আজকের ঢাকার অবস্থা এমন কেনো? যেখানে স্কুলের ছেলেমেয়েরা আজ রাজপথে আন্দোলন করছে আর পুলিশ তাদের উপর লাঠিচার্জ করছে!অন্যদিকে কোটা আন্দোলন তো চলমান...
মিরপুরে একজন ছাত্রের মাথা ফাটিয়ে এখন হাসপাতালে। সে এই দেশ সম্পর্কে কি ধারনা পাইল? আজকে যে ছেলেমেয়ের স্কুলে ক্লাস করার কথা ছিল তারা রাজপথে বাসে আগুন দিতে বাধ্য হচ্ছে। কেনো এই অবস্থা দাড়াইলো আজ?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেক ব্যস্ত আছেন তার এসব নিয়ে কথা বলার সময় কম। উনি স্যাটেলাইট উপগ্রহের নামকরন নিয়ে ব্যস্ত আছেন। আর নৌমন্ত্রী আপাতত দুঃখিত বলে পাশ কেটে যাচ্ছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিহতের বাসায় গিয়ে সমাবেদনা জানায়ে আসছে আর গুটিকয়েক আশার বানী শোনাইলেন সাংবাদিক তথা আমাদের। একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম, ড্রাইভার হেলপার কে গ্রেফতার করা হইছে গতকাল। এই কার্য কিন্তু র্যাব করেছে, পুলিশ আন্দোলন এর চাপে ব্যস্ত ছিল।
নৌমন্ত্রীর এর আগেও যেসব কথা বলেছেন তা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এর আগে একবার হুট করে বলে বসেছিলেন,গরু মুরগী না মারলেই হইলো। আর সেদিন বললেন,ভারতে নাকি ৩৩ জন রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে তাতে নাকি এত চিল্লাচাটি হয় নাই! মন্ত্রী সাহেব তথা অনেকেই কিছু হইলেই ভারতের সাথে তুলনা করেন, কেনো মালদ্বীপ, মালোয়শিয়ার সাথে তুলনা করতে এত ভয় পান কেনো?
আসলে আমার মনে হয়, এক বিরোধীদলের দূর্বল ভুমিকার কারনে আজ সব আন্দোলনই কেনো জানি কর্পূরের মত ধীরে ধীরে হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। যদিও এসবে আন্দোলনে উহাদের ভুমিকা কম ছিল। উনাদের ব্যার্থতার ফলাফল আজকের এই অবস্থা!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি এসে এই কোমলমতি ছাত্রদের স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। আপনি যেরকম বিএনপির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেছেন ঠিক তেমনই ভাবে এই তথা কথিত কোটাধারী মন্ত্রীদের ব্যবস্থা নিন। একদিন এরাই আপনার গলার কাটা হয়ে ঝুলবে তখন না পারবেন ঢোক গিলতে না পারবেন ফেলে দিতে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


