somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজকের গুগল ও পুরকৌশল বিজ্ঞানী ফজলুর রহমান খান

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে যারা গুগলে যাচ্ছেন, তারা এই ছবি দেখছেন, আর দশটা দিনের মত একটা সাধারণ ছবি মনে করেই চলে গেছেন। এই আর এমন কি ছবি? এক লোক একটা বিল্ডিং বানাচ্ছে এইতো?
ফজলুর রহমান খান নামের এক ব্যক্তি ১৯৪৪ সালে আরমানিটোলা স্কুলে পড়ালেখা শেষ করে ভর্তি হন পশ্চিমবঙ্গের শিবপুরের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। বেঁধে গেল বড় দাঙ্গা। চলে এলেন ঢাকায়। ভর্তি হলেন আহসান উল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ - আজকের বুয়েটে। দুই কলেজের মিলিত রেজাল্টে সমগ্রবঙ্গে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম, সালটা আজকের ২০১৭ নয়, ১৯৫২ সাল। ফুল ব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে চলে গেলেন আমেরিকায়, ইলিয়ন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করে আহসান উল্লাহ কলেজের স্থাপত্য বিভাগে প্রভাষকে যোগ দেন। কিছুদিন শিক্ষকতা শেষে আমেরিকায় চলে যান।
তার হাত ধরে আসে শিকাগোর সিসার্স টাওয়ার, মক্কার কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়, জেদ্দা বিমানবন্দরের হজ্ব ক্যাম্প।
গল্পের শেষ এখানেই নয়, বরং শুরু। উনার উদ্ভাবিত একটা পদ্ধতি ছিল Tube in Tube. এই পদ্ধতি বলে উনি খুবই কম খরচে কিভাবে সুউচ্চ ভবন তৈরি করা সম্ভব সেটা নিয়ে গবেষণা করে দেখিয়েছিলেন। ফলে একের পরে এক সুউচ্চ টাওয়ার আজ বিশ্বব্যাপী আমরা দেখি, বুর্জ খলিফা, পেট্রোনাস টাওয়ার, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ইত্যাদি ইত্যাদি। আমরাও স্বপ্ন দেখি, পূর্বাচলে এমন বিল্ডিং হবে ( কথাবার্তা চলছে )।
এত সুউচ্চ বিল্ডিং এর নির্মানের প্রথম সূত্র ছিল ফজলুর রহমান খানের। অল্প ভাষায় যাকে এফ আর খানের সূত্র বলে। এই এক সূত্র তাঁকে এনে দিয়েছে বিংশ শতাব্দির সেরা স্থাপত্য ও পুরকৌশলীর সম্মান, আর বিশ্বকে দিয়েছে একের পরে এক সুউচ্চ ভবন।
১৯৮২ এর ২৭ মার্চ, ৫৩ তম জন্মদিনের মাত্র ৬ দিন আগেই মৃত্যুবরণ করেন এফ আর খান।
আজ ৩ রা এপ্রিল, ১৯২৯ সালে মাদারীপুরে জন্ম নেন, বিংশ শতাব্দির সেরা স্থাপত্য ও পুরকৌশল বিজ্ঞানী ফজলুর রহমান খান, তথা এফ আর খান, যার স্মৃতিচারণে গুগলের এই ছবি
, যেখানে বিল্ডিংটি সিসার্স টাওয়ার, এককালে যেটা অনেক লম্বা সময় ধরে পৃথিবীর সুউচ্চ বিল্ডিং এর খেতাব ধরে রেখেছিল, আর সামনে এরা পেছনের মূল স্থাপত্য কারিগর এফ আর খান।

তথ্যসুত্রঃ শেখ মোহাম্মাদ
লিংকঃ http://www.facebook.com/S.TauhidSiddique

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি মুমূর্ষু কবিতা

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:১১



আমি আর কবিতা লিখব না বলেও
লিখে ফেলি একটি মুমূর্ষু কবিতা–
জন্ম নেয়ার আগেই যারা অবিরাম
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে, লাথি মারছে
পদ্যের চিরায়ত চোয়ালে !
পঙক্তিতে পঙক্তিতে পথ হেঁটে
প্রচণ্ড পিপাসায় আমি পান করি
কবিতার স্নিগ্ধ জল; আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ এসেছে শরৎ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩১



শরৎ-প্রাতে শিউলি ঝরা ক্ষণে
দিবাকর ছড়ায় হাসি।
দিঘির জলে রক্তিম পদ্ম
ফুটেছে রাশি রাশি।

ছাতিম গাছের নিভৃত নির্জনে
সবুজ পাতার ঘ্রাণ।
সুখ আহ্লাদে ডাকছে নিসর্গ
উচাটন মন প্রাণ। 

স্নিগ্ধ  বাতাস দোলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইনকা চিপা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৬


এখন পর্যন্ত জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত ছিল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে ঢাকা ছেড়ে বাড়িতে চলে আসা। যে সময়ে শ্রেণীকক্ষে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান করার কথা, সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×