখন ও এটা ভাবি না একটা প্রতিবাদ আরেকটা অন্যায় করতে বাধা প্রদান করে। বলা হয় বিএসএফ মাঝে মাধ্যে তাদের হাতের নিশানা ঠিক রাখার জন্য গুলি করে মানুষ মারে। আর এভাবে ই চলছে আরও অনেক কাল চলবে কারন আমরা তো কখনোই একতা বদ্ধ নই। আর এর সুযোগ তো বর্তমান বিশ্বের ভারতমাতারা তো নিতেই পারে। ৪০ বছর অপেক্ষা করেছে শুধুমাত্র একটা করিডোরের জন্য আর আমরা আজও মানব বন্ধন নিয়ে.........
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×