somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেটিকুলাস ডিজাইনের নিজেরা নিজেরা নির্বাচন

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের জামাতের সমর্থন কতটুকু?
এযাবৎ পাকিস্তান আমল থেকে ৭৫ বছরের ইতিহাসেএ দেশে বর্তমানে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে কোন নির্বাচনে জামাত ৪ - ৫% এর বেশি ভোট পায়নি।
২০০৮ এর ফটো আইডি ভিত্তিক ভোটে জামাত পেয়েছিল ৪.০৭%
জামাতের জন্মস্থান পাকিস্তানেও জামাতের পপুলারিটি আরো কম।
কথিত জুলাই আন্দোলনেও অফিসিয়ালি জামাত ছিল না। আন্দোলনের মাঝে নেতার বারবার শিবির জামাতের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করা হচ্ছিল। কারন ঘৃনিত জামাত আন্দোলনে নেতৃত্বে আছে জানাজানি হলে আন্দলোন ভেস্তে যেত। তাই জামাত শিবির ছিল মেডিকুলাস ডিজাইনে গুপ্তভাবে।
বর্তমানে জামাত শিবির এমন কোন ভাল কাজ করে নি যে জামাতের ভোট বাড়বে, বরং কর্মজীবি নারীদের ঘরে আবদ্ধ করা, পেশাজীবি নারী দের বেশ্যা বলা ইত্যাদিতে জামাতের ভোট আরো কমেছে নিশ্চিত।

জামাত তো বাংলাদেশের কিছু না। জামাতের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে পাকিস্তান।
জামাত নির্বাচন দিয়ে কি করবে? নীতিগত ভাবে জামাত নির্বাচন মানে না গণতন্ত্র মানে না।
জামাতের ম্যানফেস্টোতে গণতন্ত্রে চিহ্ন মাত্র নেই আছে আইএস আলকায়দা জঙ্গিদের মত একদলীয় সালাফি- ওহাবি ইসলামতন্ত্রের কথা ।
এরপরও কিছু শিক্ষিত নামের ছাগলরা ভাবছে জামাত জঙ্গিরা দেশের হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিবে।

মাত্র ৪% ভোটের জামাত অল্প কয়েকজন সেনাবাহিনীর লোককে হাত করে দেশটা দখল করলো।

বিশ্বাসঘাতক সেনা প্রধান।
সেনা প্রধান বিশ্বাসঘাতকতা না করলে, জামাত-শিবির কিছুই করতে পারতো না। কিছুই হতো না।
দেশ নর্মাল অবস্থায় জামাত শিবির জঙ্গিরা সবাই ভয়ে লুকিয়ে ছিল, লুঙ্গির তলে বা আন্ডারোয়েরের তলায়। ১৮ বছরের সাহস পায় নি লুঙ্গির নিচ থেকে উকি দেয়ার। শুধু অপেক্ষায় ছিল সেনাবাহিনীর।
অবশেষে আমেরিকার ডিপ্সটেটের ডলারের সাহায্যে সেনাপ্রধানকে বুক করা গেল।
সেনা প্রধানের এত জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যে সম্মানিত শতাধিক নেতা কর্মি সাংবাদিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, প্রধান বিচারপতি সহ অনেক বিচারপতি সেনা আশ্রয়ে থাকা লোকজনকে ক্যান্টনমেন্টে নিরাপদে আশ্রয়দান করে কিছুদিন পর একের পর এক নির্মভাবে মারপিট করে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়েছিল এই সেনাপ্রধান।
জাহিলিয়ার যুগেও এতটা নৃসংসতা কখনো দেখা যায় নি, হাদিসে দেখা গেছে, ভুলক্রমে আশ্রয়ে থাকা চরম শত্রুকেও হত্যা করা হত না, নিরাপদ আশ্রয়ে পৌছে দেয়া হতো। কিন্তু এই জল্লাদ সেনা প্রধান করলো উল্টোটা। আনিসুল হক, দরবেশ বাবা, বিচারপতি মানিক সহ শতাধিক সম্মানিত নাগরিক কে জামাত শিবিরের পালিত জঙ্গিদের হাতে তুলে দেয়, (সুত্র ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত) যাদের অনেককেই হত্যা করে লাস লুকিয়ে ফেলে, বাকি দের সীমান্তের কাছে নিয়ে কথিত পলায়ন নাটক তৈরি করে জেলে ঢুকায়।


কথিত জুলাই আন্দোলনেও অফিসিয়ালি জামাত ছিল না। আন্দোলনের মাঝে বারবার শিবির জামাতের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করা হয়েছিল। ছিল মেটিকুলাস ডিজাইনে গুপ্তভাবে। গুপ্তভাবে ছাত্রলীগের সাথে বিএনপির ছাত্রদলের সাথে।
জামাত চক্রান্ত করে বিশ্বাসঘাতক সেনাপ্রধান কে হাত করে এক নোবেল লরেট ইউনুসকে ভাড়া করে ক্ষমতা দখল করেছে।
এখন এই চার পার্সেন্ট ভোটের মালিক জামাত ডাকসু নির্বাচনের মত নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপিয়ে কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার মত স্বপ্ন দেখছে।
ভোট দিয়ে কোন লাভ হবে না।
কিসের ভোট দিবেন?
বান্ডেল পান্ডেল প্রবাসী পোস্টাল ব্যালট এসেছিল কিছু ব্যক্তিদের কাছে। ইন্ডিভিজুয়ালীও এসেছিল অগনিত সিরিয়াল নাম্বার রেফারেন্স নাম্বার বাদেই, অনেকেই দিয়েছে, বেশিরভাগই দেয় নি, না দিলেও ক্ষতি নেই, দিয়ে দেয়ার লোক রেডি আছে
ভোট দেওয়া অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল ব্যালট ফেরত গেছে।
দেশের ভিতরেও অগণিত পোস্টাল ব্যালটের বান্ডিল দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন প্রায় সবগুলোই জামাতি।
এটা ডাকসু নির্বাচনের মত ব্যালট সেটআপ করা নির্বাচন।
আপনি ভোট দিয়ে কোন লাভ হবে না। ওদের রেডি করা সেটআপ ব্যালট যেভাবে ডাকশু-চাকশু নির্বাচল ফলাফল হয়েছে সেভাবেই ভোটের বাক্স খোলা হবে।
কথিত গণভোট হা না রেডি করা ব্যালট তো রেডি আছেই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৬
১৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘সবচেয়ে কঠিন’

লিখেছেন আবু সিদ, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:১৫


আমি সাদ। আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ক্লাস টেনের ছাত্র। আমার ক্লাসের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৫ বা তার আশপাশে। আমারও ১৫ বছর বয়সে ক্লাস টেনে থাকার কথা ছিল। কিন্তু আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:২৪



উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মেটিকুলাসলি ডিজাইন' করে সিলেটকে অশান্ত করে তোলার অর্থ কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:১৫

সিলেটে এন,সি,পি সাংগঠনিক ভাবে দূর্বল।
দলের ভিতরে কোন্দল মারাত্মক তা ফেসবুকে দলীয় নেতা কর্মীদের পোস্ট দেখে বুঝা যায়।
অথচ, সামনে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন।
এই পরিস্থিতিতে, দলের মানুষদের 'গরম' করে তোলার একটাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২৮

স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?

লিখেছেন মেহবুবা, ৩১ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩

আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×