somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এম এল হাসান
যখন খুব আনন্দে থাকবেন তখন কোন কথা দিবেন না আর যখন খুব রাগান্বিত থাকবেন তখন কোন সিদ্ধান্ত নিবেন না, এতে পরবর্তীতে পঁচতাতে হয়,ধৈর্য ধরুন আর ক্ষমা করতে শিখুন।

কখনো ভেবে দেখেছেন? আপনার অবসরে কি করা উচিৎ ছিলো আর আপনি কি করছেন???!

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আস-সালামু আলাইকুম
ভাইঃ
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়ারহমাতুল্লাহ,
আমার খুব জানতে ইচ্ছা হচ্ছে ভাই
আপনি অবসরে কি করেন,দুরে বেড়াতে যান?
বাগান করেন ---। গল্পের বই পড়েন।
মন ভরে কিছু ভিডিও,সিনেমা দেখেন আড্ডা দেন --।
ফেসবুক চালান ?খেলাদেখেন ? নাকি ঘুমান???
ভাইঃকোন ঠিক ঠিকানা নাই
যখন ঠেকে যাই, না করলে হয়না সেটা তখন করি!
!!!
তবে ---- আমার সাথে
আসুন,আপনার সাথে কিছু
কথা বলব,, আপনি কি মনোযোগ দিবেন।
কেননা,, সূরা ক্বাফ:37 - এতে(এ কোর-আনুল কারীমে)
উপদেশ রয়েছে তার জন্যে, যার অনুধাবন করার মত অন্তর রয়েছে। অথবা সে নিবিষ্ট মনে শ্রবণ করে।
জ্বী বলুন,
অবসরে কি করতে হয় ,
মহান আল্লাহ্ই বা কি
করতে বলেছেন?
নিচে দেখুনঃ
আয়াত':-
সূরা আল ইনশিরাহ:5 - নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।
|`
সূরা আল ইনশিরাহ(:7 -8) অতএব, যখন অবসর পান
পরিশ্রম করুন। এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন ||
ব্যাখ্যা:_
এবং নিজের রবেরই প্রতি মনোযোগ দাও।
অবসর পাওয়ার অর্থ হচ্ছে, নিজের কাজকাম থেকে অবসর পাওয়া, তা ইসলামের দাওয়াত দেয়া ও ইসলাম প্রচারের কাজ হতে পারে বা ইসলাম গ্রহণকারীদেরকে শিক্ষা ও তরবিয়ত দানের কাজও হতে পারে অথবা নিজের ঘরের ও বাইরের বৈষয়িক কাজও হতে পারে। এই নির্দেশটির উদ্দেশ্য হচ্ছে, যখন আর কোনো কাজ থাকবে না তখন নিজের অবসর সময়টুকু ইবাদাতের পরিশ্রম ও সাধনায় ব্যয় করো এবং সবদিক থেকে দৃষ্টি ও মনোযোগ ফিরিয়ে এনে একমাত্র নিজের রবের প্রতি মনোযোগী হয়ে যাও
অথবা,
_তাফসীরে-মা য়া ' রেফুল কোরআন)
যখনই _ অবসর পাবেন তখনই,
আল্লাহর কিতাব পাঠ করবেন,
এস্ততেগফার ও দোয়ায় আত্মনিয়োগ
নিয়োগকরবেন, একান্ত প্রত্যক্ষ ভাবে
আল্লাহর দিকে মনোনিবেশ করবেন।
তারই কাছে প্রত্যেক কাজের
সাফল্য লাভের দোয়া করবেন।
|
আল্লাহ্র যিকর ও প্রত্যক্ষ ইবাদতই হলআসলউদ্দেশ্য
এজন্য মানুষ কে সৃষ্টি করা হয়েছে দাওয়াত'তাবালীগ এর মাধ্যম মানুষকে পথপ্রদর্শন করা এবং তাদের সংশোধনের চিন্তা করা সর্ববৃহৎ এবাদত
হলে ও
যখনই অবসর পাবেন তখনই,
আল্লাহর কিতাব পাঠ করা,
এস্ততেগফার ও দোয়ায় আত্মনিয়োগ
নিয়োগকরা, অথ্যাৎ একান্ত প্রত্যক্ষ ভাবে ইবাদত করতে হবে
তা না করা হলে শিক্ষা এবং প্রচার কাজ ও কার্যকর হয় না তাতে বরকত ও হয়না
আলোচ্য সুরার শেষ আয়াতে আছে ফানছব'_শব্দ টি. নছব থেকে উদ্ভুত এর আসল-অর্থহলো পরিশমও ক্লান্তি
এতে ইশারা-আছে_ইবাদত ও যিকির আরাম পর্যন্তই সীমিত রাখা উচিত নয় প্রতি দিন সঠিক সময়ও নিয়ম মেনে চলতে হবে ইবাদত করতে করতে একটু কষ্ট আসা পর্যন্ত চেষ্টা করতে হবে.
!!!
অতএব.
নিচেরআলোচ্য আয়াতে _সময় আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন, তিনিই মাস,সপ্তাহ,
দিন রাত সৃষ্টি করেছেন। যুগে যুগে যতই নতুন কিছু আবিষ্কার হচ্ছে
মানুষ তার পিছনে সময় ব্যয় করছে আর নিজেকে মডার্ন ভাবছে,
আল্লাহর ইবাদত না করে অন্যকাজে সময় ব্যয় করে নিজেকে সময়ের
সদ্বব্যবহার কারী
এছাড়াও নিজেকে সে আধুনিক যুগের সাথে তাল
মিলিয়ে চালাতে পারছেন ---ভাবছেন ---
এজন্য মহান আল্লাহ যুগের কছম করে বলেছেন --
সূরা আছর:1 - কছম যুগের (সময়ের),
সূরা আছর:2 - নিশ্চয় মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত;
সূরা আছর:3 - কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে তাকীদ করে সত্যের এবং তাকীদ করে সবরের।
সব কষ্ট বেহেস্তীদের থেকে গেলেও সময় নষ্ট করার জন্য যে লস হয়েছে
তার কষ্ট যাবে না
ইমাম গাজ্জালী_একটি হাদীস উল্লেখ্য করেছেন_একটি সেকেন্ড একটি ভান্ডার নিয়ামত পেশ করা হবে. ব্যাক্তির আমল অনুযায়ী প্রতিদান পাবে যে সময় নষ্ট করছে তার সব খালিআকারে দেখতে পাবে| তখন সময় নষ্টের জন্য আফসোস করবে i|
||
সূরা আত তাওবাহ:120 - মদীনাবাসী ও পাশ্ববর্তী পল্লীবাসীদের উচিত নয় রসূলুল্লাহর সঙ্গ ত্যাগ করে পেছনে থেকে যাওয়া এবং রসূলের প্রাণ থেকে নিজেদের প্রাণকে অধিক প্রিয় মনে করা। এটি এজন্য যে, আল্লাহর পথে যে তৃষ্ণা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা তাদের স্পর্শ করে এবং তাদের এমন পদক্ষেপ যা কাফেরদের মনে ক্রোধের কারণ হয় আর শত্রুদের পক্ষ থেকে তারা যা কিছু প্রাপ্ত হয়-তার প্রত্যেকটির পরিবর্তে তাদের জন্য লিখিত হয়ে নেক আমল। নিঃসন্দেহে আল্লাহ সৎকর্মশীল লোকদের হক নষ্ট করেন না।
সূরা আত তাওবাহ:121 - আর তারা [মু'মিনগন] অল্প-বিস্তর যা কিছু ব্যয় করে, যত প্রান্তর তারা অতিক্রম করে, তা সবই তাদের নামে লেখা হয়, যেন আল্লাহ তাদের কৃতকর্মসমূহের উত্তম বিনিময় প্রদান করেন।
রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ্
তা‘আলা বলেছেন: "হে আদম
সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য
তুমি নিজের অবসর সময়
তৈরী কর ও ইবাদতে মন
দাও, তাহলে আমি তোমার
অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব
এবং তোমার দারিদ্র
ঘুচিয়ে দেব। আর যদি তা না কর,
তবে তোমার হাতকে ব্যস্ততায়
ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই
দূর করব না।"
(তিরমিযী,২৬৫৪ ও ইবনে মাজা,৪১০৭)
তাই আসুন
দুনিয়ার এই সংক্ষিপ্ত সময় হিসাব করে সঠিক ও আল্লাহর সন্তুটির কাছে ব্যয় করি|
হে আল্লাহ আমাদের কে সময়ের.সঠিক ব্যবহার করার তওফিক দিন,
আমীন |
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:২৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×