somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ অসংগতি এবং স্বপ্ন

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এমন কি হতে পারে না আজকের দিনটি শুধু অসঙ্গতিময়? খুব সকাল বেলা ঘর থেকে বের হচ্ছি তিন ফ্লোর নিচে নামার পর মনে পড়বে মোবাইলটা রেখে এসেছি। উপরে আবার উঠে শত খুজেও না পেয়ে আবার টাকার পার্সে খুজে নিজের উপর বিরক্তি চলে আসা। উফফ আর সহ্য হয় না টাইপ একটা অনুভূতি। এবং বাসা থেকে বের হয়েই হটাত এক ছোট্ট পানির ডোবাতে পা দিয়ে ফেলা। এবং তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকা দিনটা আজ কার মুখ দেখে শুরু করেছিলাম যে। ওহ ভুলেই তো গিয়েছিলাম আজ সকালে ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় নিজের কালো ব্রন যুক্ত কুৎসিত মুখটাই প্রথমে দেখেছিলাম। ওভাবেই সটান দাড়িয়ে ভাবতে থাকা হায় আমি কতো কুৎসিত। অনেক ভাবাভাবির পর মনে পড়ে যাবে আমি এখানে কেন দাঁড়িয়ে আছি? নিজের উপর বিরক্তি আরো বেরে যাবে। পা পরিস্কার করার জন্যে বাসায় গিয়ে ধুয়ে আসবো নাকি একটা টিস্যু কিনে মুছে নিবো? এই ভেবে আরো ৫ মিনিট মুল্যবান সময়ের অপচয়। অতঃপর টিস্যু কিনে সময় বাচাবার অভিপ্রায়ে মুছতে মুছতে সরে যাওয়া ওড়না দিকে পথচারীর কুৎসিত দৃষ্টি, এবং তার চেয়েও কুৎসিত ঘৃণা নিয়ে যখন আমিও তাকাবো, ভয় পেয়ে তাদের সটকে পড়া।



নাহ! এমন কিছু আমার জন্যে নয়। আমি দেখতে একদম কুৎসিত নই, আমি অনেক গোছালো স্বভাবের, রাত জেগে পড়াশুনা করি আর যাই করি, সকালে আমার চোখের নিচে হালকা কালচে ভাব দেখে একমাত্র অর্ক ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারে না আমি জেগে ছিলাম। ও আমাকে দেখে কখন এটাই আমি বুঝি না। সবসময় এমনকি আমার সাথে থাকার সময়েও অন্য মেয়েদের গিলতে থাকে, অবশ্য বাজে দৃষ্টি নয়, ওর দৃষ্টিতে থাকে এক ধরনের মুগ্ধতা। আমার ভীষণ হিংসে লাগে, আমি সহ্য করতে পারি না তখন। ওকে আমার নিজস্ব সম্পত্তি মনে হয়, যে কারনে ওর আর এখন কোন বন্ধু নাই বললেই চলে। এই হাবাগোবাটার প্রেমে আমি কিভাবে পড়লাম সেটাই তো মাঝে মাঝে বুঝি না। আচ্ছা অনেক হয়েছে কথা এবার আমাদের পরিচয় দেই, আমি নিলু অথবা নীলা। আর ও হচ্ছে একজন অর্ক। ও আমার ক্লাসেই পরে যদিও ওকে ক্লাস করতে তেমন দেখা যায় না। সারাদিন পরে পরে ঘুম। কিভাবে যে পারে? মাঝে মাঝে ডেটিং এর জন্য আমি একা একা বসে অপেক্ষা করি আর ও হাজির হয় তিন চার ঘণ্টা পর। আর এসেই বলবে ক্যান যে এত্ত তাড়াতাড়ি আসো আরেকটু পরে আসলে কি এমন সমস্যা হয়? বুঝো অবস্থা অন্যায় করবে ও আর সব দোষ আমার।



আমাদের বাসাটা ধানমন্ডি লেকের পাশেই, আমার রুমের বারান্দা থেকেই আমি লেক দেখতে পাই, বাসায় ভেসে আসে মিস্টি হাওয়া, তবে মাঝে মাঝে পচা ছেলেদের হতাশার কটু গন্ধও ভেসে আসে না এমন নয়। মাঝে মাঝে আমি বিকেলে বারান্দায় গিয়ে দাড়াই আর দেখতে পাই চলমান প্রেম, না চলমান প্রেমিক জুটি, শব্দটা আমার পছন্দ হয় না, প্রেমিক জুটি না হয়ে প্রেমিকা জুটি হবে না ক্যানো? ক্যানো চারপাশে পুরুষবাচক শব্দের এত ছড়াছড়ি? বিরক্ত হয়ে আবার নিজের রুমে এসে বসি। আমার আবার একটা স্পেশাল শান্তি আছে সেটা হচ্ছে আমার রুম আমি পরিবারের অন্যদের জন্য নিষিদ্ধ করে রেখেছি, এটা বাসার বাকি তিনজন মেনে চলে। সবাই ভালো করেই জানে যদি না মানে তবে যা হবে তার কোন অর্থ থাকবে না। আমি পিসিতে একটা গান ছাড়ি "যদি মন কাঁদে এক বরষায় তবে তুমি চলে এস" অথবা " প্রেম একবারি এসেছিলো নীরবে আমারি দুয়ারো প্রান্তে, সে এসেছিলো পারিনি জানতে"। আর গান চলতে চলতেই যেন বৃষ্টি চলে আসে পরিবেশ কিংবা আবহটাকে আরো মায়াময় করে তুলতে। আমি তখন কাঁদতে শুরু করি। এ কান্নার কোন মানে নাই, আমার কোন আপ্সুস, দুঃখ, কষ্ট কিংবা হারানোর বেদনা নাই। জীবনে যা চেয়েছি তা পেয়েছি অথবা আদায় করে নিয়েছি টাইপ মেয়ে। তবুও ভীষণ কান্না আসে। আমার বুক ভাসে কান্নার জ্বলে। হয়ত এ আমার দুঃখ বিলাস। আমি কাঁদি আর অঝোর ধারায় পৃথিবীও কাঁদে।



অনেকদিন আগে আমার এই অহেতুক কান্নার কথা অর্ক কে বলেছিলাম ও সব শুনেটুনে চুপ করে আছে, কিছুই বলে না। নাহ একটা টা কিংবা একটা টু। কোন আওয়াজ নাই, আমি পড়লাম মহা ঝামেলায়। এই বোবা ভূতের সাথে কিভাবে সারা জীবন থাকবো চিন্তা করতেছি। ও হটাত আমাকে বলল তুমি যখন ওরকম করে কান্না করবা তখন আমার খুব ওখানে থাকতে ইচ্ছে করবে। ইচ্ছে করবে তোমাকে দেখতে, ক্যানো যে এই অপার্থিব সৌন্দর্যের কথা আমাকে বললা। আমার লজ্জা লাগে খুব। পরক্ষনেই ভীষণ তেজ নিয়ে বলি হু আমার কান্না দেখতে ইচ্ছে করে তোমার? তুমি তো ছেলে ভালো না, সারা জীবন আমাকে কষ্ট দেয়ার পায়তারা করছো নাকি? আর এইটা কেমন সখ যে আমার কান্না দেখতে চাও, ছি তোমার লজ্জা করলো না? আমার উচ্চমাত্রার ধমকে ও বেচারা কাহিল হয়ে যায়, আরো লজ্জা পায় যখন পথচারী ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসে। তারপর যখন আদর করে ওর কানটা ধরে বলি তোমার কান ধরতে আমার খুব মজা লাগে তখন ও একটু ধাতস্ত হয়ে আমার কান ধরে বলে তোমার কান ধরতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমার প্রেম করি।



এর মাঝে একদিন রেজাল্ট দিয়ে দিলো, ফাইনালের, ওকে আরো কমপক্ষে দুইটা সেমিস্টার পড়তে হবে, আর আমার সিজিপিএ ৩.৯০। আমি না পারছি খুশি হতে না পারছি আনন্দিত হতে। কিভাবে কি করি? এদিকে বাসা থেকে বিয়ের চাপে চাপে নিজেকে আর সোজা করতে পারছি না। সব শেষে কোনরকমে আমতা আমতা করে বাসার সবাইকে টিভির রুমে গিয়েই বললাম ওর কথা। সবাই জাস্ট বিশাল একটা টাস্কি খায়, মনে হচ্ছে তাদের মাথার উপরেই আমেরিকার টুইন টাওয়ার ক্রাশ করছে। আমার সম্পর্কে তাদের ধারনা ছিলো আমি অনেক বুদ্ধিমতি, যদি কোন ছেলেকে পছন্দ করিও সেটা হবে সেই রকম বিত্তবান কোন লোকের এক মাত্র ( বখে যাওয়া কু) সন্তান। কিন্তু এ আমি কি করলাম? ছেলে এমনকি ভালো ছাত্রও নয়। তারা সবাই আমার উপর ঝাপিয়ে পরবে বিশাল আক্রোশে, এতদিনে এই বদরাগী ব্যাক্তিত্তের মেয়েটার একটা দুর্বলতা পেয়েছে তারা। নিজেদের মেয়েই যেন মহা শত্রু ছিলো আমি আবিস্কার করলাম। কিভাবে কবে নিজের আব্বু আম্মুর সাথে এত দুরুত্ত হলো আমি তাদের মুখ পানে চেয়ে ভাবতে থাকি, আসলে কবেই বা কাছাকাছি ছিলাম? জন্মের পর থেকে আয়া বুয়ার কোলে কোলে ঘুরেছি খেয়েছি, পড়াশুনা জন্যে পিচ্চি থেকেই টিচার আর টিচার। সব বুড়ো বুড়ো নাম করা টিচার। অবশ্য মোটা অংকের টাকা স্যালারী পাওয়ার জন্যে কেউ কখন আমাকে বকা ঝকা দেয় নাই। আমি এমনকি তাদের দাড়িও টেনে দিতাম। দস্যি মেয়ে কিনা। তবে হ্যা একটা টিচার ছিলো আমার খুব প্রিয়, আমি ক্লাস ওয়ান থেকে এসেসসি পর্যন্ত তার কাছে পড়েছি সে, ছিলো আমার অংকের টিচার। উনি আমাকে শুধু অংক ক্যানো সব বিষয়ের কৌতূহল মিটাতেন।



শেষমেশ পরিবার আর আত্মীয়স্বজনের সাথে আর পেরে উঠি না ইন্ট্রোভারট আমি। ভেবে ভেবে একটা ডিশিশান জানাই সবাইকে আমি আরো পড়াশুনা করবো, কেউ না মানতে চাইলেও মানা করতে আর পারে না তারা। মিউনিখের উদ্দেশ্যে যাবার কয়েকদিন আগে অর্ক কে জানাই সব কিছুই। ও শুধু আমার দিকে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে। আচ্ছা অর্ক তুমি কি একবার পারতে না আমাকে থেকে যেতে বলতে? আমি তোমাকে সেই অধিকার দেইনি? তুমি কি পারতে না বলতে চলো তুমি আমার সাথে। বলোনি কেন? আমার মাঝে মাঝেই খুব জানতে ইচ্ছে করতো। ওখানেও গিয়েও কতো যে কেঁদেছি, এই জীবনে আমাকে মাত্র দুইটা মানুষ বুঝে তুমি আর সেই অংকের শিক্ষক। আর সব তুমি বুঝেও আমাকে কেন বলোনি? বহু বছর পর যেদিন তোমাকে আমি এই প্রশ্ন করেছিলাম তুমি বলেছিলে তোমার অহমে লেগেছিলো বড্ড। নাহ আমাকে নিয়ে নয় আমার পরিবারের তোমার পরিবারের প্রতি মুল্যায়ন। হ্যা সে আমি বুঝতে পেরেছি দেশে ফিরেই এসে দেখলাম তোমার বেশ বাড়বাড়ন্ত। তুমি এখন একটা নাম করা ফার্মের মালিক, কত্ত যে টাকা। আমার পরিবার আর না করতে পারবে না এবার।



কিন্তু তুমিও অনেক বদলে গিয়েছিলে নাকি? আমি বুঝতে পারি না অত। যদি বদলে যাও সেই ভয়ে তোমার সামনে আসিনি। তুমিও তো একদিন খোজ নাওনি। একবার ফোন পর্যন্ত করোনি, কিংবা একটা মেসেজ। আমার সেই কষ্টের দিনগুলি এখন আর নেই। পাগল ছেলে, ঘুম কাতরে ছেলেটা বদলে গিয়েছিলো বাহিরে শুধু ভিতরে সে রয়ে যায় আগের মতোই। এখনো সে তখনের মতো আমাকে ভালবাসে। আমি শুধু অনুভব করি ওর প্রতিটা অনুভূতি জুড়ে শুধু আমি আর আমি।



এই নিলু চটপটি খাবা?

হুম

এই যে নাও গরম গরম রান্না করে এনেছি। হাসি মুখে আমার পাশে বসে ও আমাকে নিজের হাতে চটপটি খাইয়ে দেয়, আর আমার চোখ জুড়ে শুধু ভাললাগা অনুভূতি ফুটে উঠে। ওরও তাই।



আমাদের নতুন অতিথি আসছে সামনের মাসেই, ও তাই ছুটি নিয়েছে এক মাসের, আর এই সুযোগে ওর হাতের অসাধারন রান্না গুলো খেতে পারছি আমি। ওর রান্না হাত দারুন। ইচ্ছে আছে কাল সকালের ওর শহরে চলে যাবো, ওর শহরটাও দারুন, কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে। জীবনানন্দ দাস ঐ নদীর পাড়ে বড় না হলে কিভাবে যে কবি হতেন আমিও ভাবি মাঝে মাঝে। ওখানে ওদের বাসায় বসে প্রতি সকালে শাশুড়ির হাতের যত্ন নিয়ে বানানো নাস্তা আর দুপুরে তাজা তাজা মাছ আর ওর হাতের রান্নার সুবাস। দারুন মজার হবে তাই না।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৬
২৫টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও রাসূলের (সা.) আহলে বাইত, হযরত আব্বাস (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত/ হযরত আলী (রা.) ও তাঁর আহলে বাইত, কোন আহলে বাইতের অনুসারি হবেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:৩৩



সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধতার ভেতরেও রাজনীতির স্পন্দন।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:১৪



ফের রাজনীতির মঞ্চে ফিরে আসার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। আর বাংলাদেশের রাজনীতি যাদের চেনা, তারা জানেন- এখানে কোনো অধ্যায় সহজে শেষ হয় না। এখানে পতন মানেই প্রস্থান নয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ও আমরা কেনো ক্ষমা চাইবো‼️আমরা’তো বিচার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:১৫



লাল বদরদের আমরা কেন কোনোদিন বিশ্বাস করবো না, পছন্দ করতে পারবো না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রচন্ড ঘৃণা করবো, তার একটা ভালো উদাহরণ এই স্ক্রীনশটটা।

সব মানুষ একই রাজনৈতিক আদর্শে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপদ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫


বিপদ নাকি একা আসে না—দলবল নিয়ে চারদিক থেকে ঘিরে ধরে। প্রবাদটির বাস্তব এবং কদর্যরূপ যেন এখন মৃণালের জীবনেই ফুটে উঠেছে। মাত্র মাসখানেক আগে বাবাহারা হলো। পিতৃশোক কাটার আগেই আবার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×