somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বর্গীয় প্রেতাত্মা

২৯ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.স্বপ্নীল ভোর,পাখিরা বিচিত্র ভাষায় কিচিরমিচির করে সূর্যোদয়কে স্বাগত জানাচ্ছে । আধুনিক সভ্যতার কাণ্ডারিরা জেগে উঠতে শুরু করেছে । চারদিকে শীতল একটা পরিবেশ বিরাজ করছে । এমনি এক ভোরে অফ হোয়াইট রঙের চমৎকার ডুপ্লেক্স বাড়িটার সামনে দাঁড়িয়ে রহমান সাদিক সাহেবের মনের মধ্যে দারুণ আনন্দের এক ঘোর তৈরি হলো । আশৈশব এমন একটি বাড়ির স্বপ্নই দেখে এসেছেন তিনি । গতকাল সাভারের ছায়াঘেরা এই বাড়িটিতে স্ত্রী,পুত্র ও পুত্রবধূ নিয়ে উঠেছেন । ব্যাংকে বেশ বড় অঙ্কের টাকা জমেছিল । সেই টাকার কিছু নিয়ে তিনি এই বাড়ির প্লটটা কিনেছিলেন আজ থেকে প্রায় ৮ বছর আগে । বাকি টাকা দিয়ে তিনি শেয়ার ব্যবসা করেছেন । বাড়িটার ওপর তলায় তিনটা শোবার ঘর আর একটা স্টাডিরুম । নিচে অনেকটা জায়গা জুড়ে বসার ঘর । দামি দামি সোফার একপাশে ডাইনিং টেবিল,অন্যপাশে আরেকটি শোবার ঘর যা মূলত অতিথিদের জন্য । রহমান সাহেবের ছেলে মশিউর রহমান একজন ডাক্তার,পড়াশোনা করেছেন এক বেসরকারি মেডিকেল কলেজে । সেখান থেকে এমবিবিএস শেষ করে এফসিপিএস করেছেন মাদ্রাজের একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে । বর্তমানে তিনি একজন বিশেষজ্ঞ কার্ডিওলজিস্ট,কর্মরত আছেন ডিভাইন কার্ডিয়াক হাসপাতালে । বিয়ে করেছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিকা মুন্নিকে । মুন্নি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করে সম্প্রতি সাভার সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন ।

রাত পৌনে ১টা । মশিউর বরাবরের মত আজও তার শোবার ঘর লাগোয়া স্টাডিরুমের ইজিচেয়ারটায় বসে পড়াশোনা করছেন । মুন্নি সামনে এসে জিজ্ঞেস করলো, ‘অ্যাই,তোমার কিছু লাগবে ? আমি ঘুমুতে যাচ্ছি ।’

‘না,তুমি শুয়ে পড়ো । আমার একটু দেরি হবে ।’

মুন্নি পিছন দিকে একটু ঝুঁকে মশিউরের কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বলল , ‘সত্যি তো ? ভালোভাবে আমার দিকে চেয়ে দেখো তো কিছু লাগবে কি না !’

প্রচ্ছন্ন আবেদনটা অগ্রাহ্য করার মতো না । ঘুম ঘুম চোখে নান্দনিক মাদকতায় মুন্নিকে এই মুহূর্তে যেকোনো সময়ের চেয়ে অপূর্ব লাগছে । জৈবিক তাড়নায় মশিউরের ভিতরটা আস্তে আস্তে রোমান্টিক হতে চেষ্টা করছে । এমন সময় দরজায় প্রবল করাঘাত স্বামী-স্ত্রীর মধুর সময়ের ব্যাঘাত ঘটাল ।

‘বাবু,দরজা খোল । তোর বাবা যেন কেমন করছে !’ আর্তনাদ করে উঠলেন রহমান সাহেবের স্ত্রী সালমা বেগম ।

তিনজন দৌড়ে রহমান সাহেবের শোবার ঘরে গেল । তিনি বিছানায় বসে পানি খাচ্ছেন । পুরো চেহারায় অস্বস্তির ছাপ খুব স্পষ্ট ।

‘বাবা,কী হয়েছে ?’ মুন্নি শ্বশুরের গায়ে হাত রাখলো ।

‘তেমন কিছু না মা। দুঃস্বপ্ন দেখে ভয় পেয়েছি । যাও,তোমরা ঘুমুতে যাও । আমি এখন ভালো বোধ করছি ।’

‘কী স্বপ্ন দেখেছ বাবা ?’ ছেলে ক্ষীণস্বরে জিজ্ঞেস করলো ।

‘বলতে ইচ্ছে করছে না । তোমরা এখন যাও ।’

তারা চলে যাওয়ার পর রহমান সাহেবও স্ত্রীর পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলেন । একটু পরেই আবার ধড়মড় করে উঠে বসলেন । একই স্বপ্ন তিনি আবার দেখেছেন । প্রচণ্ড ভয়ের অনুভূতি কাজ করছে এখন তার মধ্যে । খুব একাকিত্ব বোধ করছেন । স্ত্রীকে জাগাতে ইচ্ছে করছে না,তিনি বেঘোরে ঘুমুচ্ছেন । বারান্দায় খানিকক্ষণ পায়চারি করে আবার ঘুমুতে গেলেন । খানিক বাদে আবারও সেই একই স্বপ্ন দেখে জেগে উঠলেন । কেন যেন তার মনে হলো বাড়িটিতে একটি অশরীরী আত্মা ভর করেছে । ভাবতেই ভয়ের একটা শীতল স্রোত বুকের ভিতর অনুভব করলেন । পুরো ব্যাপারটাকে এক ধরনের হ্যালুসিনেশান ধরে তিনি মনে মনে বললেন , ‘সাদিক,তুমি যা স্বপ্নে যা দেখেছ সব মিথ্যা । তুমি একজন সুখী মানুষ । গত কিছুদিনের শারীরিক-মানসিক উত্তেজনার দরুন তোমার মস্তিষ্কের নিউরনে অনিয়ন্ত্রিত অনুরণন ঘটছে । তুমি একটু হাসো,দেখবে সব ঠিক হয়ে গেছে।’

রহমান সাহেব একটা কমিকসের বই নিয়ে কিছু না পড়েই মৃদুস্বরে হাসতে লাগলেন । অনর্থক হাসার ব্যাপারটা বুঝতে পেরে তিনি খানিকটা লজ্জিত হলেন । বইটা রেখে টেবিলে রাখা গ্লাসের পুরোটা পানি খেয়ে তৃপ্তির এক নিঃশ্বাস ছাড়লেন । তারপর তিনবার ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে ঘুমুতে গেলেন । ঘণ্টাখানিকের মধ্যেই তিনি হড়বড় করে বিছানায় বসে পড়লেন । আগের স্বপ্নটাই আবার দেখেছেন । এবার আরও ভয়ানক । তিনি বিপন্ন বোধ করতে লাগলেন । চোখের কোলজুড়ে ভয়ের চিহ্ন । তিনি না ঘুমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বপ্নটা পুরোপুরি মনে করার চেষ্টা করলেন।

কতগুলো শিশু যাদের চোখজোড়া ভয়ংকর হিংস্র প্রকৃতির,রহমান সাহেবকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে । তারা যতই কাছে আসছে ততই তাদের পুরো অবয়ব হিংস্র থেকে হিংস্রতর হচ্ছে । একটা কুৎসিত চাহনি নিয়ে তারা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে । বিরাট আকৃতির কতকগুলো ধারালো নখ প্রবল ক্ষিপ্রতায় তাঁর শরীরটাকে ছিঁড়ে ক্ষত-বিক্ষত করছে । তিনি অস্ফুট আর্তনাদ করে উঠতেই তারা একত্রে বলে ওঠলো , ‘আমার চকলেটগুলো দে,আমার টিফিনটা ফেরত দে,আমার আইসক্রিমটা দে । নয়ত তোকে আজ মেরে ফেলব ।’ বলেই তারা একত্রে তাঁর গলা চেপে ধরলো । স্বপ্নের ঠিক এই সময়টায় প্রচণ্ড ভয়ে তাঁর ঘুম ভেঙে যায় ।



২.প্রথম দুপুরে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নেমেছে নেত্রকোনা শহরের বুকে । মাশুক হাতে কতগুলো কাগজ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছোটবাজার এলাকার বকুলের চায়ের দোকানে । এলোমেলো চুল,আকামানো দাড়িতে রোগাটে চেহারাটায় এক অদ্ভুত বিষণ্নতার মেঘ জমে আছে । চায়ে চুমুক দিতে দিতে সে বৃষ্টি পড়া দেখছে । বৃষ্টির ছাঁট মাঝে মাঝে গায়ে বুলিয়ে দিচ্ছে শীতল পরশ । এই অসময়ে বৃষ্টি আসাতে সে খুব বিরক্ত হলো । আজ তার অনেক কাজ । পাভেলের সাহায্যার্তে দত্ত হাই স্কুলের হেডমাস্টার সোহেলী বেগমের সাথে তার দেখা করার কথা । পাভেল মেডিকেল কলেজের ছাত্র । সে দূরারোগ্য অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া রোগে আক্রান্ত । চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকা দরকার যা পাভেলের বাবার পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয় । অত্যন্ত মেধাবী এই ছেলেটির ঘনিষ্ট বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তুখোড় ছাত্র তন্ময় । মাশুক তন্ময়ের সহপাঠী । প্রখর তেজোদীপ্ত তরুণ,গান-কবিতা নিয়ে সারাক্ষণ মাতামাতি করে আর সমাজ বদলে দেবার চিন্তা করে । তন্ময়ের কাছ থেকে শুনে মাশুক পাভেলের জন্য ফান্ড গঠন করার পক্ষে মত দেয় । আসন্ন গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে যার যার এলাকায় গিয়ে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য নিয়ে পাভেলকে বাঁচানোর দৃপ্তশপথ নেয় তন্ময়ের সব বন্ধুরা । পয়লা জুনের আগেই সবাই সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে । মাশুক নেত্রকোনার দায়িত্ব নিয়েছে । যেভাবেই হোক পাভেলকে বাঁচাতে হবে । যে হবে ভবিষ্যতের মানুষ বাঁচানোর কারিগর,তার জীবনই আজ বিপন্ন । সে শুধু টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে পারে না – কিছুতেই না । ভাবতে ভাবতেই বৃষ্টি পুরোপুরি থেমে গিয়ে সূর্যদেবের হালকা কিরণছটায় উদ্ভাসিত হলো রাস্তাঘাট । দত্ত স্কুলের ভিতরে ঢুকে সে সোজা চলে গেল প্রধান শিক্ষকের কক্ষে । সোহেলী বেগম সবকিছু শুনে মাশুককে সর্বপ্রকার সাহায্য দেয়ার অঙ্গীকার করলেন । পরম মমতায় মাশুকের পিঠে হাত বুলিয়ে বললেন , ‘বাবা শোনো,তুমি আমাদের এলাকার ছেলে । তোমার বন্ধুকে তো অবশ্যই বাঁচাতে হবে । সবাই তোমার বন্ধুকে সাহায্য করবে । তুমি আমার সাথে এখন সব ক্লাসরুমে চলো । আগে আমরা যাব প্রাইমারি শাখায় ।’

ঠিক এই মুহুর্তে মাশুকের চোখে নোনা জলের আনাগোনা শুরু হলো । অশ্রুসিক্ত চোখে সে বললো , ‘ম্যাডাম,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।’

তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসে প্রচণ্ড চিৎকার-চেঁচামেচি হচ্ছে । শিক্ষক পড়াচ্ছেন,কিন্তু বাচ্চাদের সেদিকে যেন ভ্রুক্ষেপ নেই । বিচিত্র ভঙ্গীতে তারা আওয়াজ করে চলেছে । সোহেলী বেগম ক্লাসে ঢুকে কোনোরকম ভূমিকা না করেই সরাসরি বললেন , ‘বাচ্চারা শোনো,কাল তোমরা সবাই টাকা নিয়ে আসবে । তোমাদের বাবাকে বলবে এক ভাইয়া অসুস্থ,তাকে বাঁচাতে টাকা লাগবে । ঠিক আছে ?’

সামনে বসা শান্ত যার আরেকটি নাম হলো ‘দুষ্টের হাড্ডি’ এবং যার নামকরণকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে ভুল নামকরণ – সে দাঁড়িয়ে বললো , ‘আমি আনতে পারব না আপা । বাবা ৫ টাকার বেশি কোনোদিন দেয় না । মরে গেলেও কাজ হবে না ।’

‘তাহলে সেই ৫ টাকাই দেবে,বুঝেছ ?’

‘বাবা তো এই টাকা দেয় চকলেট খাওয়ার জন্য । যদি শোনে আমি অন্য কাউকে টাকা দিয়েছি,তো আমাকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে ফেলবে !’

মাশুকের খুব হাসি পেল । ম্যাডাম বললেন, ‘তুমি বেশি পেকে গেছ । ঠিক আছে,তোমার দেয়া লাগবে না । বাকিরা সবাই টাকা নিয়ে আসবে,কেমন?’

এই সুযোগের অপেক্ষায়ই বোধহয় বাচ্চারা ছিল । একে একে সবাই বিপুল উদ্যমে শান্তকে অনুকরণ করা শুরু করলো । কারও প্রতিদিন টিফিন না খেলে পেটে পোকা হয়,কারও আইসক্রিম না খেলে পড়া ভুলে যায়,কারও চকলেট না খেলে মাথা ঘোরায় ইত্যাদি অদ্ভুত সব টাকা না দেবার অজুহাত । একেকজন বলে আর অন্যরা সবাই হেসে গড়িয়ে পড়ে । কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের কাছে এটা একটা খেলায় পরিণত হলো । সোহেলী বেগম কিছুটা হতাশ হয়ে বেরিয়ে আসলেন । বাচ্চাগুলোর কাণ্ড দেখে মাশুক অবশ্য বেশ মজা পেল । তারা এরপর অন্য ক্লাসগুলোতে গিয়ে সবাইকে পরদিন টাকা আনতে বললেন ।

সবাইকে অবাক করে দিয়ে শান্ত আর তার ক্লাসের সব বন্ধুরা পরদিন ১০ টাকা করে জমা দিলো শ্রেণিশিক্ষক শায়লার হাতে । খবর পেয়ে মাশুককে নিয়ে সোহেলী বেগম তাদের ক্লাসে হাজির হলেন । ক্লাসের সবচেয়ে শান্ত মেয়ে বর্ণা বলল,

‘আপা,শান্ত আমাদের সবাইকে গতকাল বলেছে টাকা নিয়ে আসতে । তাই আমরা সবাই টাকা নিয়ে এসেছি । ৫ টাকা করে দিলে তো ভাইয়া ভালো হবে না,তাই না ? আমরা তাই ১০ টাকা করে নিয়ে এসেছি । আমরা আজ কেউ কিছু খাব না । আমাদের টাকায় ভাইয়া সুস্থ হবে না ?’

সোহেলী বেগম চোখের পানি কোনোমতে আটকালেন । সামনে বসা বর্ণার মুখটা গভীর মমতায় ছুঁয়ে বললেন, ‘অবশ্যই মামণি।’

শান্ত বলল, ‘আপা,আজ আমাদের ছুটি দিয়ে দেন !’

তার কথা শুনে সবাই প্রচণ্ডভাবে হাসতে লাগল ।

এভাবে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ থেকে মাশুক টাকা সংগ্রহ করে বেশ বড় একটা অঙ্ক দাঁড় করালো । তারপর সেটা পাভেলের বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিলো ।

৩.সকালে মার আর্তচিৎকারে মশিউর-মুন্নির ঘুম ভাঙল । রহমান সাদিক সাহেব মারা গেছেন । সালমা বেগম সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন মেঝেতে তার স্বামীর লাশ । তার গলার ধারে বেশ কিছু ক্ষত । ডান হাতের আঙুলে একটা কলম ঝুলে আছে । টেবিলের ওপর একটা চিরকুট পাওয়া গেল । সেখানে খুব স্পষ্ট করে লেখা –

‘আমি অনুভব করছি কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যাব । পাভেল,তুমি আমার কবরের এপিটাপ লিখবে ‘লোভে পাপ,পাপে মৃত্যু’ । আমি এতে খুব খুশি হব ।’

মশিউর রহমানের ডাকনাম পাভেল যা কদাচিৎ ডাকা হয় । তিনি চিরকুটটা হাতে নিয়ে দ্রুত পকেটে ভরলেন । তারপর বাথরুমে গিয়ে ছিঁড়ে কুটিকুটি করলেন ।

বাবার মৃত্যুর দুদিন পর মাঝরাত্রে মশিউর রহমান একটা ভয়ানক দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়মড় করে বিছানায় উঠে বসলেন । স্বপ্নটা অনেকটা এ রকম -

কতগুলো শিশু যাদের চোখজোড়া ভয়ংকর হিংস্র প্রকৃতির,তাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে................
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×