আগের পর্ব
হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেলেন সমুদ্রের পাড়ে। সেখানেই বসে রইলেন আর নিজের পরিণতির কথা ভাবতে শুরু করলেন। ছেলেটা বড় হচ্ছে। কিভাবে তার পড়াশুনার খরচ চালাবেন, কিভাবে সংসার চলবে - এইসব নিয়ে ভাবতে ভাবতে কখন যে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নেমে এলো টেরই পেলেন না। হঠাৎ হাতঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখলেন রাত ১১:৩০। বাড়ীর দিকে হাঁটা শুরু করলেন আর ভাবতে লাগলেন কি জবাব দিবেন স্ত্রী-পুত্র কে, কিভাবে তাদের মুখের দিকে তিনি তাকাবেন?
বাসার ঠিক কাছাকাছি পৌছালে ২০-২২ বছরের ৩জন এসে রাস্তা আগলে দাঁড়ালো। হাতের ঘড়ি, মানিব্যাগ এমনকি চোখের চশমাটাও রেখে যায়নি। তারা যখন চলে যাচ্ছে তখন আশপাশের কাউকে দেখতে পেলেন না। তাই প্রানের মায়ায় চিৎকারও করলেন না। বার বার তার চোখের সামনে ভেসে উঠতে লাগলো তার পুত্রের মুখখানি। ভাবলেন এখন যদি আর্থিক টানাটানির কারণে তার পুত্রের পড়াশুনা তিনি চালিয়ে যেতে না পারেন তাহলে তার ছেলেও এই বয়সেই এই কাজই করবে।
এমন সময় হঠাৎ একটি পুলিশের গাড়ী এসে হাজির। গাড়ীর ভেতর থেকে বড় স্যার জিজ্ঞেস করলেন এত রাতে রাস্তায় কি করছে। বেচারা তাকে ঘটনা খুলে বলতেই সে তাকে গাড়ীতে উঠতে বললো। বললো থানায় যেয়ে একটা মামলা করতে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে সব ফিরে পাবে সে। রাত তখন পৌনে তিনটা।
[চলবে]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


