somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কৈশোর: সালমান শাহর সিনেমা ও শাস্তি

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সবে ক্লাস ফোরে উঠেছি । দুষ্টুমির এমন কোনো ক্ষেত্র নাই যেখানে আমার বিচরণ নাই । ভালো ছাত্রদের সাথে তেমন একটা মিশি না । যারা আমার প্রকৃত বন্ধু যেমন সোহেল,রিপন,নান্টু,কাজল,সুবীর,রঞ্জন,সজল---তারা কেউ পড়ালেখার ধারেকাছে ঘেঁষে না । তাদের নিয়ে সারাদিন মাতামাতি করি । তারা মাঝে মাঝে দারুণ সব খবর দেয় । কার ক্ষেতের মুলা/টমেটো পেকেছে,কার বাড়ির আম-লিচু-বড়ই-পেয়ারা-গোলাপজাম-জাম্বুরা বড় হয়েছে,কলাগাছের ভেলা বানাবার জন্য কাদের বাড়ির কলাগাছ ভোরবেলায় কেটে আনতে সুবিধা হবে,গাঙে কে কোথায় 'বাইড়' (চাঁই) পেতেছে ইত্যাদি ইত্যাদি । বন্ধুদের মধ্যে দুই জন একদিন সিনেমা হলে অনেক বড় টিভিতে ছবি দেখে এসেছে এই তথ্য পাওয়ার পর থেকে আমার রাতের ঘুম হারাম হবার জোগাড় । তারা সারাক্ষণ সিনেমা হলের গল্প করে বেশ গর্বিত ভঙ্গিতে । আমি কখনো দেখিনি বলে নিজেকে ছোট ছোট লাগে । এক সকালে আব্বার পকেট থেকে জীবনে প্রথম ও শেষবারের মতো ১০ টাকা চুরি করলাম । স্কুল ফাঁকি দিয়ে এক দোকানে বই রেখে আসলাম । বাজার থেকে বাসে উঠলে কেউ দেখে ফেলতে পারে বলে সামনের এক মোড়ে গিয়ে চার বন্ধু উঠলাম । গন্তব্য কেন্দুয়ার 'সাথী সিনেমা হল'---সেখানে চলছে সালমান শাহ্‌-অভিনীত 'স্বপ্নের ঠিকানা' । টিভিতে দেখেছি তিনি বিভিন্ন ছবিতে নায়িকার সাথে বেশ তাড়াতাড়ি ভাব জমিয়ে ফেলেন যা দেখতে ভালো লাগে,তাঁর স্টাইলও বেশ সুন্দর । তবে রুবেল তখন আমাদের স্বপ্নের নায়ক । বিভিন্ন ছবিতে তাঁর বিচিত্র ঢঙের মারামারি দেখে আমরা স্বর্গীয় সুখ পাই । আমাদের তখন কোনো সন্দেহ নাই যে রুবেল বিশ্বের সেরা নায়ক ।



যাহোক,আমরা ছোট মানুষ---এই অজুহাতে বাসে যাওয়া-আসায় আট আনা করে ভাড়া দিয়েছি । ছবি দেখতে ৭ টাকা লাগে । বাকি দুই টাকা দিয়ে পুরি খেয়ে সিনেমা হলে ঢুকলাম । এত বড় টিভি দেখে চোখ ছানাবড়া । এ কী দেখলাম ! এ আমি কী দেখলাম !! আমার খুশি তখন সপ্তম স্বর্গে । বিস্ময়চোখে ছবি দেখা শেষ করে স্কুল ছুটির ঘণ্টাদুয়েক পর বাড়ি ফিরে আসলাম । খেলাধুলা করে ফিরেছি ভেবে আম্মাও কিছু বলেননি । কিন্তু সন্ধ্যার পর কাহিনি অন্যদিকে গড়াতে শুরু করল । আব্বাকে শুনলাম চেঁচামেচি করতে করতে বাড়িতে আসতে । এসেই রাগী এক চেহারা নিয়ে আমার দু'হাত শক্ত করে ধরলেন,ভয়ে আমার অন্তরাত্মা শুকিয়ে গেল । এমন অবস্থা হবে জানলে দুঃস্বপ্নেও 'স্বপ্নের ঠিকানা' দেখতে যেতাম না । আব্বার কাছ থেকে সব শুনে আম্মা স্তব্ধ হয়ে বসে পড়লেন । আর আমি শুধু ভাবছি আব্বার কানে কী করে খবরটা গেল । চাচাতো ভাই,ভালো ছাত্র শহীদুলকে সন্দেহ করলাম,কেননা তাকে তো নিয়ে যাইনি । সত্যি এমনটা হলে ওর কপালে কী কী দুর্গতি আছে তাও একটু ভাবলাম । এদিকে আব্বা 'সহ্যের সীমা ছাড়ায়া গেসে' বলে রাগে গজগজ করে বেতের খোঁজ করতেই আপা পুলকমনে বেত এগিয়ে দিলো । আগে কোনোদিন আব্বা মারেননি ঠিক,কিন্তু আজ বোধহয় রক্ষা নাই । হাতে বেত নিয়ে আব্বা যেই মারতে উদ্যত হলেন,অমনি তাঁর হাতে টান পড়ল । তিনি ব্যথায় কঁকিয়ে উঠলেন , 'হাসি,আমার হাতটা ধরো,হাতটা ধরো !' হাসি মানে আম্মা তখন হাসতে হাসতে আব্বার হাতটা ধরলেন । আব্বার অবস্থা দেখে সবাই হাসতে লাগল । পরিস্থিতি যথেষ্ট অনুকূল ভেবে আমিও হাসতে লাগলাম । কিন্তু আব্বা করলেন কি,আমাদের যম রউফ ভাইয়াকে (চাচাতো ভাই----বর্তমানে পিজি হাসপাতালের ডাক্তার) খবর দিলেন তাঁর অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য । বেত তখন আরও একটা যোগ হয়েছে । এর মধ্যে জেনে গেলাম আব্বার কানে শহীদুলই খবরটা দিয়েছে । যাহোক,দুইটা বেত দিয়ে হাতে-পিঠে ভাইয়া কী মার যে দিলো ! এই মারের ফল হলো,সিনেমা হলে পরের ছবিটা দেখতে ওই বছরের রোযার ঈদ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে । কাউকে সাথে নিয়ে যেতে ইচ্ছে হয়নি । ছবির নাম 'আদরের সন্তান' ।



আব্বা কোনোদিন আমার গায়ে হাত তুলতে পারেননি । যে সুযোগটা একবার পেয়েছিলেন,সেটা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়াতে আমাকে দ্বিগুণ মার খেতে হলো । মনে মনে একটু পরপর 'শহীদুইল্লা'রে পানির নিচে চুবিয়ে মেরে ফেলছি । ভালো কথা,আমার শাস্তি কিন্তু তখনো শেষ হয়নি । বিভিন্ন কারণে আম্মার হাতে প্রায় প্রতিদিনই মার খেতে হয় এবং এটা আবার নিয়তি ভেবে ভুলে যেতেও সময় লাগে না । কিন্তু এটা তো যেই-সেই কিছু না,রীতিমতো সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখার মতো ভয়ংকর অপরাধ !!! তো এত বড় একটা উপলক্ষে আম্মা কোনো ধরনের শাস্তি দেবেন না,তা কি হয় কখনো ! আম্মার শাস্তি হলো গোসল করতে হবে । শীতের সেই রাতে গোসল ! সম্ভবত গোসল না করলে এই পাপ কিছুতেই মোচন হবে না । খুশিমনেই গোসল সারলাম,কারণ এর চেয়েও বড় শাস্তি হতে পারত ।

খাওয়ানোর বেলায় আম্মার আদর বরাবরই উপচে পড়ে । আমাকে ছাড়া তিনি ভাত খান না । খাওয়ার শেষে ঘুমিয়ে যেতে বলাতে আমার একটা লাভ হলো ---পড়তে হলো না !

আমি তখন আপার সাথে ঘুমাই । সে বিভিন্ন সিনেমার গল্প বলে আর আমি বিমোহিত হই । কিন্তু ওইদিন তো তার সাথে কথা বলার প্রশ্নই ওঠে না । স্পষ্ট দেখেছি,আব্বা চাইতে না চাইতেই সে বেত নিয়ে এসেছে । ঘুম আসি আসি করছে এমন সময় পিঠে মমতায় মাখামাখি একটা হাতের স্পর্শ ।

: কিরে,মাইর কি আইজ বেশি লাগসে ?

: তুই কথা কইবি না (তখন কান্না পাচ্ছে !)।

: তোর কী সাহস ! এই বয়সে সিনেমা হলে চলে যাস !! কোন্‌ সিনেমা দেখতে গেসিলি ?

: স্বপ্নের ঠিকানা ।

: অ্যাঁ !!! সালমান শাহ্‌র ছবি !! কাহিনি একটু ক' না ভাই ।



এত দিনে আমি আপাকে সিনেমার গল্প শোনাবার সুযোগ পেয়েছি । সুযোগটা ছাড়ি কী করে । সুতরাং সকল অভিমান মুহূর্তেই অবসান ।

: শোন্‌ আপা,সালমান শাহ্‌র বাপ হলো আবুল হায়াত । সে অনেক ধনী লোক । তারপর..................................



সকালে ঘুম থেকে উঠেই শহীদুলের খোঁজে গেলাম মেজো চাচার ঘরে । সে নাকি আগের দিন সন্ধ্যায় অদূরে তার মামাবাড়িতে বেড়াতে চলে গেছে তার এক কাজিনের সাথে । কয়েকদিন সেখানে থাকবে । শুনে মেজাজটা যারপরনাই খারাপ হলো । প্রতিশোধ নিতে আমার আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে । কিছুদিন পর স্কুলে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হলো । বাংলা পরীক্ষার আগের দিন শহীদুলের বাংলা বই বড় চাচার ঘরে লুকিয়ে রেখে আসলাম । সে পড়ার টেবিলে বই না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করল । কোথাও না পেয়ে শেষে আমাকে পাকড়াও করল । তার ধারণা আমি বই লুকিয়ে রেখেছি । কিন্তু আমি বেশ জোর দিয়ে অস্বীকার করলাম । একটু পর তার কান্নার আওয়াজ শোনা গেল । তাদের ঘরে গিয়ে দেখলাম,তার কান ধরে রেখে তার বড় বোন রোকসানা আপা ঘরের এদিক-ওদিক বই খোঁজাখুঁজি করছে । বই না পেয়ে একটু পরপর পিঠে দিচ্ছে কিল । রোকসানা আপা রাগে গজগজ করতে লাগল ।

: ক, বই কই হারায়া আইছস ?

শহীদুল জবাব না দিয়ে ফোঁপাতে লাগল । দেখে আমিতো বিরাট খুশি । তার কানের কাছে মৃদু গলায় বললাম, 'এইডাই তোর শাস্তি ।'

আজ সালমান শাহ অভিনীত ছবিগুলোর কথা ভীষণ মনে পড়ছে । টিভিতে প্রচারিত তাঁর যেকোনো ছবিই বিপুল আগ্রহ নিয়ে দেখেছি,এখনো দেখি । জীবন সংসার,আনন্দ অশ্রু,মায়ের অধিকার,মহামিলন,এই ঘর এই সংসার,তোমাকে চাই,বিচার হবে,দেনমোহর--- এই ছবিগুলো যে কত বার দেখেছি তার হিসাব নাই । 'বিক্ষোভ' ছবিটা দেখতে পুরো স্কুল চলে গিয়েছিল । 'প্রেম যুদ্ধ' ছবিতে সালমান শাহ্‌র মৃত্যু মেনে নিতে বেশ কষ্ট হয়েছে । 'প্রিয়জন' ছবিতে রিয়াজও ছিল---সালমা
নের পাশে কী হাস্যকর লেগেছিল ! 'কন্যাদান' ছবিতে সালমান শাহ্‌র গোঁফ দেখে বড় বোনদের হতাশ-চেহারা দেখে দারুণ মজা পেয়েছিলাম । 'স্নেহ' ছবিতে হুমায়ূন ফরীদির সালমান শাহ্‌র মামারূপে অভিনয়টা এখনো মনে পড়ে । তাঁদের দুজনের একটা গান ছিল---পিঁপড়া খাবে বড়লোকের ধন (বলা বাহুল্য,আমরা বন্ধুরা দুষ্টুমি করে একটু অন্যভাবে গাইতাম !)। 'এই ঘর এই সংসার' নিখাদ বিনোদনে ভরপুর এক ছবি । 'বিচার হবে' ছবিতে সালমান শাহ্‌র একটা উক্তি ছিল 'গিট্টু লাগসে' যা আমাদের বন্ধুমহলে দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল । 'শুধু তুমি' ছবিটি তিনি শেষ করে যেতে পারেননি,ছবির শেষাংশে একটা আগুনের দৃশ্যে ফেরদৌসকে (তখন চিনতাম না) দেখে চমকে উঠেছিলাম এই বলে--'হায়,হায় ! সালমান শাহ্‌র এ কী চেহারা হইসে !' প্রতিটি ছবিতেই ছিল দারুণ সব গান ।

সালমান-শাবনূর জুটি আমার মতে বাংলা সিনেমার সর্বকালের সেরা রোমান্টিক জুটি । এই জুটির ১৪ টা ছবির প্রায় সবগুলোই পরবর্তীতে স্থানীয় হলে গিয়ে দেখেছি । এই জুটির কাছে 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' ছবির মাধ্যমে গড়ে ওঠা অনবদ্য সালমান-মৌসুমী জুটিও টিকতে পারেনি । ভাবতে অবাক লাগে,মাত্র সাড়ে তিন বছরের চলচ্চিত্র-ক্যারিয়ার দিয়েই তিনি মেগাস্টার হয়েছেন ! এত অল্প বয়সে অমন ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা বাংলা চলচ্চিত্রের অন্য কোনো নায়কের ভাগ্যে জোটেনি ।ঙ্গাকষর্ণীয় চেহারা,অভিনয়,স্টাইল,পোশাকের নিজস্বতা,রোমান্টিক ডায়ালগের অপূর্ব থ্রোয়িং----সম্পূর্ণ এক প্যাকেজ ছিলেন তিনি । কী অসাধারণ এক চলচ্চিত্র-নায়ক আমাদের ছিল !

বাংলা চলচ্চিত্রাকাশের উজ্জ্বল এক নক্ষত্র সালমান শাহ । তিনি এই শিল্পের সর্বশেষ মধুর সত্য,এই সত্যের মৃত্যু নেই ।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×