১৯৭৯ সালের নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, আমরা যদি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন পাস করবো না। সে সময় এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ আওয়ামী লীগের কথায় বিশ্বাস করে তাদেরকে ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছিল। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা হাতে পেয়ে দেশের জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভুলে গিয়ে এদেশে মানবতাবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষতার বিষবৃক্ষ বপন করেছিল এবং তার ফলও আওয়ামী লীগ একসময় হাতেনাতে পেয়েছে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের সময় শেখ হাসিনা হিজাব পরে হাতে তসবিহ নিয়ে অতীত অপকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে আবার জনগণের নিকট ভোট ভিক্ষা করেছিল। সেবারও এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ ভুল করে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ৫ বছরব্যাপী তার খেসারত দিয়েছিল। পরে দেশের জনগণ ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে উপযুক্ত জবাব দিয়ে চরম ভরাডুবি ঘটিয়েছিল। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও ভোট চুরি করে আবার আওয়ামী লীগ এদেশের ক্ষমতার মসনদ দখল করে একের পর এক তাদের ইসলামবিরোধী এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে চলছে। এর সর্বশেষ নজির চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ঐতিহাসিক তাফসীর মাহফিল বন্ধ করে দেয়া। ইতিহাসে ধিকৃত ও নিন্দিত নমরুদ-ফিরাউনের মতো আওয়ামী সরকার এদেশের বুক থেকে তাওহীদের বাণীকে র্নিবাসনে পাঠাতে চায়। ইসলামদ্রোহী আওয়ামী সরকারের এহেন অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে চট্টগ্রামের তাফসীর মাহফিলের উপর থেকে সরকারী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার জন্য কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মানুষের পক্ষ থেকে জোর দাবি জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


