কচিং এর যন্ত্রনা আর কত দিন সহ্য করতে হবে ছাত্র/ছাত্রীদের?
মেধা মননশীলতা নস্ট করছে এসব নামধারী উচ্চ তর্কমা দেওয়ার জ্ঞানকারী কিছু অর্থ লোভের লালসাধারী শিক্ষক/শিক্ষীকারা। এ থেকে রেহাই পাচ্ছেনা ছোট ছোট ছেলে/মেয়েরাও। ব্যাগের পাহার সমান ভার ওজন কাধেঁ নিয়ে ব্যাকে হওয়ার অবস্থা। ক্লাসে ফাকিমারা গল্প করা, আড্ডামেরে সময় নস্ট করে উপরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার ধান্ধা করে ছাত্র/ছাত্রীদের মানষিক চাপে রাখা হলো তাদের কাজ। পড়ানোর নামে ঠন ঠনাঠন। কাজের নামে কিছুই না।
ভাল শিক্ষক আসবে কোথায় থেকে ভাল ছাত্ররাত শিক্ষকতা পেশায় আসে না। মানুষের মন থেকে এখন নৈতিকতা উঠেগেছে বললেই চলে।
শিক্ষা থেকে নৈতিকতা বিদায় নেয়ার পেছনে মূল কারন হলো শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিনত করা।
কচিং নামক অদ্ভত জিনিসটা শিক্ষা,জ্ঞান, নৈতিকতাকে ধ্বংস করে দিল। এসব বিষয়ে আমাদের মন্ত্রিমহোদয়ের নেক নজর আছে বলে আমার মনে হয় না।
আমি কিছু প্রতিঠানের কথা জানি যারা বিজ্ঞানের বিষয় গুলোকে শিক্ষাদেয় (১ম,২য়) ক্লাশের ছাত্রদের রিভাইজ পড়ার মতন। (ক্লাশে ডুকে বলে বই খুল ওমক চাপ্টার বের কর, এই যে এই তুমি রিডিং পড়, তার পর তুমি পড় তার পর তুমি পড়) টুং টুং ক্লাশ শেষ এই হল আমাদের শিক্ষকদের বিজ্ঞান পড়ানোর অবস্থা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




