পিরোজপুরের জিয়ানগরর তানিয়া, ফৌজিয়া ও জেসমিন নামক তিন মুমিনা মহিলা সম্পূর্ণ বিনাদোষে ও বিনা অপরাধে এখন নব্য ফিরাউন শেখ হাসিনার জেলখানায় বন্দী। শুধু তাই নয়, শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলিমের দেশ এ বাংলাদেশের বুকে 'অমর সিংহ' নামক এক মালাউন এসআই উক্ত তিন নারীর দেহ থেকে বোরকার আবরণ খুলে নিয়ে তাদের বেআব্রু করার দুঃসাহস দেখিয়েছে। আরেক রামছাগল ও ফিরাউন সরকারের পা-চাটা কুকুর এবং দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে অজ্ঞ-মূর্খ ম্যাজিস্ট্রেট চৌধুরী মাহমুদুর রহমান ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ৫৪ ধারায় গ্রেফতারকৃত উক্ত তিন নারীকে ৩ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দিয়েছে-যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নজিরবিহীন।
এ পৃথিবী সৃষ্টির আদিকাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত যত নমরূদ, ফিরাউন ও শাদ্দাদের আবির্ভাব ঘটেছে তারা সবাই আল্লাহ তায়ালার গজবে অথবা জনরোষে নিপতিত হয়ে একদিন ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার পূর্বে আরো অনেক ফিরাউনের আবির্ভাব ঘটবে এবং কালের অমোঘ বিধান অনুযায়ী একদিন ধ্বংসও হয়ে যাবে। কিন্তু মুশকিল হলো ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা, 'ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।' যেমন শিক্ষা নেয়নি বাংলাদেশের নব্য ফিরাউন শেখ হাসিনা, তার সরকার ও প্রশাসন। বেশি দূরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, অতি কাছের দৃষ্টান্ত শেখ হাসিনার পিতাই। জনগণের ওপর জুলুম-শোষণ, অন্যায়-অত্যাচার এবং ইসলামের সাথে বৈরি আচরণ করার পরিণতিতে শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মম ও নৃশংসভাবে নিহত হয়েছেন। শেখ হাসিনা তার পিতার পরিণতির কথা ভুলে গিয়ে বর্তমানে আবার দেশের জনগণের ওপর অন্যায়-অত্যাচারের স্টিমরোলার চালাচ্ছে। বিশেষকরে ইসলাম ও ইসলামপন্থী নারী-পুরুষদের প্রতি নব্য ফিরাউন শেখ হাসিনার ক্ষোভ ও ক্রোধটা অতিমাত্রায়। এ ফিরাইন মহিলা এতবড় ভণ্ড-প্রতারক ও মুনাফিক যে, নির্বাচনের পূর্বে এ মহিলা হিজাব পরে তসবিহ হাতে দেশের জনগণের নিকট ভোট ভিক্ষা করে নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে নিজের হিজাব তো ছুড়ে ফেলে দিয়েছেই, এদেশের ধর্মপ্রাণ অন্যান্য যে মুমিনা মহিলা রয়েছে তাদের দেহ থেকেও হিজাব খুলে নিয়ে বেআব্রু করে জেলে পুরেছে। এর পরিণতি যে কতবড় ভয়াবহ হবে, বর্তমানে গ্রেট ফিরাউনের দেশ মিসর সফকারী শেখ হাসিনা কল্পনাও করতে পারবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


